ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ মুজিবঃ ছাত্রনেতা থেকে জননেতা
শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এ বায়ান্নর বীর সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই
২১শে ফেব্রুয়ারি আমরা উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা নিয়ে দিন কাটালাম – শেখ মুজিবের
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
‘জামায়াতের হাত থেকে বাঁচতে নাকে রুমাল দিয়ে বিএনপিকে ভোট দিয়েছে মানুষ’: সাংবাদিক নুরুল কবির
হলফনামায় সম্পদ ২ কোটি, হাজার কোটি টাকার ‘নগদ’ কিনতে চান ব্যারিস্টার আরমান
যে রাষ্ট্রে পুলিশ আর র্যাব নিজেরাই সন্ত্রাসীদের হাতে আক্রান্ত হয়
যে রাষ্ট্রে পুলিশ আর র্যাব নিজেরাই সন্ত্রাসীদের হাতে আক্রান্ত হয়, নিজেরাই জীবন নিয়ে শঙ্কায় থাকে সেই রাষ্ট্রে তাদের দিয়ে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলা মানে জাতির সাথে নির্মম রসিকতা করা। এটা নিরাপত্তা না, এটা নাটকের সাজসজ্জা।
দখলদার ইউনুসের সাজানো নির্বাচনে কে কোন আসন থেকে “জিতবে”, কোন দল কয়টি আসন পাবে সবই আগেই লেখা স্ক্রিপ্ট। ভোট হচ্ছে না, ফটোশুট হচ্ছে। ব্যালট বাক্স নয়, ক্যামেরার ফ্রেমই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের রায় নয়, দরকার শুধু সাজানো লাইন, সাজানো মুখ, সাজানো দৃশ্য।
আর এই নাটকে পুলিশ-র্যাবকে দাঁড় করানো হয়েছে ঢাল হিসেবে, যারা নিজেরাই গত ১৭ মাস ধরে মব সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার। যারা আইন প্রয়োগ করতে
গেলেই আক্রান্ত হয়, অপমানিত হয়, অসহায় হয়ে পড়ে। যে বাহিনী নিজেই নিরাপদ না, তারা কীভাবে জনগণকে নিরাপত্তা দেবে? এটা নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা না, এটা বাহিনীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমানের মঞ্চে দাঁড় করানো। দখলদার ইউনুসের শাসনে আইন মানে কাগজে লেখা শব্দ, আর মাঠে চলে মবের রাজত্ব। ভোটকেন্দ্রে পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকবে, কিন্তু আইন প্রয়োগ করতে পারবে না কারণ অবৈধ শাসকের আশীর্বাদ পাওয়া সন্ত্রাসীদের সামনে রাষ্ট্র নিজেই নতজানু। এটা নির্বাচন না এটা ক্ষমতার অভিনয়, আইনের মরদেহের ওপর দাঁড়িয়ে তোলা ছবি, আর জনগণের বুদ্ধিকে প্রকাশ্যে অপমান করার আয়োজন। ইতিহাস মনে রাখবে এই সময়টা ছিল যখন ভোট নয়, ভয়কে রাষ্ট্রীয় পদ্ধতিতে সাজিয়ে পরিবেশন করা হয়েছিল, আর তার পরিচালক ছিল দখলদার
ইউনুস ও তার অবৈধ শাসন। কিসের হ্যা, কিসের না? ভোট দিতেই যাব না
গেলেই আক্রান্ত হয়, অপমানিত হয়, অসহায় হয়ে পড়ে। যে বাহিনী নিজেই নিরাপদ না, তারা কীভাবে জনগণকে নিরাপত্তা দেবে? এটা নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা না, এটা বাহিনীকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপমানের মঞ্চে দাঁড় করানো। দখলদার ইউনুসের শাসনে আইন মানে কাগজে লেখা শব্দ, আর মাঠে চলে মবের রাজত্ব। ভোটকেন্দ্রে পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকবে, কিন্তু আইন প্রয়োগ করতে পারবে না কারণ অবৈধ শাসকের আশীর্বাদ পাওয়া সন্ত্রাসীদের সামনে রাষ্ট্র নিজেই নতজানু। এটা নির্বাচন না এটা ক্ষমতার অভিনয়, আইনের মরদেহের ওপর দাঁড়িয়ে তোলা ছবি, আর জনগণের বুদ্ধিকে প্রকাশ্যে অপমান করার আয়োজন। ইতিহাস মনে রাখবে এই সময়টা ছিল যখন ভোট নয়, ভয়কে রাষ্ট্রীয় পদ্ধতিতে সাজিয়ে পরিবেশন করা হয়েছিল, আর তার পরিচালক ছিল দখলদার
ইউনুস ও তার অবৈধ শাসন। কিসের হ্যা, কিসের না? ভোট দিতেই যাব না



