যৌথ নোবেলে ইউনূসের একক রাজত্ব: অংশীদার তাসলিমাকে ‘প্রতারণার’ জালে ফেলার চাঞ্চল্যকর আখ্যান! – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২২ নভেম্বর, ২০২৫

যৌথ নোবেলে ইউনূসের একক রাজত্ব: অংশীদার তাসলিমাকে ‘প্রতারণার’ জালে ফেলার চাঞ্চল্যকর আখ্যান!

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২২ নভেম্বর, ২০২৫ |
নোবেল শান্তি পুরস্কার ২০০৬—বিশ্বের খাতায় লেখা আছে এই পুরস্কারটি ছিল ‘যৌথ’। অর্ধেক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এবং বাকি অর্ধেক গ্রামীণ ব্যাংকের (যার মালিকানা দরিদ্র ঋণগ্রহীতা নারীদের)। কিন্তু বাস্তব চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। অভিযোগ উঠেছে, অসলোর মঞ্চে ঋণগ্রহীতাদের প্রতিনিধি তাসলিমা বেগমকে পাশে রেখে যৌথ বিজয়ের ‘নাটক’ সাজানো হলেও, পরবর্তীতে চরম প্রতারণার মাধ্যমে ড. ইউনূস পুরো কৃতিত্ব ও ফায়দা একাই লুট করেছেন। যৌথ নোবেলের অংশীদার হয়েও তাসলিমা বেগম আজ ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে, আর ড. ইউনূস সেই যৌথ পুঁজি ভাঙিয়ে গড়েছেন নিজের একচ্ছত্র সাম্রাজ্য। নোবেলের মঞ্চে ‘ব্যবহার’, দেশে ফিরেই ‘বিতাড়ন’ ২০০৬ সালের ১০ ডিসেম্বর তাসলিমা বেগম যখন ড. ইউনূসের পাশে দাঁড়িয়ে নোবেল মেডেল ও সনদ গ্রহণ করেন, তখন

তিনি ছিলেন গ্রামীণ ব্যাংকের লক্ষাধিক মালিকের প্রতিনিধি। নিয়ম অনুযায়ী, নোবেলের সম্মান ও অর্থের সমান অংশীদার ছিলেন এই নারীরা। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, ড. ইউনূস সুকৌশলে তাসলিমাকে কেবল ওই মুহূর্তের জন্য ‘শো-পিস’ হিসেবে ব্যবহার করেছেন। নোবেল হাতে পাওয়ার মাত্র কয়েকমাসের মধ্যে, ২০০৭ সালে এক গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাসলিমাকে গ্রামীণ ব্যাংকের পর্ষদ থেকে অপমানজনকভাবে বের করে দেওয়া হয়। বিশ্লেষকদের মতে, যৌথ নোবেলের দাবিদার বা অংশীদার যেন কেউ থাকতে না পারে, সেই পথ পরিষ্কার করতেই ড. ইউনূস তাসলিমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানিয়েছিলেন। যৌথ প্রাপ্তি, অথচ একতরফা ভোগদখল নোবেল পুরস্কারের অর্থ এবং বিশ্বজোড়া সম্মান—সবই ছিল যৌথ। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, তাসলিমা বেগম বা গ্রামীণ ব্যাংকের সাধারণ সদস্যরা সেই সম্মানের কতটুকু

পেয়েছেন? তাসলিমা বেগম আজ রাজশাহীর পীরগাছা গ্রামে জীর্ণ কুঁড়েঘরে নিদারুণ অবহেলায় দিন কাটাচ্ছেন। অন্যদিকে, ড. ইউনূস সেই ‘যৌথ নোবেল’-এর ট্যাগ ব্যবহার করে বিশ্বজুড়ে বক্তৃতাবাজি ও নিজের ব্র্যান্ডিং করে চলেছেন। সমালোচকদের মতে, এটি কেবল অবহেলা নয়, বরং দরিদ্র নারীদের আবেগের সঙ্গে এক ধরনের ‘করপোরেট প্রতারণা’। তাসলিমাকে সরিয়ে দিয়ে ড. ইউনূস বুঝিয়ে দিয়েছেন, নোবেলটা আসলে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তি, ব্যাংক বা এর সদস্যরা সেখানে কেবল নামমাত্র উপস্থিত ছিলেন। মিথ্যা অপবাদ দিয়ে কণ্ঠরোধ? তাসলিমাকে সরানোর সময় তাঁর বিরুদ্ধে ঋণের শর্ত ভঙ্গের যে অভিযোগ আনা হয়েছিল, তাকে অনেকেই ‘সাজানো নাটক’ বলে অভিহিত করেন। যে নারী বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠানের মুখ উজ্জ্বল করলেন, তাকেই কেন তড়িঘড়ি করে ‘অপবাদ’ দিয়ে বিদায় করা

হলো? এর পেছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল—নোবেলের আলো যাতে ভাগ করতে না হয়। তাসলিমাকে দৃশ্যপট থেকে সরিয়ে ড. ইউনূস নিশ্চিত করেছেন যে, গ্রামীণ ব্যাংকের নোবেল জয়ের ইতিহাসে কেবল তাঁর নামই উচ্চারিত হবে। ইতিহাস সাক্ষী, ২০০৬ সালের নোবেল ছিল দুই পক্ষের। কিন্তু ড. ইউনূসের কৌশলী চালে এক পক্ষ (তাসলিমা ও গ্রামীণ নারী সমাজ) আজ প্রতারিত ও বিস্মৃত। তাসলিমা বেগমের করুণ পরিণতি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, ড. ইউনূসের তথাকথিত দারিদ্র্য বিমোচনের দর্শনের আড়ালে লুকিয়ে ছিল আত্মপ্রচার ও অংশীদারদের হক মেরে খাওয়ার এক নির্মম সত্য।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি কালো টাকা সাদা করার সুযোগ ফিরল, উৎস নিয়ে প্রশ্নও তোলা যাবে না আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ জীবনযাত্রার ব্যয়ে লাগাম টানার চেষ্টা দেশে বিনিয়োগ কমলেও জিডিপি বেড়েছে লাইফস্টাইল টিপস: এই তীব্র গরমে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে মুক্তিযুদ্ধ-বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বই থাকায় ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির ৩ শতাধিক বই জব্দ করল জেলা প্রশাসন মাস্টারমাইন্ড মাহফুজ: ‘জীবন বাঁচাতে চুপ ছিলাম অন্তরীণ সরকারের সময়, তবু এনসিপি-জাশির আক্রমণ থামছে না’ থানায় পিঠ বাঁচলেও ডিসি অফিসে ধোলাই খেলেন পুলিশ হত্যাকারী সমন্বয়ক মাহাদী বাজেটে কমছে ও বাড়ছে যেসব পণ্যের দাম দেশরত্ন শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ নতুন জামা থেকে রং ওঠলে কী করবেন বিশ্বের সঙ্গে একইদিনে বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে ‘ডিসক্লোজার ডে’ করছাড় পাচ্ছে আইটি ফ্রিল্যান্সিং, কনটেন্ট ক্রিয়েশন ও স্টার্টআপ গৃহকর্মী থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়ে কলিতা মাঝি পেলেন গৃহায়ণ মন্ত্রণালয় তদন্তের আগেই দুই কৃষি কর্মকর্তাকে বদলি, ডিএই’র ডিজি লাঞ্ছিত পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক, ঝুঁকিতে হাজারো আমানতকারীর অর্থ ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর শেয়ারে বড় পতন জনগণের ওপর বাড়তি ঋণ ও করভার চাপিয়ে বড় হচ্ছে বাজেটের আকার