ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বই ছাড়াই ‘লেখক’ তুষার: লেখালেখি থেকে আয় দেখালেন ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা
ইউনুস সরকারের অধীনে সংখ্যালঘু হওয়া মানেই মৃত্যুর অপেক্ষা।
গুম কমিশনে সাক্ষ্যদাতা জঙ্গিরাই আবার বোমা বানাচ্ছে, যাদের সাক্ষ্যে জঙ্গিবিরোধী পুলিশ কর্মকর্তারা গ্রেপ্তার
বাঙালী নারীদের উপর পাক হানাদারদের বর্বরতার ইতিহাস ও পরবর্তীতে হানাদারদের ক্যাম্প উড়িয়ে দেবার বিরত্ব গাঁথা শোনালেন একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা শিশু মিয়া
যে দুইদিনই বাঁচি দেশটাত যেনো শান্তিতে থাকতে পারি” – বীর মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজা বেগম —
রাজনীতির বাঁকবদল: শেখ হাসিনার মানবিকতা বনাম ঐতিহাসিক তিক্ততা—একটি বিশ্লেষণধর্মী পর্যালোচনা
ইউনুস সরকারের অধীনে সংখ্যালঘু হওয়া মানেই মৃত্যুর অপেক্ষা।
রাজধানীর বসুন্ধরায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:
রাজধানীর ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় গাড়ির সাথে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহত ওই যুবকের নাম নাঈম কিবরিয়া। তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
নিহত নাঈম পাবনা জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেত্রী আইরিন কিবরিয়া কেকার ছেলে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট সরকারের পটপরিবর্তনের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নাঈম কিবরিয়া ও তার মা আইরিন কিবরিয়াসহ পুরো পরিবার পাবনা ছেড়ে ঢাকায় আত্মগোপনে বা বসবাস করতে শুরু করেন।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে নিহতের ঘনিষ্ঠরা জানান, বুধবার (গতকাল) দিবাগত রাতে নাঈম নিজের প্রাইভেটকার চালিয়ে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তার গাড়ির ধাক্কা লাগে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোটরসাইকেল আরোহীরা তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে বেধড়ক মারধর করে। একপর্যায়ে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যায় হামলাকারীরা। পরে খবর পেয়ে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে নিহতের স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দাবি, এটি কোনো সাধারণ সড়ক দুর্ঘটনা বা তর্কের জেরে মৃত্যু নয়, বরং এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। অভিযোগ উঠেছে, দুর্ঘটনার অজুহাত দেখিয়ে তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যেই মারধর করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে নিয়ে
যাওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে বলেও দাবি করেছেন অনেকে। এ ঘটনায় ভাটারা থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তার গাড়ির ধাক্কা লাগে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোটরসাইকেল আরোহীরা তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে বেধড়ক মারধর করে। একপর্যায়ে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যায় হামলাকারীরা। পরে খবর পেয়ে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে নিহতের স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দাবি, এটি কোনো সাধারণ সড়ক দুর্ঘটনা বা তর্কের জেরে মৃত্যু নয়, বরং এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। অভিযোগ উঠেছে, দুর্ঘটনার অজুহাত দেখিয়ে তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যেই মারধর করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে তাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে নিয়ে
যাওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে বলেও দাবি করেছেন অনেকে। এ ঘটনায় ভাটারা থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।



