ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারের তড়িঘড়ি এলএনজি আমদানি: উচ্চমূল্যে ক্রয়ে সরকারি কোষাগারের বিপুল অর্থ অপচয়
৪০ বছর পর সংসদের শীর্ষ পদে নারীশূন্যতা: এরশাদের পথে হাঁটলেন তারেক
পিআইবি সেমিনার দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে ফারুক ওয়াসিফের মিথ্যাচারঃ উঠে এলো আরও দুর্নীতিকান্ড!
মানবাধিকার লঙ্ঘনের সকল দায় থেকে জুলাইযোদ্ধাদের মুক্তি দিয়ে জাতীয়ভাবে সম্মতি চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া পাকি মন্ত্রীদের ২ মাস বেতন বন্ধ, অফিস চলবে ৪ দিন
মোজাম্মেল ‘প্রোস্টেট ক্যান্সার’, শ্যামল ‘স্লিপ অ্যাপনিয়া’, চলাফেরায় ‘অক্ষম’ বয়োবৃদ্ধ শাহরিয়ার: সাংবাদিকরা তাও মুক্তি পাবেন না?
‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদযাত্রা’ থেকে আটক ঢাবি অধ্যাপক জামালকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ
রাশিয়ান তেল কিনতে অর্থমন্ত্রীর মার্কিন অনুমতি প্রার্থনাঃ রাশিয়ান তেল শোধনে অসম্ভবতা সত্ত্বেও কেন এই পদক্ষেপ?
বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সম্প্রতি মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সাথে সাক্ষাৎ করে রাশিয়ান ক্রুড অয়েল কেনার জন্য অস্থায়ী মার্কিন ছাড়পত্র (waiver) চেয়েছেন। এই অনুরোধ ভারতের মতো ছাড়পত্রের উদাহরণ দিয়ে করা হয়েছে, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে।বিনিয়োগ সুযোগ
কিন্তু এই পদক্ষেপের কারনে প্রশ্ন উঠছে, যখন রাশিয়ান ক্রুড অয়েল বাংলাদেশের একমাত্র রিফাইনারি ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ERL)-এ শোধন করা প্রযুক্তিগতভাবে সম্ভব নয় বলে পূর্বে প্রমাণিত হয়েছে, তাহলে এই অনুমতি চাওয়া কি সরকারি অজ্ঞতার লক্ষণ, নাকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি নতুন তোষণ নীতির অংশ?
অর্থমন্ত্রী খসরু জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের মধ্যে এই ছাড়পত্র প্রয়োজন। তিনি বলেন, “ভারতের মতো
আমরাও রাশিয়ান অয়েল কেনার ছাড় চাইছি। এ বিষয়টি ওয়াশিংটনে পাঠানো হয়েছে, এখন দেখা যাক কী হয়।” এই সাক্ষাৎ গত ১১ মার্চ শের-ই-বাংলা নগরে পরিকল্পনামন্ত্রীর কার্যালয়ে হয়েছে। ড ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের করে যাওয়া “মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি”র বাধ্যবাধকতায় এভাবে প্রতিটি কেনাকাটায় ও বাজার অনুসন্ধানে মার্কিন অনুমতি প্রার্থনা কি বাংলাদেশকে মার্কিন অঙ্গরাজ্য পরিণত করে কি না, এই নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কারো কোন অনুমতি ছাড়াই রাশিয়ান ওয়েল কেনার চেষ্টা ২০২২ সালেও হয়েছিল, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়া বাংলাদেশকে ছাড়কৃত মূল্যে ক্রুড অয়েল অফার করেছিল। তখন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (BPC) এবং ERL-এর কর্মকর্তারা স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে রাশিয়ান ক্রুড অয়েলের ভারী ঘনত্ব এবং উচ্চ সালফার কনটেন্টের কারণে এটি ERL-এর
পুরনো অবকাঠামোতে শোধন করা সম্ভব নয়। ল্যাবরেটরি টেস্ট এবং টেকনিক্যাল কমিটির রিপোর্টে দেখা গিয়েছে যে এতে রিফাইনারির ক্ষতি হতে পারে এবং উৎপাদিত জ্বালানি BSTI স্ট্যান্ডার্ড মানবে না, যা পরিবেশ দূষণ বাড়াতে পারে। ফলে সেই অফার প্রত্যাখ্যান করা হয়। বর্তমানে ERL-এর সম্প্রসারণ প্রকল্প (ERL-2) চলছে, যা শেষ হলে বিভিন্ন ধরনের ক্রুড প্রসেস করার ক্ষমতা বাড়বে। কিন্তু বর্তমান অবস্থায় রাশিয়ান ক্রুডের শোধন এখনও চ্যালেঞ্জিং। এমন পরিস্থিতিতে অর্থমন্ত্রীর এই পদক্ষেপ বিশ্লেষকদের মধ্যে বিতর্ক তৈরি করেছে। কেউ কেউ বলছেন, এটি হতে পারে প্রযুক্তিগত বিষয়ে সরকারি স্তরে অজ্ঞতা বা অসচেতনতা। অন্যরা মনে করেন, এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক জোরদার করার নতুন কৌশলের অংশ, যা ‘তোষণ নীতি’
