ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারের তড়িঘড়ি এলএনজি আমদানি: উচ্চমূল্যে ক্রয়ে সরকারি কোষাগারের বিপুল অর্থ অপচয়
৪০ বছর পর সংসদের শীর্ষ পদে নারীশূন্যতা: এরশাদের পথে হাঁটলেন তারেক
পিআইবি সেমিনার দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে ফারুক ওয়াসিফের মিথ্যাচারঃ উঠে এলো আরও দুর্নীতিকান্ড!
মানবাধিকার লঙ্ঘনের সকল দায় থেকে জুলাইযোদ্ধাদের মুক্তি দিয়ে জাতীয়ভাবে সম্মতি চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া পাকি মন্ত্রীদের ২ মাস বেতন বন্ধ, অফিস চলবে ৪ দিন
রাশিয়ান তেল কিনতে অর্থমন্ত্রীর মার্কিন অনুমতি প্রার্থনাঃ রাশিয়ান তেল শোধনে অসম্ভবতা সত্ত্বেও কেন এই পদক্ষেপ?
‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদযাত্রা’ থেকে আটক ঢাবি অধ্যাপক জামালকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ
মোজাম্মেল ‘প্রোস্টেট ক্যান্সার’, শ্যামল ‘স্লিপ অ্যাপনিয়া’, চলাফেরায় ‘অক্ষম’ বয়োবৃদ্ধ শাহরিয়ার: সাংবাদিকরা তাও মুক্তি পাবেন না?
কারাবন্দী জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও একাত্তর টেলিভিশন–এর সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত। দৈনিক ভোরের কাগজ–এর সম্পাদক শ্যামল দত্ত ভুগছেন ‘স্লিপ অ্যাপনিয়া’য়।
আর একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি ও প্রবীণ সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় চলাফেরায় অক্ষম হয়ে পড়েছেন।
আদালতে হাজিরা দিতে হলে পুলিশ সদস্যদের কাঁধে ভর দিয়েই তাঁকে কারাগার থেকে আদালতে যেতে হয় বলে জানিয়েছেন স্বজনেরা।
একই সঙ্গে ফারজানা রূপা ও শাকিল আহমেদ—এই সাংবাদিক দম্পতিও নানা শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় ভুগছেন বলে দাবি তাদের পরিবারের সদস্যদের। দীর্ঘদিন কারাবন্দী থাকা এবং একমাত্র সন্তানের দুশ্চিন্তায় তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বলে স্বজনেরা জানিয়েছেন।
২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের আন্দোলনের পর
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে এসব সাংবাদিক কারাগারে আছেন। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, গ্রেপ্তারের আগেই তাদের অনেকেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কিন্তু গ্রেপ্তারের সময় প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। পরে তাদের এমন পরিবেশে আটক রাখা হয়েছে, যা মানবিক আচরণের ন্যূনতম মানদণ্ডও পূরণ করে না। স্বজনদের অভিযোগ, শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকলেও তাদের দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে। এতে তাদের আগের অসুস্থতা বেড়েছে এবং নতুন শারীরিক জটিলতাও দেখা দিয়েছে। পরিবারের সদস্যরা আরও জানান, গ্রেপ্তার হওয়ার পর শাহরিয়ার কবির, মোজাম্মেল বাবু ও শ্যামল দত্ত–এর পর্যাপ্ত চিকিৎসা ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা নেওয়ার আবেদনও বারবার প্রত্যাখ্যান করা হয়। প্রয়োজনীয়
ওষুধ বা যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়া আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের লঙ্ঘন বলেও তারা দাবি করেন। স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, মোজাম্মেল বাবু প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত। ২০২৪ সালে গ্রেপ্তারের কয়েক মাস আগে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার অস্ত্রোপচার হয়েছিল। তবে কারাগারে যাওয়ার পর আগের কিছু শারীরিক জটিলতা আবার দেখা দিয়েছে বলে পরিবার মনে করছে। অন্যদিকে শ্যামল দত্ত ‘স্লিপ অ্যাপনিয়া’—অর্থাৎ ঘুমের মধ্যে সাময়িকভাবে দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো জটিল শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যায় ভুগছেন। পাশাপাশি তিনি ডায়াবেটিসেও আক্রান্ত। কারাগারে একাধিকবার তিনি ও মোজাম্মেল বাবু অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে জানা গেছে। ২০২৪ সালের আগস্টে গ্রেপ্তার হওয়া শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রূপাও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। রূপার মায়ের মৃত্যুর পর তিনি কারাগারে
