ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কক্সবাজারে শিশু মৃত্যুর মিছিল, কিন্তু ঢাকায় কি সেটা টের পাচ্ছে কেউ?
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এ পর্যন্ত শাহজালালে বাতিল ৯৭২ ফ্লাইট
বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি কৃষক আহত, পাল্টা ধরে আনা হলো ভারতীয় কৃষককে, সীমান্তে উত্তেজনা
চন্দনাইশে অলির বিরুদ্ধে ঝাড়ুমিছিল: তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ
গণভোট না মানলে মোনাফেক হয়ে যাবে, জামায়াত নেতা শিশির মনিরের নয়া ‘ফতোয়া’
থানায় ঢুকে ৯ পুলিশ সদস্যকে প্রহার, প্রধান আসামিসহ জামায়াতের আরও দুই নেতা গ্রেপ্তার
বাজারে সামুদ্রিক মাছের সংকট, জ্বালানির অভাবে সমুদ্রে যেতে পারছে না মাছ ধরার ট্রলার
রাজধানীতে একই বাসা থেকে সন্তানসহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের পল্লবীর ওয়াপদা বিহারি ক্যাম্প এলাকার একটি বাসা থেকে দুই সন্তানসহ এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান।
তিনি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
নিহতরা হলেন- মোহাম্মদ মাসুম, তার স্ত্রী ফাতেমা আক্তার সুমি, সাড়ে ৩ বছর বয়সী ছেলে মিনহাজ ও দেড় বছর বয়সী ছোট ছেলে আসাদ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের (পল্লবী) বি-ব্লকের ৩ নম্বর
ওয়াপদা ভবন বিহারি ক্যাম্পে তাদের লাশ পাওয়া যায়। সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে কোনো এক সময় তাদের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা বলছেন, নিহত পরিবার টিনশেড বাসা নিয়ে ভাড়া থাকতেন। স্বামী রিকশা চালাতেন এবং স্ত্রী বিভিন্ন বাসায় কাজ করো জীবিকা নির্বাহ করতেন। এ পরিবার বিভিন্ন সমিতিতে ঋণ নিয়েছিল। যার ফলে তারা ঋণগ্রস্ত ছিল। প্রতিদিন কেউ না কেউ ঋণের জন্য বাসায় আসত। হয়তো কোনো উপায় না পেয়ে পরিবারের শিশুদের নিয়ে স্বামী-স্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন।
ওয়াপদা ভবন বিহারি ক্যাম্পে তাদের লাশ পাওয়া যায়। সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে কোনো এক সময় তাদের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা বলছেন, নিহত পরিবার টিনশেড বাসা নিয়ে ভাড়া থাকতেন। স্বামী রিকশা চালাতেন এবং স্ত্রী বিভিন্ন বাসায় কাজ করো জীবিকা নির্বাহ করতেন। এ পরিবার বিভিন্ন সমিতিতে ঋণ নিয়েছিল। যার ফলে তারা ঋণগ্রস্ত ছিল। প্রতিদিন কেউ না কেউ ঋণের জন্য বাসায় আসত। হয়তো কোনো উপায় না পেয়ে পরিবারের শিশুদের নিয়ে স্বামী-স্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন।



