ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব সন্ত্রাসের মহোৎসবে জুলাই দাঙ্গার ফসল ঘরে তুলছে বাংলাদেশ
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
শুভ বড়দিন উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী
আজ ২৫ ডিসেম্বর খ্রিষ্টান ধর্মের জনগোষ্ঠীর বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন উপলক্ষে আমি খ্রিষ্টান ধর্মের সকল বিশ্বনাগরিক এবং সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।
পৃথিবীতে মহামতি যীশু খ্রিষ্টের আবির্ভাব এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। তিনি ছিলেন মানবজাতির মুক্তির দূত, আলোর দিশারি। পৃথিবীকে শান্তির আবাসভূমিতে পরিণত করতে বহু ত্যাগের বিনিময়ে সৃষ্টিকর্তার মহিমা ও খ্রিষ্টধর্মের সুমহান বাণী প্রচার করেন। তিনি পথভ্রষ্ট মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথে আহ্বান জানান। পৃথিবীকে একটি মানবিক আবাসভূমিতে পরিণত করতে যীশু খ্রিষ্টের অবদান অবিস্মরণীয়।
নিকট অতীতে বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হিসেবে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ছিল। জাতির পিতা একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকল ধর্মের
মানুষের নির্বিঘ্নে বসবাস নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছে। কিন্তু দু:খের সাথে বলতে হয় অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী বর্তমান শাসকগোষ্ঠী সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের নিজস্ব ধর্ম পালনের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছে। বিশেষ করে অমুসলিমদের উপরে অকথ্য নির্যাতন চালাচ্ছে। ধর্মীয় সংখ্যালঘু মানুষকে পুড়িয়ে মারার মতো নৃশংসতার উদাহরণও তৈরি করেছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, বাংলাদেশের মানুষ এই দুঃসময়কে আর দীর্ঘতর হতে দিবে না। আমি আশা করি, বড়দিন বাংলাদেশের খ্রিষ্টান ও অন্যান্য ধর্মের মধ্যকার বিরাজমান সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতিকে আরও সুদৃঢ় করবে। উৎসবমুখর বড়দিনে আমি খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী সকলের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। আঁধার কেটে ভোর হোক
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
মানুষের নির্বিঘ্নে বসবাস নিশ্চিত করেছে। বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছে। কিন্তু দু:খের সাথে বলতে হয় অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী বর্তমান শাসকগোষ্ঠী সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের নিজস্ব ধর্ম পালনের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছে। বিশেষ করে অমুসলিমদের উপরে অকথ্য নির্যাতন চালাচ্ছে। ধর্মীয় সংখ্যালঘু মানুষকে পুড়িয়ে মারার মতো নৃশংসতার উদাহরণও তৈরি করেছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, বাংলাদেশের মানুষ এই দুঃসময়কে আর দীর্ঘতর হতে দিবে না। আমি আশা করি, বড়দিন বাংলাদেশের খ্রিষ্টান ও অন্যান্য ধর্মের মধ্যকার বিরাজমান সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতিকে আরও সুদৃঢ় করবে। উৎসবমুখর বড়দিনে আমি খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী সকলের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। আঁধার কেটে ভোর হোক
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।



