ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ করে সংসদে বিল পাশ
২ ডিআইজিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি
তৃতীয় দফায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী রিমান্ডে
বকেয়া বেতনের দাবিতে নাসা গ্রুপের পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের গোপন চুক্তি নেই, তবে কিছু বিষয় এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না
কোটি টাকা আত্মসাত, ঢাবির জুলাইযোদ্ধা ছাত্রদল নেতা অর্ণবকে বহিষ্কার
এক-এগারো সরকারের সঙ্গে ইউনূস সরকারের যোগসূত্র
শেখ হাসিনা সরকারের জ্বালানি চুক্তির সুফল: আজ ভারত থেকে পাইপলাইনে আসছে ডিজেল
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৬ সালে স্বাক্ষরিত ভারতের সাথে ১৫ বছর মেয়াদি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ পেট্রলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে বাংলাদেশে ৫ হাজার টন ডিজেল আসছে।রাজনৈতিক প্রচারণা
মঙ্গলবার এই জ্বালানি তেল পাইপলাইনের মাধ্যমে দেশে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিপিসির বাণিজ্য ও অপারেশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন আজাদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, ভারত থেকে এই ডিজেল পাঠানোর পাম্পিং কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।
শেখ হাসিনা সরকারের আমলে করা এই চুক্তির অধীনেই ড. ইউনূস সরকারের সময় গত বছরের ডিসেম্বরের শুরুতে ২ লাখ টন ডিজেল আনা হয়েছিল। বর্তমান জ্বালানি সংকটে আবারও নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড
থেকে আসছে ডিজেল। জ্বালানি তেলের মজুদ স্বাভাবিক রাখা এবং দেশজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার জরুরিভিত্তিতে এই উদ্যোগ নিয়েছে। বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে এই আমদানির ফলে পরিবহন খরচ ও সময় সাশ্রয় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। শেখ হাসিনার সরকার এবং নরেন্দ্র মোদির সরকারের যৌথ উদ্যোগে স্থাপিত পাইপলাইনটি ২০২৩ সালের মার্চে উদ্বোধন হয়েছে। এর মোট দৈর্ঘ্য ১৩১.৫৭ কিলোমিটার (ভারতে ৫ কি.মি এবং বাংলাদেশে ১২৬.৫৭ কি.মি) এবং ক্ষমতা বার্ষিক ১ মিলিয়ন মেট্রিক টন (এমএমটিপিএ)। পাইপলাইনটি ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে শিলিগুড়ি মার্কেটিং টার্মিনাল হয়ে বাংলাদেশের দিনাজপুরের পরবতীপুর ডিপোতে ডিজেল সরবরাহ করে, যা উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় বিতরণ করা হয়।বিনিয়োগ সুযোগ আগে রেলপথে সরবরাহ হতো, কিন্তু পাইপলাইন
চালু হওয়ায় পরিবহন খরচ কমেছে এবং সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন হয়েছে। ভারতের ৮০ ভাগ অর্থায়নে পাইপলাইনটি নির্মিত হয়েছে। চুক্তির তথ্য বলছে, দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে বার্ষিক আমদানি পরিমাণ ধাপে ধাপে বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে: প্রথম তিন বছর ২.৫ লাখ টন, পরবর্তীতে ৩ লাখ, ৩.৫ লাখ এবং শেষে ৪ লাখ টন। এটি দেশের জ্বালানি চাহিদা (বার্ষিক প্রায় ৭৪ লাখ টন রিফাইন্ড ফুয়েল, যার ৮০ শতাংশ আমদানি) মেটাতে সহায়ক। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাম্প্রতিক যোগাযোগে জরুরি জ্বালানি সহায়তার বিষয়টি উত্থাপন করেছেন। ভারত অতিরিক্ত ডিজেল (প্রায় ৫০ হাজার – ১ লাখ টন) এবং এলএনজি সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এছাড়া ত্রিপুরা থেকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ
বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে, এই পাইপলাইন দিয়ে আগামী ৪ মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টন ডিজেল আনার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। গত রোববার ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অনুরোধ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এছাড়া চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল আমদানির চুক্তিও বিদ্যমান রয়েছে। তবে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের টানাপোড়েনে তা বন্ধ ছিল। এতে মোট ব্যয় হওয়ার কথা প্রায় ১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা।
থেকে আসছে ডিজেল। জ্বালানি তেলের মজুদ স্বাভাবিক রাখা এবং দেশজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার জরুরিভিত্তিতে এই উদ্যোগ নিয়েছে। বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে এই আমদানির ফলে পরিবহন খরচ ও সময় সাশ্রয় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। শেখ হাসিনার সরকার এবং নরেন্দ্র মোদির সরকারের যৌথ উদ্যোগে স্থাপিত পাইপলাইনটি ২০২৩ সালের মার্চে উদ্বোধন হয়েছে। এর মোট দৈর্ঘ্য ১৩১.৫৭ কিলোমিটার (ভারতে ৫ কি.মি এবং বাংলাদেশে ১২৬.৫৭ কি.মি) এবং ক্ষমতা বার্ষিক ১ মিলিয়ন মেট্রিক টন (এমএমটিপিএ)। পাইপলাইনটি ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে শিলিগুড়ি মার্কেটিং টার্মিনাল হয়ে বাংলাদেশের দিনাজপুরের পরবতীপুর ডিপোতে ডিজেল সরবরাহ করে, যা উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় বিতরণ করা হয়।বিনিয়োগ সুযোগ আগে রেলপথে সরবরাহ হতো, কিন্তু পাইপলাইন
চালু হওয়ায় পরিবহন খরচ কমেছে এবং সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন হয়েছে। ভারতের ৮০ ভাগ অর্থায়নে পাইপলাইনটি নির্মিত হয়েছে। চুক্তির তথ্য বলছে, দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে বার্ষিক আমদানি পরিমাণ ধাপে ধাপে বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে: প্রথম তিন বছর ২.৫ লাখ টন, পরবর্তীতে ৩ লাখ, ৩.৫ লাখ এবং শেষে ৪ লাখ টন। এটি দেশের জ্বালানি চাহিদা (বার্ষিক প্রায় ৭৪ লাখ টন রিফাইন্ড ফুয়েল, যার ৮০ শতাংশ আমদানি) মেটাতে সহায়ক। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাম্প্রতিক যোগাযোগে জরুরি জ্বালানি সহায়তার বিষয়টি উত্থাপন করেছেন। ভারত অতিরিক্ত ডিজেল (প্রায় ৫০ হাজার – ১ লাখ টন) এবং এলএনজি সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এছাড়া ত্রিপুরা থেকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ
বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে, এই পাইপলাইন দিয়ে আগামী ৪ মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টন ডিজেল আনার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। গত রোববার ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অনুরোধ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এছাড়া চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল আমদানির চুক্তিও বিদ্যমান রয়েছে। তবে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের টানাপোড়েনে তা বন্ধ ছিল। এতে মোট ব্যয় হওয়ার কথা প্রায় ১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা।



