ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব সন্ত্রাসের মহোৎসবে জুলাই দাঙ্গার ফসল ঘরে তুলছে বাংলাদেশ
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
রাজনৈতিক ও ধর্মভিত্তিক সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগঃ বাংলাদেশে গুরুতর মানবিক সংকটের শঙ্কা মার্কিন থিংকট্যাংক সিএফআর-এর
যুক্তরাষ্ট্রের থিংকট্যাংক কাউন্সিল অন ফরেইন রিলেশনসের (সিএফআর) তাদের বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে বলেছে, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও ধর্মভিত্তিক সহিংসতা বেড়েছে। দেশে চলমান রাজনৈতিক ও ধর্মভিত্তিক সহিংসতার ঘটনাকে বড় কারণ হিসেবে দেখিয়েছে সংস্থাটি। তারা সাম্প্রতিক বিশ্লেষণী প্রতিবেদন বলছে, ২০২৬ সালে বাংলাদেশে সংঘাতের ঘটনা ঘটবে। তবে এই শঙ্কা ‘মাঝারি’। যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা করে সিএফআর এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশে ভয়াবহ সংঘাতের শঙ্কার বিবরণে বলা হয়েছে, ‘এই সংঘাতের কারণে বাংলাদেশে গুরুতর বা বৃহৎ মানবিক সংকট তৈরি হতে পারে।’ সংঘাতের শঙ্কার পেছনে কারণ হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক ও ধর্মভিত্তিক সংঘাত। ক্রমেই দুর্বল হতে থাকা
দেশের শাসনব্যবস্থা এবং জাতীয় নির্বাচন বিলম্বিত করার কারণে বাংলাদেশে অস্থিরতা আরো জটিল আকার ধারণ করতে পারে বলে জানানো হয় ওই প্রতিবেদনে। সম্প্রতি ‘প্রিভেন্টিভ প্রায়োরিটিজ সার্ভে ২০২৬’ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ হিসেবে বিশ্বজুড়ে সম্ভাব্য সব সংঘাতকে দুটি বিবেচনার ভিত্তিতে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। বিবেচনার ভিত্তি দুটি হলো এক. যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের ওপর এই সম্ভাব্য সংঘাতের প্রভাব, ও দুই. সংঘাতের সম্ভাবনা। শ্রেণি বা ক্যাটাগরি তিনটি হলো টায়ার ওয়ান, টায়ার টু ও টায়ার থ্রি। প্রতিবেদনে বাংলাদেশে সংঘাতের শঙ্কাকে তারা ‘টায়ার থ্রি’ ক্যাটাগরিতে ফেলেছে। প্রতিবেদনে যে ‘রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট ম্যাট্রিক্স’ ব্যবহার করেছে সিএফআর, সেখানে দেখা যাচ্ছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে প্রভাব মাঝারি কিন্তু সম্ভাবনা কম’, ‘যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে
প্রভাব কম কিন্তু সম্ভাবনা মাঝারি’ ও ‘যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে প্রভাব কম, সম্ভাবনাও কম’ এই তিন ধরনের সংঘাতকেই টায়ার থ্রিতে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশে সংঘাতের শঙ্কার ব্যাপারে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে এই সংঘাতের প্রভাব কম, কিন্তু সম্ভাবনা মাঝারি।
দেশের শাসনব্যবস্থা এবং জাতীয় নির্বাচন বিলম্বিত করার কারণে বাংলাদেশে অস্থিরতা আরো জটিল আকার ধারণ করতে পারে বলে জানানো হয় ওই প্রতিবেদনে। সম্প্রতি ‘প্রিভেন্টিভ প্রায়োরিটিজ সার্ভে ২০২৬’ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ হিসেবে বিশ্বজুড়ে সম্ভাব্য সব সংঘাতকে দুটি বিবেচনার ভিত্তিতে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। বিবেচনার ভিত্তি দুটি হলো এক. যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের ওপর এই সম্ভাব্য সংঘাতের প্রভাব, ও দুই. সংঘাতের সম্ভাবনা। শ্রেণি বা ক্যাটাগরি তিনটি হলো টায়ার ওয়ান, টায়ার টু ও টায়ার থ্রি। প্রতিবেদনে বাংলাদেশে সংঘাতের শঙ্কাকে তারা ‘টায়ার থ্রি’ ক্যাটাগরিতে ফেলেছে। প্রতিবেদনে যে ‘রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট ম্যাট্রিক্স’ ব্যবহার করেছে সিএফআর, সেখানে দেখা যাচ্ছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে প্রভাব মাঝারি কিন্তু সম্ভাবনা কম’, ‘যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে
প্রভাব কম কিন্তু সম্ভাবনা মাঝারি’ ও ‘যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে প্রভাব কম, সম্ভাবনাও কম’ এই তিন ধরনের সংঘাতকেই টায়ার থ্রিতে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশে সংঘাতের শঙ্কার ব্যাপারে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে এই সংঘাতের প্রভাব কম, কিন্তু সম্ভাবনা মাঝারি।



