ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব সন্ত্রাসের মহোৎসবে জুলাই দাঙ্গার ফসল ঘরে তুলছে বাংলাদেশ
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
সংবর্ধনার আড়ালে চাঁদাবাজির মহোৎসব: তারেক রহমানকে ঘিরে হাজার কোটি টাকার ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাস’
সংবর্ধনা—শব্দটি শুনলেই একসময় চোখের সামনে ভেসে উঠত সম্মানের চিত্র। কিন্তু বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে কেন্দ্র করে আয়োজিত সংবর্ধনার নামে বর্তমানে যা চলছে, তাকে ‘সম্মান’ নয় বরং ‘সংগঠিত চাঁদাবাজির মহোৎসব’ বলাই শ্রেয়। অভিযোগ উঠেছে, তারেক রহমানের দেশে ফেরার প্রস্তুতির নামে দেশজুড়ে হাজার কোটি টাকার একটি বিশাল চাঁদাবাজির নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। গ্রাম থেকে শহর, ফুটপাত থেকে করপোরেট অফিস—কোথাও রেহাই নেই। রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে এই অরাজকতাকে সাধারণ মানুষ দেখছেন ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাস’ হিসেবে।
তথাকথিত এই সংবর্ধনার ব্যয়ের দোহাই দিয়ে যে চাঁদাবাজি চলছে, তার ব্যাপ্তি আঁতকে ওঠার মতো। গ্রামের জীর্ণ চায়ের দোকান, ভাঙাড়ির ব্যবসা, এমনকি দিনমজুর রিকশাচালকের পকেট থেকেও জোরপূর্বক টাকা আদায় করা হচ্ছে।
যে অটোরিকশাচালক সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে ৫০০ টাকা রোজগার করেন, তাকেও ‘নেতার সংবর্ধনা’র জন্য চাঁদা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। এটি কেবল রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব নয়, বরং দরিদ্র মানুষের ওপর চরম অর্থনৈতিক নিপীড়ন। অন্যদিকে, দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও ঠিকাদারদের অবস্থা আরও সঙ্গীন। তাদের কাছে দাবিকৃত চাঁদার অঙ্ক অকল্পনীয়। টাকা না দিলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া, ঠিকাদারি বাতিল করা বা এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার মতো নগ্ন হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ‘দলীয় সিদ্ধান্ত’-এর তকমা লাগিয়ে এই লুটপাটকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে বর্তমান ব্যবস্থার সমালোচনা করে ‘গণতন্ত্র’ ও ‘ন্যায়বিচার’-এর কথা বলে আসছে। কিন্তু ক্ষমতার বাইরে থাকতেই যদি তাদের দলীয় নেতাকর্মীরা এমন বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে মেতে
ওঠেন, তবে রাষ্ট্রক্ষমতা হাতে পেলে পরিস্থিতি কী হবে—তা ভেবে সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিরোধী দলে থেকে যারা এমন দাপট দেখায়, ক্ষমতায় গেলে তারা রাষ্ট্রীয় সম্পদকে যে ব্যক্তিগত সম্পদে পরিণত করবে, তা আর কোনো আশঙ্কার বিষয় নয়—বরং এটি একটি আসন্ন দুর্যোগের পূর্বাভাস। ইতিহাস সাক্ষী, বিগত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ‘হাওয়া ভবন’ ছিল দুর্নীতির সমার্থক। তারেক রহমানের নাম সেই সময়েও চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির সঙ্গে আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত হয়েছিল। আজকের এই সংবর্ধনা-কেন্দ্রিক চাঁদাবাজি যেন সেই পুরনো ‘হাওয়া ভবন সিন্ডিকেটে’রই নতুন সংস্করণ। নাম বদলেছে, সময় বদলেছে, কিন্তু শোষণের চরিত্র বদলায়নি। তারেক রহমান বর্তমানে দলের ‘সংস্কার’ ও ‘নতুন বিএনপি’র কথা বলছেন। কিন্তু তার নাম ভাঙিয়ে সারা দেশে
যে লুটপাট চলছে, সে বিষয়ে তিনি নীরব কেন? যদি তিনি এসব জেনেও চুপ থাকেন, তবে এই দায় তিনি এড়াতে পারেন না। আর যদি তিনি দাবি করেন যে তিনি কিছুই জানেন না, তবে প্রশ্ন ওঠে—যিনি নিজের দলের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না, তিনি রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন কীভাবে? দেশের মানুষ যখন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবিকার সংকটে জর্জরিত, তখন রাজনৈতিক নেতাদের ছবি টাঙানোর জন্য তাদের পকেট কাটা হচ্ছে। সাধারণ জনগণ স্পষ্টভাবেই বলছে—তারা কোনো সংবর্ধনা চায় না; তারা চায় চাঁদাবাজমুক্ত নিরাপদ জীবন ও কাজের পরিবেশ। সংবর্ধনার নামে এই জোর-জুলুম আসলে জনগণের প্রতি বিএনপির প্রকৃত মনোভাবেরই বহিঃপ্রকাশ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এখনই যদি এই লাগামহীন চাঁদাবাজি বন্ধ না
