ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাজধানীতে আজ কোথায় কী
মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ
কেরানীগঞ্জ কারাগারে ‘মানবেতর’ জীবন: ১৮০০ বন্দিকে ২৪ ঘণ্টা লকআপ ও খাবার বঞ্চনার অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতার
প্রলয় চাকী —৯০-এর দশকের জনপ্রিয় গায়ক ও সংগীত পরিচালক।
আগুনে পোড়া বাড়ি, রক্তে ভেজা মাটি : বিএনপি-জামায়াতের নির্বাচনী উপহার
টেকনাফে মাইন বিস্ফোরণে যুবক আহত, সড়ক অবরোধ
জামায়াত নেতার ‘সুপারিশে’ গ্রেপ্তার আ.লীগ নেতার স্ত্রী! থানায় কথা বলতে গিয়েই হাতে হাতকড়া
রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে তদন্ত অব্যাহত হাজারীবাগে এনসিপি নেত্রী জান্নাত আরা রুমির মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর হাজারীবাগে এনসিপির নারী নেত্রী জান্নাত আরা রুমি (৩২)-এর রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার জিগাতলার একটি নারী হোস্টেল থেকে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।
একই সঙ্গে রুমির ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের কললিস্ট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আদান–প্রদান করা বার্তা এবং অন্যান্য ডিজিটাল আলামত খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এসব তথ্য বিশ্লেষণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব
নয় বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এনসিপির আরেক নেতা হান্নান মাসুদকে ঘিরে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। কিছু পোস্ট ও অনলাইন আলোচনায় তাঁদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা প্রেমের ইঙ্গিত দেওয়া হলেও এ বিষয়ে কোনো তথ্য এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা, এফআইআর বা অভিযোগপত্রে হান্নান মাসুদের নাম উল্লেখ করা হয়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব দাবি ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলোর কোনোটিই এখনো প্রমাণিত নয়। তদন্ত চলছে। প্রমাণ ছাড়া কাউকে দায়ী করা যাবে না।” বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ব্যক্তিগত জীবন কিংবা মৃত্যুর মতো সংবেদনশীল বিষয়ে তদন্ত শেষ হওয়ার
আগেই গুজব ছড়ানো দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ। প্রকৃত সত্য উদঘাটনে তদন্ত প্রতিবেদন ও আইনগত প্রক্রিয়াই একমাত্র নির্ভরযোগ্য ভিত্তি। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ হলে প্রয়োজন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নয় বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এনসিপির আরেক নেতা হান্নান মাসুদকে ঘিরে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। কিছু পোস্ট ও অনলাইন আলোচনায় তাঁদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা প্রেমের ইঙ্গিত দেওয়া হলেও এ বিষয়ে কোনো তথ্য এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা, এফআইআর বা অভিযোগপত্রে হান্নান মাসুদের নাম উল্লেখ করা হয়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব দাবি ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলোর কোনোটিই এখনো প্রমাণিত নয়। তদন্ত চলছে। প্রমাণ ছাড়া কাউকে দায়ী করা যাবে না।” বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ব্যক্তিগত জীবন কিংবা মৃত্যুর মতো সংবেদনশীল বিষয়ে তদন্ত শেষ হওয়ার
আগেই গুজব ছড়ানো দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ। প্রকৃত সত্য উদঘাটনে তদন্ত প্রতিবেদন ও আইনগত প্রক্রিয়াই একমাত্র নির্ভরযোগ্য ভিত্তি। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ হলে প্রয়োজন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



