ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগে বড় পরিবর্তন
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার আলটিমেটাম
স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের বড় সুখবর দিলো সরকার
প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরে সংগীত শিক্ষা চালু করবে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী
চবিতে ফের ভুয়া শিক্ষার্থী আটক
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস
এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে মাউশির জরুরি নির্দেশনা
মেডিকেলে চান্স পেয়েও পড়া অনিশ্চিত তিথির
মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেলেও ভর্তিসহ পড়ালেখা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে তিথি রানী সাহার। যশোরের কেশবপুর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের তিথি রানী সাহা এবার মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় নীলফামারী মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। এ সুখবরে তার পরিবারের সদস্যদের আনন্দের পরিবর্তে চোখেমুখে দুশ্চিন্তা নেমে এসেছে।
তিথি রানী সাহার বাবা কালিদাস সাহা একটি দোকানের মালামাল সরবরাহের কাজ করেন। তার মা মাধবী রানী সাহা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পাঁপড় ভাজা বিক্রি করেন। বাবা-মায়ের স্বল্প আয়ে এতদিন তিথিকে পড়াশোনা করিয়ে এসেছেন।
তিথি কেশবপুর সরকারি পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০২৩ সালে বিজ্ঞান বিভাগ হতে জিপিএ-৫ ও কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে ২০২৫ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়।
তিথির এ
সাফল্যের খবর পেয়ে তাদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ছোট একটি টিনের চালার ঘরে মা-বাবার সঙ্গে থেকে তারা দুই বোন লেখাপড়া করে। তার মা মাধবী রানী সাহা জানান, এতদিন খেয়ে না খেয়ে তার মেয়েকে পড়াশোনা করিয়েছেন। তিথির মেডিকেলে পরীক্ষা দেওয়ার আবেদন করার জন্য কেশবপুর শহরের দীনেশ স্যার নামে এক ব্যক্তি বিনামূল্যে পড়ানোসহ তাদের টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। এখন তার মেয়েকে মেডিকেলে ভর্তি করাসহ পড়াশোনা করানো নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। অভাব-অনটনের সংসারে তার মেয়ের ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন যেন ফিকে হয়ে যাচ্ছে। তিথি রানী সাহা বলেন, গরিব ও অসহায় মানুষের সেবা করার জন্য তিনি ডাক্তার হতে চান। কিন্তু মা-বাবার পক্ষে তার মেডিকেলে পড়াশোনার খরচ চালানো
কোনোভাবেই সম্ভব নয়। তিনি সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা পেলে ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করতে পারবেন। এ ব্যাপারে তিথি রানী সাহার মা মাধবী রানী সাহা দেশের দানশীল ব্যক্তিদের পাশাপাশি বিত্তবানদের তার মেয়েকে মেডিকেলে পড়াশোনা চালানোর জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য অনুরোধ করেছেন।
সাফল্যের খবর পেয়ে তাদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ছোট একটি টিনের চালার ঘরে মা-বাবার সঙ্গে থেকে তারা দুই বোন লেখাপড়া করে। তার মা মাধবী রানী সাহা জানান, এতদিন খেয়ে না খেয়ে তার মেয়েকে পড়াশোনা করিয়েছেন। তিথির মেডিকেলে পরীক্ষা দেওয়ার আবেদন করার জন্য কেশবপুর শহরের দীনেশ স্যার নামে এক ব্যক্তি বিনামূল্যে পড়ানোসহ তাদের টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। এখন তার মেয়েকে মেডিকেলে ভর্তি করাসহ পড়াশোনা করানো নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। অভাব-অনটনের সংসারে তার মেয়ের ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন যেন ফিকে হয়ে যাচ্ছে। তিথি রানী সাহা বলেন, গরিব ও অসহায় মানুষের সেবা করার জন্য তিনি ডাক্তার হতে চান। কিন্তু মা-বাবার পক্ষে তার মেডিকেলে পড়াশোনার খরচ চালানো
কোনোভাবেই সম্ভব নয়। তিনি সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা পেলে ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করতে পারবেন। এ ব্যাপারে তিথি রানী সাহার মা মাধবী রানী সাহা দেশের দানশীল ব্যক্তিদের পাশাপাশি বিত্তবানদের তার মেয়েকে মেডিকেলে পড়াশোনা চালানোর জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য অনুরোধ করেছেন।



