রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে নির্বাচন? সরকারের নিষ্ক্রিয়তায় দেশে প্রতিদিন গড়ে ১১ খুন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
     ৬:২০ পূর্বাহ্ণ

রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে নির্বাচন? সরকারের নিষ্ক্রিয়তায় দেশে প্রতিদিন গড়ে ১১ খুন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৬:২০ 52 ভিউ
দেশজুড়ে সহিংসতা এখন আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি এক ধরনের দৈনন্দিন বাস্তবতা। ২০২৫ সালে প্রতিদিন গড়ে ১১ জন মানুষ হত্যার শিকার হয়েছেন—যার মধ্যে রাজনৈতিক হত্যার সংখ্যা একশ’র বেশি। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর এই রক্তপাত আরও প্রকাশ্য ও নির্লজ্জ রূপ নিয়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে—এই পরিস্থিতিতে আদৌ কি সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ আছে? গত ১৭ নভেম্বর মিরপুরে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় বিএনপি নেতা গোলাম কিবরিয়াকে। ১২ ডিসেম্বর বিজয়নগরে গুলি করে খুন হন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদী। সর্বশেষ গত বুধবার তেজগাঁওয়ে গুলি করে হত্যা করা হয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে। এসব হত্যাকাণ্ড কোনো অন্ধকার গলিতে নয়, প্রকাশ্য রাস্তায়—যেন খুনই এখন

রাজনৈতিক ভাষা। আইন ও সালিস কেন্দ্রের উদ্ধৃত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে অন্তত ৪০১টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ১০২ জন নিহত এবং আহত হয়েছেন ৪ হাজার ৭৪৪ জন। পুলিশের তথ্যে বলা হয়েছে, গত বছর সারা দেশে ৩ হাজার ৭৮৫টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এর আগে ২০২৪ সালে ৩ হাজার ৪৩২ এবং ২০২৩ সালে ৩ হাজার ২৩টি খুনের ঘটনা নথিভুক্ত হয়। এই পরিসংখ্যানগুলো সংশ্লিষ্ট সংস্থার উদ্ধৃতি হিসেবে প্রচারিত হলেও, স্বাধীন কোনো উৎস থেকে সব তথ্য পূর্ণাঙ্গভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে সংখ্যার চেয়েও ভয়াবহ হলো বাস্তবতা—৫ আগস্ট ’২৪–এর পর সরকারের রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে পুলিশ কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রশাসনের এই পক্ষপাত ও নিষ্ক্রিয়তাই রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডকে কার্যত উৎসাহ দিচ্ছে। খুনিরা জানে, জবাবদিহি নেই। শাস্তির ভয় নেই। সরকারের আশ্রয়–প্রশ্রয়েই এসব হত্যাকাণ্ড ঘটছে—এমন অভিযোগ এখন আর শুধু বিরোধী দলের নয়, এটি জনমতের অংশ হয়ে উঠছে। দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে এর সরাসরি প্রভাব পড়বে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায়। ভয়, আতঙ্ক আর রক্তের মধ্যে কোনো নির্বাচনই বিশ্বাসযোগ্য হতে পারে না। প্রশ্নটা তাই সোজা—সরকার কি আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চায়, নাকি রক্তের রাজনীতির ওপর ভর করেই ক্ষমতার হিসাব কষছে? এই প্রশ্নের উত্তর না এলে, নির্বাচনের আগেই গণতন্ত্রের লাশ গুনতে হতে পারে দেশকে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক ৫ পেশাজীবী সংগঠনের নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না যে জাতি তার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে ভুলে যায়, সেই জাতি নিজের জন্মকেই অস্বীকার করে ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া জেলখানার মাইকে ভেসে এল বাবা হওয়ার সংবাদ: সাবেক ছাত্রলীগ নেতার কারাজীবনের নির্মম আখ্যান পরিচয় ফাঁসের আতঙ্ক: পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে বিমুখ সরকারি চাকরিজীবী কর্মকর্তারা আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ভোট বর্জনের ডাক দিয়ে ৭০৭ আইনজীবীর বিবৃতি ‘প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে আইনি কৌশলে মাঠের বাইরে রাখা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’: মাইকেল রুবিন একাত্তর থেকে আবার৭১ কেমন আছে বাংলাদেশ? নির্বাচন বৈধতা দিতে এক ব্যক্তির সাইনবোর্ডসর্বস্ব কাগুজে প্রতিষ্ঠান ‘পাশা’, একাই সাপ্লাই দিচ্ছে ১০ হাজার পর্যবেক্ষক! উপদেষ্টা আদিলুর ও শিক্ষা উপদেষ্টা আবরারের পারিবারিক বলয়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষক তালিকা গণভোট নয়, এটা সংবিধান ধ্বংসের আয়োজন হাজার হাজার প্রোফাইল ছবিতে একটাই কথা—“নো বোট, নো ভোট।” ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া আইনের শাসনের নির্লজ্জ চিত্র: ভুয়া মামলা ও আতঙ্কে বন্দী বাংলাদেশ বাংলাদেশের ১২ ফেব্রুয়ারির প্রহসনের নির্বাচন ও গণভোট বর্জনের আহবান জানিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশীরা ইউনূস সাহেব ঈদ করবেন কোথায়! Plebiscite or Refounding? The Constitutional Limits of the Referendum in Bangladesh Former Bangladeshi Minister Ramesh Chandra Sen Dies in Custody