মৃত্যুপুরী গাজায় মৃত্যুঞ্জয়ী কিশোরী – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২১ এপ্রিল, ২০২৫

মৃত্যুপুরী গাজায় মৃত্যুঞ্জয়ী কিশোরী

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২১ এপ্রিল, ২০২৫ |
চারদিক থেকে ভেসে আসছে ঈদের খুতবা। সেদিন কিছুটা হলেও উৎসবের আমেজ ছিল ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ মৃত্যু উপত্যকা গাজায়। তবে চোখ ঘুরালেই দেখা মিলছিল গণহত্যার ছাপ। ইট-সিমেন্টের কংক্রিটগুলো ধসে পড়েছিল পুরো এলাকায়। উত্তরের বেইত লাহিয়ার ধূ-ধূ এলাকায় শুধুই ধ্বংসস্তূপ। হঠাৎই পাথরের নিচ থেকে উঠে আসে এক অলৌকিক জীবন। ইদুল ফিতরের কয়েকদিন আগেই যে শুধুই স্মৃতি হয়ে গিয়েছিল তার প্রতিবেশী-প্রিয়জনের কাছে। হয়তো ঈদের দিনে বন্ধুরা তাকে মনেও করেছিল কয়েকবার। কেউ কেউ হয়তো মায়ার টানে ছুটে দেখে এসেছিল তার বিধ্বস্ত বাড়ি! ঈদের দিনে রাস্তায় ধূলি-ধূসর গায়ে হেঁটে চলা মেয়েটিকে কেউ স্বপ্নেও ভাবেনি সে বেঁচে আছে! অথচ এই মেয়েটিই হয়ে উঠেছিল বেইত লাহিয়ার ঈদের দিনের

ইতিহাস। মৃত্যুপুরী গাজায় ইসরাইলের হামলা থেকে বেঁচে ফেরা মৃত্যুঞ্জয়ী সেই কিশোরীর নাম রিম আল-বালি। ৫ দিন ধরে পাথরের নিচে আটকে থাকার পরও বেঁচে যায় সে। দখলদার বাহিনীর নৃসংশ বোমা হামলায় মা-বাবাসহ পুরো পরিবারকে হারিয়েছে রিম। জ্ঞান ফেরার পর নিজেকে প্রতিবেশীদের লাশের কাছে আবিষ্কার করে রিম। সেখানে আর এক মুহূর্ত দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিল না সে। ব্যথায় শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল তার। কিন্তু সাহসী রিম ৩ কিলোমিটারেরও বেশি পথ হেঁটে পৌঁছে যান তার বাবার অফিসের সামনে। সেখানে যেতেই ঘুমিয়ে পরে সে। উত্তর বেইত লাহিয়াতে ইসরাইলের বোমা হামলার স্বীকার হয়েছিল তার পুরো পরিবার। হামলায় তাদের ভবনটি ধসে পড়ে। ধ্বংসস্তূপ

থেকে বেরিয়ে রিম তার পরিবারকে খুঁজছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সে জানতে পারে তারা কেউই আর বেঁচে নেই। ধ্বংসস্ত‚পের নিচে পাঁচ দিন কোমায় ছিল। জ্ঞান ফেরার পর সে প্রচণ্ড তৃষ্ণার্তও ক্ষুধার্ত ছিল। আইনজীবী বাবার অফিসে যাওয়ার পরও কেউ তাকে চিনছিল না। এরপর ঘটনাক্রমে একজন আত্মীয় তাকে চিনতে পারে। পরবর্তীতে তার নানার বাড়িতে নিয়ে যায় তাকে। নানাকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছিল রিম। এরপর সেখান থেকে দেইর আল-বালাহে তার মামার বাড়িতে চলে যায় সে। তখনও তার শরীর ক্লান্ত ও প্রচণ্ড দুর্বল। জরুরি চিকিৎসা ও মানসিক যত্নে রিমের চিকিৎসা চলছে। চলমান এই যুদ্ধে শুধু রিমই নয় গাজার খান ইউনিসের একটি ভবন থেকে এক মাস বয়সী

এক শিশুকেও উদ্ধার করেছিলেন উদ্ধারকর্মীরা। এপি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
স্কুলে এসে শিশুরা যেন পাঠ্যপুস্তকে বৈষম্য না দেখে—এই অবদান শেখ হাসিনার একান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের স্থায়ী বহিষ্কারের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ সরকার বনাম ব্যবসায়ী বক্তব্য যুদ্ধে ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ সিলেটের বিশ্বনাথে শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী বাউলগানের আসরে হামলা ও ভাঙচুর ভারতের কাছে আবারও জ্বালানি সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ রূপবদল ও সুবিধাবাদের মোড়কে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন জার্মানিতে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ রক্ষার দৃঢ় অঙ্গীকারে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালন ২৬ মার্চ-বাংলাদেশের জন্মদিন খাদ্য মূল্যস্ফীতির ‘লাল’ তালিকায় বাংলাদেশ, তীব্র ঝুঁকির দিকে যাচ্ছে দেশ পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর থেকে ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করছে ভারত আইন বনাম মানবিকতা: মালয়েশিয়ায় ‘অপস ওমনিপ্রেজেন্ট’ অভিযান নিয়ে তীব্র বিতর্ক জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি ইরানে হামলা অব্যাহত রাখতে ট্রাম্পের ওপর চাপ দিচ্ছেন সৌদি যুবরাজ ১৭ বছর লড়াইয়ের পরও কেন বহিষ্কার, মুখ খুললেন রুমিন ফারহানা ডিএমপির ৪ থানায় ওসিকে বদলি ও পদায়ন হাদি হত্যার মূল ২ আসামিকে দিল্লি নিয়ে গেছে এনআইএ ঈদের রাতে বিএনপি নেতা মিন্টুর ‘সিক্স স্টার’ বাহিনীর তাণ্ডব আ.লীগ ছাড়া সংসদ, যা বললেন রুমিন ফারহানা নিজের ক্রাশের নাম প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী মাহিরা সাকিবকে যে বার্তা দিলেন প্রধান নির্বাচক