ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ করে সংসদে বিল পাশ
২ ডিআইজিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি
তৃতীয় দফায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী রিমান্ডে
বকেয়া বেতনের দাবিতে নাসা গ্রুপের পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের গোপন চুক্তি নেই, তবে কিছু বিষয় এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না
কোটি টাকা আত্মসাত, ঢাবির জুলাইযোদ্ধা ছাত্রদল নেতা অর্ণবকে বহিষ্কার
এক-এগারো সরকারের সঙ্গে ইউনূস সরকারের যোগসূত্র
মুক্তিযুদ্ধকে উদযাপন করা হলে কারা হামলা করে?
যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল, তাদের আদর্শিক উত্তরসূরিরাই এসব হামলা করে। রাজাকার গোষ্ঠী মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল; তারা স্বাধীন বাংলাদেশ চায়নি। মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে তাদের সেই বিরোধিতা আজও শেষ হয়নি।
তারা এখনো স্বাধীনতা মেনে নিতে পারে না। তাই তারা “আজাদি”র কথা বলে। কিন্তু তারা যে আজাদির কথা বলে, সেটি আসলে দেশকে আবার পাকিস্তানের গোলাম বানানোর ষড়যন্ত্র।
মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার গোষ্ঠী যে তথাকথিত “ভারতীয় আধিপত্যবাদ”-এর বয়ান দাঁড় করিয়েছিল, আজও তারা সেই একই বয়ান প্রচার করে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির সঙ্গে ভারতের সমতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা বন্ধুত্বকেও তারা “ভারতীয় আধিপত্যবাদ” বলে অপপ্রচার চালায়।
কারণ তাদের মানসিকতা এখনো পাকিস্তানের গোলামির মধ্যেই আটকে আছে। যারা মানসিকভাবে পাকিস্তানের গোলাম, তাদের কাছে ভারতের
সঙ্গে সমতার ভিত্তিতে বন্ধুত্বও “আধিপত্যবাদ” বলে মনে হয়। এটা নতুন কিছু নয়; এটা তাদের বহু পুরোনো অভ্যাস। ইতিহাস ঘাঁটলেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়। শেখ হাসিনার শাসনামল নিয়ে তারা ভারতীয় আধিপত্যবাদের অসংখ্য গল্প ছড়িয়েছিল। অথচ বাস্তবে ভারতের সঙ্গে শেখ হাসিনার আমলে করা এমন একটি চুক্তিও তারা দেখাতে পারেনি, যা বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে গেছে। আরও মজার বিষয় হলো, প্রায় ১৮ মাস ধরে জামায়াত–এনসিপি–ইউনূসের জোট সরকার ক্ষমতায় থাকার পরও শেখ হাসিনার আমলে ভারতের সঙ্গে করা একটি চুক্তিও তারা বাতিল করেনি। যদি সত্যিই সেই চুক্তিগুলো বাংলাদেশের ক্ষতির কারণ হয়ে থাকত, তাহলে সেগুলো বাতিল করা হয়নি কেন? উল্টো দেখা গেছে, ভারতই একটির পর একটি সুবিধা বাতিল করেছে এবং
তাতে বাংলাদেশের ক্ষতি হয়েছে। একটি উদাহরণই যথেষ্ট। ইউনূসের আমলে ভারত বাংলাদেশের ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করেছিল। চুক্তি অনুযায়ী, ভারতের সড়ক ব্যবহার করে বাংলাদেশ ৩৬টি দেশে পোশাক রপ্তানি করত, এতে প্রায় ২০০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হতো। শেখ হাসিনার আগে কোনো সরকার ভারতের কাছ থেকে এ ধরনের সুবিধা আনতে পারেনি। আর জামায়াত–এনসিপি–ইউনূসের জোট সরকারের আমলে এরকম কোনো নতুন সুবিধা আনা তো দূরের কথা, বরং বিদ্যমান সুবিধাগুলোই হারিয়ে গেছে। আসলে এই চুক্তিগুলো ভারত বাতিল না করলে হয়তো অনেকেই বুঝতেই পারত না—শেখ হাসিনা ভারতের সঙ্গে যা কিছু করেছিলেন, তাতে বাংলাদেশের লাভই হয়েছিল। শেখ হাসিনা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কাছ থেকে বাংলাদেশের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা নিয়ে এসেছিলেন। ভারতের
