ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব সন্ত্রাসের মহোৎসবে জুলাই দাঙ্গার ফসল ঘরে তুলছে বাংলাদেশ
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
রাঙ্গুনিয়ায় সংখ্যালঘুদের বসতঘরে বাইরে থেকে দরজা আটকে আগুন: ঘটনাস্থল থেকে ব্যানার উদ্ধার
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় গভীর রাতে সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারের বসতঘরের দরজা বাইরে থেকে আটকে পেট্রোল বা অকটেন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় একটি বসতঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গেছে, তবে স্থানীয়দের তৎপরতায় অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন ঘুমন্ত বাসিন্দারা। ঘটনাস্থল থেকে দুর্বৃত্তদের টাঙানো একটি রহস্যজনক ব্যানারও উদ্ধার করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল দিবাগত রাত আনুমানিক ৩:০০টার দিকে রাঙ্গুনিয়া থানাধীন দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়নের পশ্চিম নিশ্চিন্তাপুর (ঘাগড়াকুল) এলাকার পশ্চিম পালপাড়ার বোয়ার বাড়িতে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত ৩টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত পালপাড়ার কয়েকটি বসতবাড়িতে অকটেন বা কেরোসিন জাতীয় দাহ্য পদার্থ ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুন লাগানোর আগে দুর্বৃত্তরা প্রতিটি ঘরের দরজা বাইরে
থেকে শিকল বা রশি দিয়ে আটকে দেয়, যাতে কেউ ঘর থেকে বের হতে না পারে। আগুনের লেলিহান শিখা দেখে এবং ধোঁয়ার গন্ধে স্থানীয়রা চিৎকার শুরু করলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এ সময় গ্রামবাসী দ্রুত এগিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। তাদের তাৎক্ষণিক প্রচেষ্টায় কয়েকটি ঘর রক্ষা পেলেও একটি ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অন্য কয়েকটি ঘরে আগুন ধরাতে ব্যর্থ হয় দুর্বৃত্তরা। ঘটনাস্থলে দুর্বৃত্তরা একটি ব্যানার টাঙিয়ে রেখে যায়। ব্যানারে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীসহ স্থানীয় বেশ কয়েকজনের নাম ও মোবাইল নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে বা কাউকে ফাঁসাতে এই ব্যানারটি ব্যবহার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী জানান, এটি
কোনো সাধারণ দুর্ঘটনা নয় বরং সংখ্যালঘুদের টার্গেট করে পরিকল্পিত নাশকতা। ঘটনার আগের দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে গ্রামে কয়েকজন চোর হানা দিলে গ্রামবাসী তাদের ধাওয়া করে তাড়িয়ে দেয়। এরপর রাত ১২টার দিকেও এলাকায় অপরিচিত কিছু মানুষের সন্দেহজনক আনাগোনা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। এরপরই রাত ৩টায় এই অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “আমাদের ঘরের দরজা বাইরে থেকে আটকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।” এ ঘটনায় ওই এলাকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
থেকে শিকল বা রশি দিয়ে আটকে দেয়, যাতে কেউ ঘর থেকে বের হতে না পারে। আগুনের লেলিহান শিখা দেখে এবং ধোঁয়ার গন্ধে স্থানীয়রা চিৎকার শুরু করলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এ সময় গ্রামবাসী দ্রুত এগিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। তাদের তাৎক্ষণিক প্রচেষ্টায় কয়েকটি ঘর রক্ষা পেলেও একটি ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অন্য কয়েকটি ঘরে আগুন ধরাতে ব্যর্থ হয় দুর্বৃত্তরা। ঘটনাস্থলে দুর্বৃত্তরা একটি ব্যানার টাঙিয়ে রেখে যায়। ব্যানারে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীসহ স্থানীয় বেশ কয়েকজনের নাম ও মোবাইল নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে বা কাউকে ফাঁসাতে এই ব্যানারটি ব্যবহার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী জানান, এটি
কোনো সাধারণ দুর্ঘটনা নয় বরং সংখ্যালঘুদের টার্গেট করে পরিকল্পিত নাশকতা। ঘটনার আগের দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে গ্রামে কয়েকজন চোর হানা দিলে গ্রামবাসী তাদের ধাওয়া করে তাড়িয়ে দেয়। এরপর রাত ১২টার দিকেও এলাকায় অপরিচিত কিছু মানুষের সন্দেহজনক আনাগোনা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। এরপরই রাত ৩টায় এই অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “আমাদের ঘরের দরজা বাইরে থেকে আটকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।” এ ঘটনায় ওই এলাকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।