শারীরিক অসুস্থতার পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। এদিকে বেলারুশভিত্তিক গণহত্যা প্রতিরোধ ও মানব নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থা Lemkin Institute for Genocide Prevention চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি এক বিবৃতিতে জানায়, ৭৫ বছর বয়সী লেখক, গবেষক ও মানবাধিকারকর্মী শাহরিয়ার কবির হুইলচেয়ার ছাড়া চলাফেরা করতে পারেন না। তিনি বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন। সংস্থাটি দাবি করে, তাকে গ্রেপ্তারের সময় প্রয়োজনীয় ওষুধ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি এবং আটক অবস্থায় এমন পরিবেশে রাখা হয়েছে, যা মানবিক আচরণের ন্যূনতম মানদণ্ড পূরণ করে না। পাশাপাশি তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকলেও তাকে একাধিকবার রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে এবং পর্যাপ্ত চিকিৎসার আবেদনও প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা
হয়। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার শাপলা চত্বর এলাকায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ–এর কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের সময় হতাহতের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে শাহরিয়ার কবির–এর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। তবে তার স্বজনদের দাবি, ওই ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না। অন্যদিকে বাবা–মা কারাগারে থাকায় শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রূপা–র একমাত্র সন্তান কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সময় পার করছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের বাসার ঠিকানা ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হওয়ার পর গণমাধ্যম অঙ্গনে নতুন বাস্তবতার ইঙ্গিত দেখছেন কারাবন্দী সাংবাদিকদের
স্বজনেরা। তাদের আশা, নতুন সরকারের আমলে এসব সাংবাদিক মুক্তি পাবেন এবং রাজনৈতিক বিবেচনায় করা মামলাগুলো পর্যালোচনা করা হবে।নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সম্প্রতি সাংবাদিক আনিস আলমগীর–এর বিরুদ্ধে থাকা দুটি মামলাতেই জামিন হওয়া এবং চট্টগ্রামের একটি মামলায় ২৮ সাংবাদিকের সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ার বিষয়ে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল হওয়ার ঘটনাও তাদের আশাবাদী করেছে। তাদের মতে, কারাবন্দী সাংবাদিকদের বিষয়টি কেবল কয়েকজন ব্যক্তির মামলার প্রশ্ন নয়; বরং ভবিষ্যতে দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকতার পরিবেশ কেমন হবে, তারও একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হয়ে উঠতে পারে। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে ছাত্র আন্দোলনের সময় ও পরবর্তী সময়ে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে অন্তত ২৯৮ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যা চেষ্টা ও সহিংসতার অভিযোগে মামলা করা
হয়। এর মধ্যে ১৯ সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে সাংবাদিক সমাজের অভিযোগ, এসব মামলার অনেকগুলোর ক্ষেত্রেই এখন পর্যন্ত যথাযথ তদন্ত হয়নি বা তাদের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে এসব সাংবাদিক কারাগারে আছেন। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, গ্রেপ্তারের আগেই তাদের অনেকেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কিন্তু গ্রেপ্তারের সময় প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। পরে তাদের এমন পরিবেশে আটক রাখা হয়েছে, যা মানবিক আচরণের ন্যূনতম মানদণ্ডও পূরণ করে না। স্বজনদের অভিযোগ, শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকলেও তাদের দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে। এতে তাদের আগের অসুস্থতা বেড়েছে এবং নতুন শারীরিক জটিলতাও দেখা দিয়েছে। পরিবারের সদস্যরা আরও জানান, গ্রেপ্তার হওয়ার পর শাহরিয়ার কবির, মোজাম্মেল বাবু ও শ্যামল দত্ত–এর পর্যাপ্ত চিকিৎসা ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা নেওয়ার আবেদনও বারবার প্রত্যাখ্যান করা হয়। প্রয়োজনীয়