হয়, তবে সরকার বদলালেও জনগণের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হবে না। কেবল শোষকের মুখ বদলাবে, কিন্তু শোষণের যাঁতাকল চলতেই থাকবে। তারেক রহমানের সংবর্ধনার এই আয়োজন তাই শেষ পর্যন্ত সম্মানের স্মারক না হয়ে, জনগণের কাছে একটি ‘বিভীষিকা’ হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে রইল।
যে অটোরিকশাচালক সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে ৫০০ টাকা রোজগার করেন, তাকেও ‘নেতার সংবর্ধনা’র জন্য চাঁদা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। এটি কেবল রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব নয়, বরং দরিদ্র মানুষের ওপর চরম অর্থনৈতিক নিপীড়ন। অন্যদিকে, দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও ঠিকাদারদের অবস্থা আরও সঙ্গীন। তাদের কাছে দাবিকৃত চাঁদার অঙ্ক অকল্পনীয়। টাকা না দিলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া, ঠিকাদারি বাতিল করা বা এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার মতো নগ্ন হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ‘দলীয় সিদ্ধান্ত’-এর তকমা লাগিয়ে এই লুটপাটকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে বর্তমান ব্যবস্থার সমালোচনা করে ‘গণতন্ত্র’ ও ‘ন্যায়বিচার’-এর কথা বলে আসছে। কিন্তু ক্ষমতার বাইরে থাকতেই যদি তাদের দলীয় নেতাকর্মীরা এমন বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে মেতে
ওঠেন, তবে রাষ্ট্রক্ষমতা হাতে পেলে পরিস্থিতি কী হবে—তা ভেবে সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিরোধী দলে থেকে যারা এমন দাপট দেখায়, ক্ষমতায় গেলে তারা রাষ্ট্রীয় সম্পদকে যে ব্যক্তিগত সম্পদে পরিণত করবে, তা আর কোনো আশঙ্কার বিষয় নয়—বরং এটি একটি আসন্ন দুর্যোগের পূর্বাভাস। ইতিহাস সাক্ষী, বিগত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ‘হাওয়া ভবন’ ছিল দুর্নীতির সমার্থক। তারেক রহমানের নাম সেই সময়েও চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির সঙ্গে আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত হয়েছিল। আজকের এই সংবর্ধনা-কেন্দ্রিক চাঁদাবাজি যেন সেই পুরনো ‘হাওয়া ভবন সিন্ডিকেটে’রই নতুন সংস্করণ। নাম বদলেছে, সময় বদলেছে, কিন্তু শোষণের চরিত্র বদলায়নি। তারেক রহমান বর্তমানে দলের ‘সংস্কার’ ও ‘নতুন বিএনপি’র কথা বলছেন। কিন্তু তার নাম ভাঙিয়ে সারা দেশে
যে লুটপাট চলছে, সে বিষয়ে তিনি নীরব কেন? যদি তিনি এসব জেনেও চুপ থাকেন, তবে এই দায় তিনি এড়াতে পারেন না। আর যদি তিনি দাবি করেন যে তিনি কিছুই জানেন না, তবে প্রশ্ন ওঠে—যিনি নিজের দলের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না, তিনি রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন কীভাবে? দেশের মানুষ যখন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবিকার সংকটে জর্জরিত, তখন রাজনৈতিক নেতাদের ছবি টাঙানোর জন্য তাদের পকেট কাটা হচ্ছে। সাধারণ জনগণ স্পষ্টভাবেই বলছে—তারা কোনো সংবর্ধনা চায় না; তারা চায় চাঁদাবাজমুক্ত নিরাপদ জীবন ও কাজের পরিবেশ। সংবর্ধনার নামে এই জোর-জুলুম আসলে জনগণের প্রতি বিএনপির প্রকৃত মনোভাবেরই বহিঃপ্রকাশ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এখনই যদি এই লাগামহীন চাঁদাবাজি বন্ধ না
হয়, তবে সরকার বদলালেও জনগণের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হবে না। কেবল শোষকের মুখ বদলাবে, কিন্তু শোষণের যাঁতাকল চলতেই থাকবে। তারেক রহমানের সংবর্ধনার এই আয়োজন তাই শেষ পর্যন্ত সম্মানের স্মারক না হয়ে, জনগণের কাছে একটি ‘বিভীষিকা’ হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে রইল।



