ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কুড়িগ্রামে শীতে কাপছে গরিবের প্রাণ এত তীব্র শীতেও কম্বল দিলো না গরিবের রক্তচোষা-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গং
ডেভিল হান্টের নামে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক মব সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে
কারাগার এখন মৃত্যুকূপ! অবৈধ ইউনুস সরকারের শাসনে আওয়ামী লীগ নিধনের নামে পরিকল্পিত হত্যা শুরু হয়েছে!
দেশকে অন্ধকার থেকে বাঁচান’: ২০২৬-এর নতুন বছরে ঐক্যের ডাক শেখ হাসিনার
বিশ্বাসঘাতকতা ও ইতিহাস অস্বীকারই ড. ইউনুসের কৌশল
ইউনূসের শাসনে বন্দী গণমাধ্যম ও জাতির বিবেক
ভারতের কূটনীতিকের সঙ্গে ‘গোপন’ বৈঠক হয় জামায়াত আমিরের !
রাষ্ট্র ঝুঁকিতে, বাংলাদেশকে উগ্রবাদী রাষ্ট্রে ঠেলে দেওয়ার নীলনকশা
স্টার রিপোর্টার ।
বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনীতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আজ কার্যত একটি অভিন্ন রাজনৈতিক অক্ষ হিসেবে কাজ করছে। এটি আর কোনো অনুমান বা রাজনৈতিক বিরোধিতার ভাষা নয়—বরং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক চর্চা, কার্যক্রম ও বাস্তবতার নির্যাস। প্রকাশ্যে পৃথক পরিচয় বজায় রাখলেও আদর্শ, কর্মী কাঠামো ও রাজনৈতিক কৌশলে এই দুই শক্তির পার্থক্য ক্রমেই বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
রাজনৈতিক বাস্তবতা হলো—জামায়াতের অধিকাংশ নেতা-কর্মী ও সমর্থক বিএনপির প্রত্যক্ষ ভোটব্যাংকে পরিণত হয়েছে। একই সঙ্গে বিএনপির ভেতরে দলীয় পদে থাকা উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নেতা বাস্তবে জামায়াতের আদর্শিক রাজনীতির অনুসারী। রাজনৈতিক অঙ্গনে বহুল আলোচিত বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বিএনপির দলীয় কাঠামোর প্রায় অর্ধেক অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জামায়াতপন্থি চিন্তাধারার সঙ্গে
সম্পৃক্ত। ফলে বিএনপি আজ আর কেবল একটি রাজনৈতিক দল নয়; এটি কার্যত জামায়াতের জন্য একটি নিরাপদ রাজনৈতিক আশ্রয়স্থল। মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজনীতি এবং স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার শক্তির পুনর্বাসনের প্রশ্নে বিএনপির ভূমিকা দীর্ঘদিন ধরেই গভীর বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বাস্তবতা হলো—স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির একটি সক্রিয় অংশ বিএনপির রাজনৈতিক প্রশ্রয় ও নিয়ন্ত্রণে সংগঠিত হয়েছে। যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়ার বিরোধিতা, রাজাকারদের রাজনৈতিকভাবে পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার ধারাবাহিক কর্মকাণ্ড এই বাস্তবতাকেই স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। জামায়াতে ইসলামী থেকে বেরিয়ে আসা বা জামায়াতঘেঁষা নতুন রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর বিস্তারও এই বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রকল্পের অংশ। এবি পার্টি, এনসিপি, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, নেজামে ইসলাম পার্টিসহ অন্তত দশটির মতো সংগঠন সরাসরি জামায়াতের নাম ব্যবহার না করলেও
তাদের আদর্শিক ভিত্তি, নেতৃত্ব কাঠামো ও রাজনৈতিক লক্ষ্য মূলত জামায়াতি দর্শনেরই সম্প্রসারিত রূপ। এটি নিছক দল গঠন নয়—এটি একটি পরিকল্পিত নাম পরিবর্তনের রাজনীতি, যার উদ্দেশ্য একই প্রতিক্রিয়াশীল আদর্শকে ভিন্ন ভিন্ন মোড়কে জনগণের সামনে হাজির করা। সবচেয়ে উদ্বেগজনক ও বিপজ্জনক দিক হলো—জামায়াত ও বিএনপির সঙ্গে বিভিন্ন উগ্রবাদী ও জঙ্গি সংগঠনের সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ। রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষণে আইএস, হুজি, তেহরিক-ই-ইসলাম, ব্রাদারহুড, তালেবানপন্থি গোষ্ঠী, হিজবুত তাহরির এবং ইনকিলাব মঞ্চ—এই নামগুলো বারবার উঠে আসে। এই সম্পর্ক প্রত্যক্ষ হোক কিংবা আদর্শিক সহানুভূতির পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকুক—পরিণতি একটাই: বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ে। সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াত-শিবির ও বিএনপির অভ্যন্তরে থাকা জামায়াতপন্থি
শক্তি “তৌহিদী জনতা”, “ছাত্র জনতা” প্রভৃতি ব্যানারে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ঘটনাও কোনো বিচ্ছিন্ন বা স্বতঃস্ফূর্ত ঘটনা নয়। এগুলো মূলত ছদ্মবেশী রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম, যার একমাত্র উদ্দেশ্য—জামায়াতি রাজনীতিকে নতুন নামে পুনরুজ্জীবিত করা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা। এই প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি সুস্পষ্ট ও গভীর আশঙ্কা হলো—যদি দেশে একতরফা বা প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং তার মাধ্যমে বিএনপি–জামায়াত গোষ্ঠী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের সুযোগ পায়, তবে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে উগ্রবাদী ও জঙ্গি শক্তির হাতে চলে যাওয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত প্রকট হয়ে উঠবে। সে ক্ষেত্রে জঙ্গি সংগঠনগুলোর শক্তি বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে, তারা প্রশাসন, রাজনীতি ও সমাজব্যবস্থার ভেতরে প্রভাব বিস্তার করবে এবং বাংলাদেশকে একটি উগ্রবাদী
