ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অ্যান্টোনিও সেগুরোর জয়
ইসলামপন্থি বা ইসরাইল কোনোটিই নয়, যুবরাজ সালমান হাঁটছেন ভিন্ন পথে
লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবে শিশুসহ ৫৩ প্রাণহানী
‘প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে আইনি কৌশলে মাঠের বাইরে রাখা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’: মাইকেল রুবিন
ইরানের কাছে পাঁচ অসম্ভব দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
নতুন করে ১৫ প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইউক্রেনে ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে : রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী
লেবাননে ১০ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্টের
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর লেবাননে প্রায় ১০ কোটি ডলারের সামরিক বিমান রক্ষণাবেক্ষণ ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে।
শুক্রবার (১১ জুলাই) পেন্টাগনের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
পেন্টাগন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই প্রস্তাবিত বিক্রয় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তাকে সমর্থন করবে। লেবানন মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার দেশ হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।
এই চুক্তির আওতায় লেবাননের সামরিক বাহিনী যে গত বছরের নভেম্বরে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে দক্ষতা দেখিয়েছে, তা আরও শক্তিশালী হবে। লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে এই বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।
চুক্তিতে যেসব এ-২৯ সুপার তুকানো যুদ্ধবিমান রয়েছে, সেগুলো মূলত কাছাকাছি লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ চালানো এবং গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্য
সংগ্রহ মিশনের কাজে ব্যবহার করা হয়। এ প্রকল্পের প্রধান ঠিকাদার হচ্ছে সেইররা সিয়েরা নেভাদা করপোরেশন (এসএনসি)। এর প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদা রাজ্যের স্পার্কস শহরে অবস্থিত। চুক্তির আওতায় কোনো মার্কিন সরকারি কর্মকর্তা বা ঠিকাদারকে লেবাননে পাঠানোর প্রয়োজন হবে না। এ চুক্তি বাস্তবায়নের ফলে লেবাননের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব আরও বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির ওপর কোনো প্রতিকূল প্রভাব পড়বে না বলেও জানিয়েছে পেন্টাগন।
সংগ্রহ মিশনের কাজে ব্যবহার করা হয়। এ প্রকল্পের প্রধান ঠিকাদার হচ্ছে সেইররা সিয়েরা নেভাদা করপোরেশন (এসএনসি)। এর প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদা রাজ্যের স্পার্কস শহরে অবস্থিত। চুক্তির আওতায় কোনো মার্কিন সরকারি কর্মকর্তা বা ঠিকাদারকে লেবাননে পাঠানোর প্রয়োজন হবে না। এ চুক্তি বাস্তবায়নের ফলে লেবাননের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব আরও বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির ওপর কোনো প্রতিকূল প্রভাব পড়বে না বলেও জানিয়েছে পেন্টাগন।