ওষুধ বা যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়া আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের লঙ্ঘন বলেও তারা দাবি করেন। স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, মোজাম্মেল বাবু প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত। ২০২৪ সালে গ্রেপ্তারের কয়েক মাস আগে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার অস্ত্রোপচার হয়েছিল। তবে কারাগারে যাওয়ার পর আগের কিছু শারীরিক জটিলতা আবার দেখা দিয়েছে বলে পরিবার মনে করছে। অন্যদিকে শ্যামল দত্ত ‘স্লিপ অ্যাপনিয়া’—অর্থাৎ ঘুমের মধ্যে সাময়িকভাবে দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো জটিল শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যায় ভুগছেন। পাশাপাশি তিনি ডায়াবেটিসেও আক্রান্ত। কারাগারে একাধিকবার তিনি ও মোজাম্মেল বাবু অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে জানা গেছে। ২০২৪ সালের আগস্টে গ্রেপ্তার হওয়া শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রূপাও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। রূপার মায়ের মৃত্যুর পর তিনি কারাগারে
শারীরিক অসুস্থতার পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। এদিকে বেলারুশভিত্তিক গণহত্যা প্রতিরোধ ও মানব নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থা Lemkin Institute for Genocide Prevention চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি এক বিবৃতিতে জানায়, ৭৫ বছর বয়সী লেখক, গবেষক ও মানবাধিকারকর্মী শাহরিয়ার কবির হুইলচেয়ার ছাড়া চলাফেরা করতে পারেন না। তিনি বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন। সংস্থাটি দাবি করে, তাকে গ্রেপ্তারের সময় প্রয়োজনীয় ওষুধ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি এবং আটক অবস্থায় এমন পরিবেশে রাখা হয়েছে, যা মানবিক আচরণের ন্যূনতম মানদণ্ড পূরণ করে না। পাশাপাশি তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকলেও তাকে একাধিকবার রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে এবং পর্যাপ্ত চিকিৎসার আবেদনও প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা
হয়। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার শাপলা চত্বর এলাকায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ–এর কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের সময় হতাহতের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে শাহরিয়ার কবির–এর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। তবে তার স্বজনদের দাবি, ওই ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না। অন্যদিকে বাবা–মা কারাগারে থাকায় শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রূপা–র একমাত্র সন্তান কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সময় পার করছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের বাসার ঠিকানা ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হওয়ার পর গণমাধ্যম অঙ্গনে নতুন বাস্তবতার ইঙ্গিত দেখছেন কারাবন্দী সাংবাদিকদের
স্বজনেরা। তাদের আশা, নতুন সরকারের আমলে এসব সাংবাদিক মুক্তি পাবেন এবং রাজনৈতিক বিবেচনায় করা মামলাগুলো পর্যালোচনা করা হবে।নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সম্প্রতি সাংবাদিক আনিস আলমগীর–এর বিরুদ্ধে থাকা দুটি মামলাতেই জামিন হওয়া এবং চট্টগ্রামের একটি মামলায় ২৮ সাংবাদিকের সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ার বিষয়ে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল হওয়ার ঘটনাও তাদের আশাবাদী করেছে। তাদের মতে, কারাবন্দী সাংবাদিকদের বিষয়টি কেবল কয়েকজন ব্যক্তির মামলার প্রশ্ন নয়; বরং ভবিষ্যতে দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকতার পরিবেশ কেমন হবে, তারও একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হয়ে উঠতে পারে। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে ছাত্র আন্দোলনের সময় ও পরবর্তী সময়ে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে অন্তত ২৯৮ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যা চেষ্টা ও সহিংসতার অভিযোগে মামলা করা
হয়। এর মধ্যে ১৯ সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে সাংবাদিক সমাজের অভিযোগ, এসব মামলার অনেকগুলোর ক্ষেত্রেই এখন পর্যন্ত যথাযথ তদন্ত হয়নি বা তাদের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।



