ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ধ্বংসের দায় কার?
বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচন কোনো স্বচ্ছ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়। এটি অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের সাজানো নাটক। – সজীব ওয়াজেদ জয়
গাইবান্ধায় লঙ্কাকাণ্ড: আসিফ নজরুলকে জুতা প্রদর্শন, ‘ভুয়া’ স্লোগানে পণ্ড সভা
মৃত্যুদণ্ড দিয়েও দমানো যাবে না, জনগণ নৌকাই চায়: কড়া হুঙ্কার শেখ হাসিনার
সীতাকুণ্ডে জঙ্গিদের গুলিতে র্যাব কর্মকর্তা নিহত, ৩ জন অপহৃত: চরম আইনশৃঙ্খলা বিপর্যয়ের শঙ্কা
ক্ষমা চাইবার রাজনীতি বনাম সত্যের রাজনীতি: নওফেলের বক্তব্য কেন বিরোধীদের ঘুম হারাম করেছে
খুলনায় এনসিপির পরিচয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদাবাজি: আটক ৩
শফিক রেহমানের খালাসে ‘আপত্তি নেই’ রাষ্ট্রপক্ষের
শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যাচেষ্টা মামলায় সাত বছরের সাজার বিরুদ্ধে সাংবাদিক শফিক রেহমানের করা আপিল শুনানি শেষ হয়েছে। শুনানিতে এ মামলাকে ‘হয়রানিমূলক’ বর্ণনা করে শফিক রেহমানের খালাস চেয়েছেন তার আইনজীবী। খালাসের আবেদনে ‘আপত্তি নেই’ বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।
এ বিষয়ে রায়ের তারিখ পরে ঠিক করা হবে বলে ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তারিক এজাজের আদালত জানিয়েছেন। রোববার এ আদালতে শফিক রেহমানের পক্ষে সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ শুনানি করেন।
তিনি বলেন, হাসিনাপুত্র জয়কে কথিত অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার মামলা এটি। ভিকটিম নিজে মামলা দায়ের করেনি। পুলিশ অতিরিক্ত ইন্টারেস্টে মামলা দায়ের করে। ৯০ বছর বয়সী লোক। তাকে এ মামলায় রিমান্ডে নেওয়া
হয়। কোনো স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নাই। মামলায় ১২ জন সাক্ষী দিয়েছেন। জয়ও এ মামলায় সাক্ষ্য দিছে। যেদিন জয় এ মামলায় সাক্ষ্য দেয়, দেখলাম সাক্ষ্য শেষে বিচারক তার পিছে পিছে দৌঁড়াচ্ছেন।তাহলে দেখেন কেমন বিচার হয়েছে। এ মামলায় যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমান ছাড়াও আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানসহ আরও চারজনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তারা হলেন-জাতীয়তাবাদী সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সহসভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ মামুন, তার ছেলে রিজভী আহাম্মেদ ওরফে সিজার এবং যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান ভূঁইয়া। তাদের মধ্যে সম্পাদক মাহমুদুর রহমান খালাস পেয়েছেন। এ মামলাকে ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক’ বর্ণনা করে আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ বলেন, ‘তার (শফিক রেহমান) খালাসের প্রার্থনা করছি।’
হয়। কোনো স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নাই। মামলায় ১২ জন সাক্ষী দিয়েছেন। জয়ও এ মামলায় সাক্ষ্য দিছে। যেদিন জয় এ মামলায় সাক্ষ্য দেয়, দেখলাম সাক্ষ্য শেষে বিচারক তার পিছে পিছে দৌঁড়াচ্ছেন।তাহলে দেখেন কেমন বিচার হয়েছে। এ মামলায় যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমান ছাড়াও আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানসহ আরও চারজনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তারা হলেন-জাতীয়তাবাদী সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সহসভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ মামুন, তার ছেলে রিজভী আহাম্মেদ ওরফে সিজার এবং যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান ভূঁইয়া। তাদের মধ্যে সম্পাদক মাহমুদুর রহমান খালাস পেয়েছেন। এ মামলাকে ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক’ বর্ণনা করে আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ বলেন, ‘তার (শফিক রেহমান) খালাসের প্রার্থনা করছি।’



