ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ করে সংসদে বিল পাশ
২ ডিআইজিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি
তৃতীয় দফায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী রিমান্ডে
বকেয়া বেতনের দাবিতে নাসা গ্রুপের পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের গোপন চুক্তি নেই, তবে কিছু বিষয় এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না
কোটি টাকা আত্মসাত, ঢাবির জুলাইযোদ্ধা ছাত্রদল নেতা অর্ণবকে বহিষ্কার
এক-এগারো সরকারের সঙ্গে ইউনূস সরকারের যোগসূত্র
সংসদে রাজাকারদের জন্য শোক প্রস্তাব: ৪১ বিশিষ্ট নাগরিকের প্রতিবাদ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ও দণ্ডপ্রাপ্ত রাজাকারদের জন্য শোক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ জানিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন দেশের ৪১ জন বিশিষ্ট নাগরিক।
আজ ১৩ই মার্চ, শুক্রবার প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে নাগরিকরা এই প্রস্তাবকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অবমাননা এবং শহিদদের আত্মত্যাগের প্রতি অসম্মান হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন- কবি নির্মলেন্দু গুণ, অধ্যাপক আবু ইউসুফ, কবি হেনরী স্বপন, কবি শাহেদ কায়েস, গবেষক ও সাংবাদিক এনায়েত কবীরসহ মোট ৪১ জন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রথম সংসদ স্বাধীনতার পরিপ্রেক্ষিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখার শপথ নিয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সংসদে সেই ঐতিহ্যের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত রাজাকার ও জামায়াতে ইসলামী নেতাদের জন্য
শোক প্রস্তাব উত্থাপন মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের শামিল এবং জাতীয় ইতিহাসকে মুছে ফেলার অপচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নাগরিকরা অভিযোগ করেছেন, “একজন রাজাকার বা আল-বদর কখনো রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়ার যোগ্য নয়। এ ধরনের পদক্ষেপ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ভুল বার্তা দেবে।” তারা জাতীয় সংসদের কার্যবিবরণী থেকে শোক প্রস্তাবের অংশ অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি সংসদ ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভবিষ্যতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যে সংসদ ৩০ লাখ শহীদ এবং দুই লাখ মা–বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেই সংসদে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
শোক প্রস্তাব উত্থাপন মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের শামিল এবং জাতীয় ইতিহাসকে মুছে ফেলার অপচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নাগরিকরা অভিযোগ করেছেন, “একজন রাজাকার বা আল-বদর কখনো রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়ার যোগ্য নয়। এ ধরনের পদক্ষেপ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ভুল বার্তা দেবে।” তারা জাতীয় সংসদের কার্যবিবরণী থেকে শোক প্রস্তাবের অংশ অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি সংসদ ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভবিষ্যতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যে সংসদ ৩০ লাখ শহীদ এবং দুই লাখ মা–বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেই সংসদে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।