হিসেবে দেখা যেতে পারে—বিশেষ করে যখন ভারতও রাশিয়ান অয়েল কিনে বিশ্ববাজার স্থিতিশীল করতে সাহায্য করেছে, কিন্তু তারা মার্কিন ছাড়পত্রের উদাহরণ দিয়ে।ইউনূস জীবনী জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিকল্প উৎস খোঁজা জরুরি, কিন্তু প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা উপেক্ষা করে পদক্ষেপ নিলে তা অর্থনৈতিক ঝুঁকি বাড়াতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকে এখনও এই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর আসেনি। এই ঘটনা দেশের জ্বালানি নীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভবিষ্যত দিকনির্দেশনা নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু করেছে।
আমরাও রাশিয়ান অয়েল কেনার ছাড় চাইছি। এ বিষয়টি ওয়াশিংটনে পাঠানো হয়েছে, এখন দেখা যাক কী হয়।” এই সাক্ষাৎ গত ১১ মার্চ শের-ই-বাংলা নগরে পরিকল্পনামন্ত্রীর কার্যালয়ে হয়েছে। ড ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের করে যাওয়া “মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি”র বাধ্যবাধকতায় এভাবে প্রতিটি কেনাকাটায় ও বাজার অনুসন্ধানে মার্কিন অনুমতি প্রার্থনা কি বাংলাদেশকে মার্কিন অঙ্গরাজ্য পরিণত করে কি না, এই নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কারো কোন অনুমতি ছাড়াই রাশিয়ান ওয়েল কেনার চেষ্টা ২০২২ সালেও হয়েছিল, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়া বাংলাদেশকে ছাড়কৃত মূল্যে ক্রুড অয়েল অফার করেছিল। তখন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (BPC) এবং ERL-এর কর্মকর্তারা স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে রাশিয়ান ক্রুড অয়েলের ভারী ঘনত্ব এবং উচ্চ সালফার কনটেন্টের কারণে এটি ERL-এর
পুরনো অবকাঠামোতে শোধন করা সম্ভব নয়। ল্যাবরেটরি টেস্ট এবং টেকনিক্যাল কমিটির রিপোর্টে দেখা গিয়েছে যে এতে রিফাইনারির ক্ষতি হতে পারে এবং উৎপাদিত জ্বালানি BSTI স্ট্যান্ডার্ড মানবে না, যা পরিবেশ দূষণ বাড়াতে পারে। ফলে সেই অফার প্রত্যাখ্যান করা হয়। বর্তমানে ERL-এর সম্প্রসারণ প্রকল্প (ERL-2) চলছে, যা শেষ হলে বিভিন্ন ধরনের ক্রুড প্রসেস করার ক্ষমতা বাড়বে। কিন্তু বর্তমান অবস্থায় রাশিয়ান ক্রুডের শোধন এখনও চ্যালেঞ্জিং। এমন পরিস্থিতিতে অর্থমন্ত্রীর এই পদক্ষেপ বিশ্লেষকদের মধ্যে বিতর্ক তৈরি করেছে। কেউ কেউ বলছেন, এটি হতে পারে প্রযুক্তিগত বিষয়ে সরকারি স্তরে অজ্ঞতা বা অসচেতনতা। অন্যরা মনে করেন, এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক জোরদার করার নতুন কৌশলের অংশ, যা ‘তোষণ নীতি’
হিসেবে দেখা যেতে পারে—বিশেষ করে যখন ভারতও রাশিয়ান অয়েল কিনে বিশ্ববাজার স্থিতিশীল করতে সাহায্য করেছে, কিন্তু তারা মার্কিন ছাড়পত্রের উদাহরণ দিয়ে।ইউনূস জীবনী জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিকল্প উৎস খোঁজা জরুরি, কিন্তু প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা উপেক্ষা করে পদক্ষেপ নিলে তা অর্থনৈতিক ঝুঁকি বাড়াতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকে এখনও এই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর আসেনি। এই ঘটনা দেশের জ্বালানি নীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভবিষ্যত দিকনির্দেশনা নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু করেছে।