কিংবা কার্যত জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করার সুপরিকল্পিত চেষ্টা চালাবে—যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সংবিধানসম্মত রাষ্ট্রব্যবস্থার সম্পূর্ণ বিপরীত। অতএব, বিষয়টি এখন আর দলীয় রাজনীতির বিতর্কে সীমাবদ্ধ নয়। এটি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ, গণতন্ত্রের অস্তিত্ব এবং জাতির নিরাপত্তার প্রশ্ন। এই বাস্তবতাকে অস্বীকার করা মানে ইতিহাসকে অস্বীকার করা, আর নীরব থাকা মানে রাষ্ট্রবিরোধী ও উগ্রবাদী রাজনীতিকে নীরব সম্মতি দেওয়া।
সম্পৃক্ত। ফলে বিএনপি আজ আর কেবল একটি রাজনৈতিক দল নয়; এটি কার্যত জামায়াতের জন্য একটি নিরাপদ রাজনৈতিক আশ্রয়স্থল। মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজনীতি এবং স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকার শক্তির পুনর্বাসনের প্রশ্নে বিএনপির ভূমিকা দীর্ঘদিন ধরেই গভীর বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বাস্তবতা হলো—স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির একটি সক্রিয় অংশ বিএনপির রাজনৈতিক প্রশ্রয় ও নিয়ন্ত্রণে সংগঠিত হয়েছে। যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়ার বিরোধিতা, রাজাকারদের রাজনৈতিকভাবে পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার ধারাবাহিক কর্মকাণ্ড এই বাস্তবতাকেই স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। জামায়াতে ইসলামী থেকে বেরিয়ে আসা বা জামায়াতঘেঁষা নতুন রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর বিস্তারও এই বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রকল্পের অংশ। এবি পার্টি, এনসিপি, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, নেজামে ইসলাম পার্টিসহ অন্তত দশটির মতো সংগঠন সরাসরি জামায়াতের নাম ব্যবহার না করলেও
তাদের আদর্শিক ভিত্তি, নেতৃত্ব কাঠামো ও রাজনৈতিক লক্ষ্য মূলত জামায়াতি দর্শনেরই সম্প্রসারিত রূপ। এটি নিছক দল গঠন নয়—এটি একটি পরিকল্পিত নাম পরিবর্তনের রাজনীতি, যার উদ্দেশ্য একই প্রতিক্রিয়াশীল আদর্শকে ভিন্ন ভিন্ন মোড়কে জনগণের সামনে হাজির করা। সবচেয়ে উদ্বেগজনক ও বিপজ্জনক দিক হলো—জামায়াত ও বিএনপির সঙ্গে বিভিন্ন উগ্রবাদী ও জঙ্গি সংগঠনের সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ। রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষণে আইএস, হুজি, তেহরিক-ই-ইসলাম, ব্রাদারহুড, তালেবানপন্থি গোষ্ঠী, হিজবুত তাহরির এবং ইনকিলাব মঞ্চ—এই নামগুলো বারবার উঠে আসে। এই সম্পর্ক প্রত্যক্ষ হোক কিংবা আদর্শিক সহানুভূতির পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকুক—পরিণতি একটাই: বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ে। সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াত-শিবির ও বিএনপির অভ্যন্তরে থাকা জামায়াতপন্থি
শক্তি “তৌহিদী জনতা”, “ছাত্র জনতা” প্রভৃতি ব্যানারে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ঘটনাও কোনো বিচ্ছিন্ন বা স্বতঃস্ফূর্ত ঘটনা নয়। এগুলো মূলত ছদ্মবেশী রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম, যার একমাত্র উদ্দেশ্য—জামায়াতি রাজনীতিকে নতুন নামে পুনরুজ্জীবিত করা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা। এই প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি সুস্পষ্ট ও গভীর আশঙ্কা হলো—যদি দেশে একতরফা বা প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং তার মাধ্যমে বিএনপি–জামায়াত গোষ্ঠী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের সুযোগ পায়, তবে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে উগ্রবাদী ও জঙ্গি শক্তির হাতে চলে যাওয়ার ঝুঁকি অত্যন্ত প্রকট হয়ে উঠবে। সে ক্ষেত্রে জঙ্গি সংগঠনগুলোর শক্তি বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে, তারা প্রশাসন, রাজনীতি ও সমাজব্যবস্থার ভেতরে প্রভাব বিস্তার করবে এবং বাংলাদেশকে একটি উগ্রবাদী
কিংবা কার্যত জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করার সুপরিকল্পিত চেষ্টা চালাবে—যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সংবিধানসম্মত রাষ্ট্রব্যবস্থার সম্পূর্ণ বিপরীত। অতএব, বিষয়টি এখন আর দলীয় রাজনীতির বিতর্কে সীমাবদ্ধ নয়। এটি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ, গণতন্ত্রের অস্তিত্ব এবং জাতির নিরাপত্তার প্রশ্ন। এই বাস্তবতাকে অস্বীকার করা মানে ইতিহাসকে অস্বীকার করা, আর নীরব থাকা মানে রাষ্ট্রবিরোধী ও উগ্রবাদী রাজনীতিকে নীরব সম্মতি দেওয়া।



