রেকর্ডভাঙা ধস শেয়ারবাজারে: দুই দিনে উধাও ১৬ হাজার কোটি টাকা, কারসাজি নিয়ে সন্দেহ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৯ মার্চ, ২০২৬

রেকর্ডভাঙা ধস শেয়ারবাজারে: দুই দিনে উধাও ১৬ হাজার কোটি টাকা, কারসাজি নিয়ে সন্দেহ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৯ মার্চ, ২০২৬ |
ধস নেমেছে দেশের শেয়ারবাজারে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের হটনায় গত সপ্তাহের দর পতনে শেয়ারবাজার সূচক হারিয়েছিল ৩৫৯ পয়েন্ট বা ৬.৪২ শতাংশ। গতকাল রোববার সূচক আরো নিচে নেমেছে। গতকাল আরও প্রায় ২৩২ পয়েন্ট বা ৪.৪২ শতাংশ হারিয়েছে। বর্তমান সময়ে সূচকের পতন হয়েছে ৫৯১ পয়েন্ট বা ১০.৫৬ শতাংশ। এরইমধ্যে সরকারের নীরবতায় উঠেছে কারসাজি নিয়ে প্রশ্ন। এই খাতের সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গতকালের এ দর পতন ২০২০ সালের মার্চে করোনাভাইরাস মহামারি শুরুর পর সর্বোচ্চ। আর ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে ডিএসইএক্স চালুর পর সূচকের এ পতন চতুর্থ সর্বোচ্চ। এদিকে দর পতনের পর অনুষ্ঠিত শেয়ারবাজারবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন সিএমজেএফের সেমিনারে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখলেও শেয়ারবাজারের দর পতন নিয়ে কোনো কথা বলেননি তিনি। একই অনুষ্ঠানে বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ কোন কথা বলেননি। এ নিয়ে বিনিয়োগকারীরা প্রশ্ন তুলেছেন। বিশেষজ্ঞরা জানান সরকার ও সংশ্লিস্টদের নীরবতা সন্দেহ সৃষ্টি করেছে বিএসইসির নেতৃত্বে পরিবর্তন আনতে কেউ উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাজারকে নিম্নমুখী করছে। তবে তা তা খতিয়ে দেখা দরকার। বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করার সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও অনেক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বর্তমানে নিষ্ক্রিয় রয়েছে বলেও মনে করেন তারা। সংশ্লিষ্টরা আরো জানান, শুধু ব্যাংক খাতের ৩১ কোম্পানির দর পতনে সূচক হারিয়েছে ১০৮ পয়েন্ট। এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন বিনিয়োগকারীরা। অন্যদিকে শেয়ারবাজারে ভয়াবহ দরপতন হলেও সরকার বা নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি একেবারে নিশ্চুপ। গতকাল ঢাকার শেয়ারবাজারে

কেনাবেচা হওয়া ৩৫০ কোম্পানির শেয়ারের মধ্যে ৩৩৯টিই দর হারিয়েছে। বাকি ১১ শেয়ারের মধ্যে ১০টির দর বেড়েছে, অপরিবর্তিত থেকেছে একটির দর। তালিকাভুক্ত ৩৭ মিউচুয়াল ফান্ডের একটিরও দর বাড়েনি, কমেছে ২৫টির। শুধু গতকালের দর পতনে ঢাকার শেয়ারবাজারের ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ধারণ করা শেয়ারের মূল্য কমেছে ৬ হাজার ৩৬৯ কোটি টাকা। আর ইরান যুদ্ধের পর এখন পর্যন্ত কমেছে ১৫ হাজার ৮৯২ কোটি টাকা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আল আমীন বলেন, এটা ব্যাখ্যাহীন দর পতন। ইরান যুদ্ধ শুরুর পরদিনের দর পতনকে যুদ্ধের কারণে বলে মনে করেছে অনেকে। তাহলে এর পরের দিন কেন শেয়ারদর বেড়েছিল। তিনি বলেন, সন্দেহ হচ্ছে, ইরান যুদ্ধকে

কেন্দ্র করে পতন শুরু হলেও নেপথ্যে থেকে কেউ এটাকে উস্কে দিচ্ছে কিনা। ড. আল আমীনের সন্দেহ, বিএসইসির নেতৃত্বে পরিবর্তন আনতে কেউ উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাজারকে নিম্নমুখী করছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা দরকার। বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করার সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও অনেক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বর্তমানে নিষ্ক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ তার। বাজারের এই ভয়াবহ অবস্থায় সরকার বা নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির পক্ষ আশ্বস্ত করে বক্তব্য আসা উচিত ছিল বলে মত দেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নেত্রকোণায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে জুলাই স্তম্ভে আগুন, ভিডিও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ বুকে পাঁচটা তারকা আর কারও নেই: ব্রুনো গিমারেস মেসির গোলে প্রস্তুতি সারল আর্জেন্টিনা নোয়াখালীতে শিশুসহ নির্বিচারে গ্রেপ্তার: জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি নোটিশ ‘সৎ লোকের শাসন’ দলের ইসলামী ব্যাংকে আর্থিক এবং পরিচালনায় দুর্নীতি-জালিয়াতির আশ্রয় বৈদেশিক বাণিজ্যে বড় ধস: ১০ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ২২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল থানা পোড়ানো, পুলিশ হত্যাকারী সেই সমন্বয়ক মাহদী এখন মবের ভয়ে থানায় আশ্রয়ের সন্ধানে দলীয় পদ নেই, মামলাও নেই; শুধু আওয়ামী লীগ করার অভিযোগে যশোরে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার সংসদে ইসলামী ব্যাংক দখল সংক্রান্ত আলোচনায় মনক্ষুণ্ন ইআবা নেতা গাজী আতাউর নতুন প্রেমে পড়েছেন প্রভা? হাম উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে যেসব কারণে খালাস পেলেন ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী তামিমা বিশ্বকাপে প্রথম মুখোমুখি হতে পারেন মেসি-রোনালদো সাইবার সুরক্ষা আইনে কন্টেন্ট অপসারণসহ যেসব বড় পরিবর্তন আসছে আ.লীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেফতার কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী বয়স, লিগ ও তারকার হিসাব-নিকাশে বিশ্বকাপের চিত্র যেমন তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল!