ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া।
ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?
পিতার নামে শপথ নেওয়ার দিন আজ
নৈতিকতা, মানবিকতা ও রাজপথ: আওয়ামী লীগের অবিনাশী চেতনার তিন স্তম্ভ
মুজিব একটি জাতির নাম, হাসিনা সে জাতির অগ্রগতির কাণ্ডারি, বঙ্গবন্ধু ফিরেছিলেন, ফিরবেন দেশরত্নও
যমুনায় বসে গবেষণার বিলাসিতা ও সার্বভৌমত্ব বিক্রির নীল নকশা: কার স্বার্থে এই মহাপরিকল্পনা?
ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশনা একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান ও সংগ্রামের ডাক। বিশেষ কলাম
যে আওয়ামীলীগ তোমরা দেখো নাই, চেনো না…
আওয়ামী লীগ আর ফিরতে পারবে না। ফিরতে দিবো না। এই টাইপের কথাবার্তা বলে অধিকাংশ সেসব ছেলেপেলেরা যারা বুঝজ্ঞান হওয়ার পর থেকে সব সময়ে আওয়ামী লীগকে সরকারী দলে দেখে এসেছে।
এটাও সত্য দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ফলে আওয়ামী লীগের বিপ্লবী চরিত্রে একটা ধুলোর প্রলাপ পড়েছে। জামাত থেকে প্রচুর পরিমানে অনুপ্রবেশ দলকে সাংগঠনিকভাবে দুর্বল করে দিয়েছে।
কিন্তু এর মানে এই না একাত্তরকে যারা ধারন করে তারা সবাই মরে গেছে। তারা বিগত বছরগুলোতে আওয়ামী লীগের কিছু কাজকর্মে হতাশ হয়েছে। কিন্তু তারা আছে।
আওয়ামী লীগ যখন গত বছরের আগষ্ট মাসে অতল গহ্বরে পড়ে হারিয়ে যাবার উপক্রম হয়েছিল তারাই খপ করে হাতটা ধরে আবার তুলনামূলক নিরাপদ স্থানে নিয়ে এসেছে।
তারা অনলাইনে আছে, মাঠে আছে। তাদের সক্রিয়তা দিনে দিনে বাড়ছে। আওয়ামী লীগ ধীরে ধীরে তার বিপ্লবী চরিত্র ফিরে পাচ্ছে। এর কৃতিত্ব নেহায়েত তৃনমূলের। আরো একবার প্রমানিত হচ্ছে আওয়ামী লীগকে বাঁচতে হলে তার শিকড়ে থাকতে হবে। তাকে তার একাত্তরের মূল্যবোধে স্থির থাকতে হবে। কারন একাত্তরে যারা তার শত্রু ছিল তারা এখনো তার শত্রু, একাত্তরে যারা তার মিত্র ছিল তারা এখনো তার মিত্র এবং শুভাকাংখী। ৬৬,৬৯, ৭১ আওয়ামী লীগের আদি এবং একমাত্র পরিচয়। আওয়ামী লীগকে সরকারী দলে যারা শক্তিশালী দেখেছে তারা আমাদের মতন দেখে নাই বিরোধী দলে এই দল ১০ গুন বেশি শক্তিশালী। বাসে আগুন, ককটেলবাজি করে বিএনপি-জামাত-ইউনুস গং আন্তর্জাতিকভাবে দেখাতে চাইছে আওয়ামী লীগ
সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে। এরা যদি কয়দিন পরে আরো ভয়ংকর কিছু করে আমরা অবাক হবো না। ২০১৩-১৪ সালে এরা ৫০ এর উপরে মানুষকে শুধু আগুনে পুড়িয়ে হ ত্যা করেছিল। এসব কিছু ডকুমেন্টেড। তারা এই নাটক করতে চাইলে আমরাও দেখিয়ে দিবো আন্তর্জাতিকভাবে কার কার অতীতে এসব কার্যক্রম এবং অভিজ্ঞতা আছে। আওয়ামী লীগ ততবার প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে যতবার তারা হামলার শিকার হয়েছে। আওয়ামী লীগের ইতিহাসে গ্রেনেড হামলার অতীত নাই, বাংলা ভাই- জে এম বির ইতিহাস নাই, নাই বিরোধী দলের কাউকে (শেখ হাসিনা) মারতে কোটালীপাড়ার মতন ৩০ কেজি ওজনের বোমা মাটিতে পুঁতে রাখার ইতিহাস। যে ইতিহাস বিএনপি-জামাতের আছে। তাই বিএনপি-জামাত-ইউনুসের উচিত হবে না এই জ্বালাওপোড়ানোর নাটক করা।
সেক্ষেত্রে তাদের নৃশংস অতীতও দেশী এবং আন্তর্জাতিক দুই জায়গাতেই বারবার চলে আসবে। –আযম খান
তারা অনলাইনে আছে, মাঠে আছে। তাদের সক্রিয়তা দিনে দিনে বাড়ছে। আওয়ামী লীগ ধীরে ধীরে তার বিপ্লবী চরিত্র ফিরে পাচ্ছে। এর কৃতিত্ব নেহায়েত তৃনমূলের। আরো একবার প্রমানিত হচ্ছে আওয়ামী লীগকে বাঁচতে হলে তার শিকড়ে থাকতে হবে। তাকে তার একাত্তরের মূল্যবোধে স্থির থাকতে হবে। কারন একাত্তরে যারা তার শত্রু ছিল তারা এখনো তার শত্রু, একাত্তরে যারা তার মিত্র ছিল তারা এখনো তার মিত্র এবং শুভাকাংখী। ৬৬,৬৯, ৭১ আওয়ামী লীগের আদি এবং একমাত্র পরিচয়। আওয়ামী লীগকে সরকারী দলে যারা শক্তিশালী দেখেছে তারা আমাদের মতন দেখে নাই বিরোধী দলে এই দল ১০ গুন বেশি শক্তিশালী। বাসে আগুন, ককটেলবাজি করে বিএনপি-জামাত-ইউনুস গং আন্তর্জাতিকভাবে দেখাতে চাইছে আওয়ামী লীগ
সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে। এরা যদি কয়দিন পরে আরো ভয়ংকর কিছু করে আমরা অবাক হবো না। ২০১৩-১৪ সালে এরা ৫০ এর উপরে মানুষকে শুধু আগুনে পুড়িয়ে হ ত্যা করেছিল। এসব কিছু ডকুমেন্টেড। তারা এই নাটক করতে চাইলে আমরাও দেখিয়ে দিবো আন্তর্জাতিকভাবে কার কার অতীতে এসব কার্যক্রম এবং অভিজ্ঞতা আছে। আওয়ামী লীগ ততবার প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে যতবার তারা হামলার শিকার হয়েছে। আওয়ামী লীগের ইতিহাসে গ্রেনেড হামলার অতীত নাই, বাংলা ভাই- জে এম বির ইতিহাস নাই, নাই বিরোধী দলের কাউকে (শেখ হাসিনা) মারতে কোটালীপাড়ার মতন ৩০ কেজি ওজনের বোমা মাটিতে পুঁতে রাখার ইতিহাস। যে ইতিহাস বিএনপি-জামাতের আছে। তাই বিএনপি-জামাত-ইউনুসের উচিত হবে না এই জ্বালাওপোড়ানোর নাটক করা।
সেক্ষেত্রে তাদের নৃশংস অতীতও দেশী এবং আন্তর্জাতিক দুই জায়গাতেই বারবার চলে আসবে। –আযম খান



