ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয়
পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ও পাঁচ শিক্ষা বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয় ও কর্মদিবস কমানোর পরিকল্পনা
বিদ্যালয় খুলছে পরশু, তীব্র গরম নিয়ে উদ্বেগ
স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা খুলবে কবে?
পরীক্ষার্থী ১৭ লাখ, খাতা পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন ৪ লাখের বেশি
শিক্ষামন্ত্রীর পিএস সোহেলের দখলে শিক্ষা প্রশাসনের তিন গুরুত্বপূর্ণ পদ!
শিক্ষা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো যেন এক ব্যক্তির হাতেই কেন্দ্রীভূত এমন অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহলে। সোহেল নামের এক কর্মকর্তা বর্তমানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল মাধ্যমিক শাখার পরিচালক এবং একই সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালকের (ডিজি) অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। এক ব্যক্তির হাতে এতগুলো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়াকে ‘অস্বাভাবিক’ ও ‘প্রশাসনিক ভারসাম্যহীনতা’ হিসেবে দেখছেন অনেকেই।
প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, মন্ত্রীর পিএস হিসেবে সাধারণত প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদেরই নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু সেই রীতি উপেক্ষা করে শিক্ষা ক্যাডারের একজন কর্মকর্তাকে এ পদে বসানো হয়েছে যা নিয়ে প্রশাসনের ভেতরেই প্রশ্ন উঠেছে।
জানা গেছে, সোহেল
এর আগেও শিক্ষামন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত সচিব (এপিএস) ছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানো হয়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাধ্যমিক শাখার পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন যে পদটি দেশের সরকারি-বেসরকারি স্কুল ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত এবং অত্যন্ত প্রভাবশালী। এর মধ্যেই তাকে আবার মাউশির মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ায় ক্ষোভ আরও বেড়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক ব্যক্তির হাতে এত ক্ষমতা দেওয়া হলে জবাবদিহিতা কমে যায় এবং প্রশাসনে স্বচ্ছতা বাধাগ্রস্ত হয়। অভিযোগ রয়েছে, অতীত দায়িত্ব পালনের সময় তিনি ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ করতেন না এমন কথাও বিভিন্ন মহলে প্রচলিত ছিল। যদিও এসব অভিযোগের কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা প্রমাণ এখনো প্রকাশ পায়নি, তবুও নতুন করে
গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা আরও তীব্র হয়েছে। শিক্ষা খাতের সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে যোগ্য কর্মকর্তার অভাব নেই। সেখানে এক ব্যক্তির ওপর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়াকে তারা ‘অযৌক্তিক’ ও ‘অস্বচ্ছ সিদ্ধান্ত’ হিসেবে দেখছেন। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখনো কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি, যা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন আরও ঘনীভূত হচ্ছে।
এর আগেও শিক্ষামন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত সচিব (এপিএস) ছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানো হয়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তিনি মাধ্যমিক শাখার পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন যে পদটি দেশের সরকারি-বেসরকারি স্কুল ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত এবং অত্যন্ত প্রভাবশালী। এর মধ্যেই তাকে আবার মাউশির মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ায় ক্ষোভ আরও বেড়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক ব্যক্তির হাতে এত ক্ষমতা দেওয়া হলে জবাবদিহিতা কমে যায় এবং প্রশাসনে স্বচ্ছতা বাধাগ্রস্ত হয়। অভিযোগ রয়েছে, অতীত দায়িত্ব পালনের সময় তিনি ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ করতেন না এমন কথাও বিভিন্ন মহলে প্রচলিত ছিল। যদিও এসব অভিযোগের কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা প্রমাণ এখনো প্রকাশ পায়নি, তবুও নতুন করে
গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা আরও তীব্র হয়েছে। শিক্ষা খাতের সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে যোগ্য কর্মকর্তার অভাব নেই। সেখানে এক ব্যক্তির ওপর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়াকে তারা ‘অযৌক্তিক’ ও ‘অস্বচ্ছ সিদ্ধান্ত’ হিসেবে দেখছেন। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখনো কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি, যা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন আরও ঘনীভূত হচ্ছে।