সঙ্গে সমতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে তিনি দুই দেশের মানুষের জন্য মঙ্গলজনক বহু উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছিলেন। কিন্তু রাজাকারদের ‘পাকিস্তানি মন’ সেগুলো ইতিবাচকভাবে দেখতে পারেনি। আসলে “ভারতীয় আধিপত্যবাদ” এক ধরনের রাজনৈতিক ভূতের নাম। এই ভূতের জন্ম ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের পর থেকেই। একাত্তরের পরাজিত শক্তি তথা পাকিস্তানি দাস-মানসিকতার মানুষের মস্তিষ্কে এই ভূত এখনো বাসা বেঁধে আছে। মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহযোগিতায় পাকিস্তানকে পরাজিত করে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই আলবদর–রাজাকার গোষ্ঠী এবং তাদের উত্তরসূরিরা এই “ভারতীয় আধিপত্যবাদ” ভূতকে জনগণের মগজে বসানোর চেষ্টা করে আসছে। ধর্মের নামে রাজনীতি, আর রাজনীতির নামে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বয়ানের বাইরে এদের আর কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নেই। মানুষকে ভয় দেখিয়ে
ভারতীয় আধিপত্যবাদের মনগড়া গল্প ছড়িয়ে ভূতের আতঙ্ক সৃষ্টি করে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধার করাই এদের রাজনীতির মূল কৌশল। যুদ্ধাপরাধী-রাজাকার এবং পাকিস্তানি দালাল মতিউর রহমান নিজামী বলেছিল, (রেফারেন্স: ৪ঠা সেপ্টেম্বরে দৈনিক সংগ্রামে), “ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ভারতীয় এজেন্ট।” —কিন্তু, আমরা জানি, তিনি আমাদের বীরশ্রেষ্ঠ। অর্থাৎ, রাজাকারদের চোখে মুক্তিযোদ্ধারা ভারতীয় এজেন্ট। কারণ, রাজাকারদের চোখে বাংলাদেশ প্রেম মানেই ভারতের দালালি। এযুগের রাজাকার শাবকদের মানসিকতাও একই রকম। -মোহাম্মদ আলী আরাফাত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও শেখ হাসিনার মন্ত্রীসভার সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী
সঙ্গে সমতার ভিত্তিতে বন্ধুত্বও “আধিপত্যবাদ” বলে মনে হয়। এটা নতুন কিছু নয়; এটা তাদের বহু পুরোনো অভ্যাস। ইতিহাস ঘাঁটলেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়। শেখ হাসিনার শাসনামল নিয়ে তারা ভারতীয় আধিপত্যবাদের অসংখ্য গল্প ছড়িয়েছিল। অথচ বাস্তবে ভারতের সঙ্গে শেখ হাসিনার আমলে করা এমন একটি চুক্তিও তারা দেখাতে পারেনি, যা বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে গেছে। আরও মজার বিষয় হলো, প্রায় ১৮ মাস ধরে জামায়াত–এনসিপি–ইউনূসের জোট সরকার ক্ষমতায় থাকার পরও শেখ হাসিনার আমলে ভারতের সঙ্গে করা একটি চুক্তিও তারা বাতিল করেনি। যদি সত্যিই সেই চুক্তিগুলো বাংলাদেশের ক্ষতির কারণ হয়ে থাকত, তাহলে সেগুলো বাতিল করা হয়নি কেন? উল্টো দেখা গেছে, ভারতই একটির পর একটি সুবিধা বাতিল করেছে এবং
তাতে বাংলাদেশের ক্ষতি হয়েছে। একটি উদাহরণই যথেষ্ট। ইউনূসের আমলে ভারত বাংলাদেশের ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করেছিল। চুক্তি অনুযায়ী, ভারতের সড়ক ব্যবহার করে বাংলাদেশ ৩৬টি দেশে পোশাক রপ্তানি করত, এতে প্রায় ২০০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হতো। শেখ হাসিনার আগে কোনো সরকার ভারতের কাছ থেকে এ ধরনের সুবিধা আনতে পারেনি। আর জামায়াত–এনসিপি–ইউনূসের জোট সরকারের আমলে এরকম কোনো নতুন সুবিধা আনা তো দূরের কথা, বরং বিদ্যমান সুবিধাগুলোই হারিয়ে গেছে। আসলে এই চুক্তিগুলো ভারত বাতিল না করলে হয়তো অনেকেই বুঝতেই পারত না—শেখ হাসিনা ভারতের সঙ্গে যা কিছু করেছিলেন, তাতে বাংলাদেশের লাভই হয়েছিল। শেখ হাসিনা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কাছ থেকে বাংলাদেশের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা নিয়ে এসেছিলেন। ভারতের
সঙ্গে সমতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে তিনি দুই দেশের মানুষের জন্য মঙ্গলজনক বহু উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছিলেন। কিন্তু রাজাকারদের ‘পাকিস্তানি মন’ সেগুলো ইতিবাচকভাবে দেখতে পারেনি। আসলে “ভারতীয় আধিপত্যবাদ” এক ধরনের রাজনৈতিক ভূতের নাম। এই ভূতের জন্ম ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের পর থেকেই। একাত্তরের পরাজিত শক্তি তথা পাকিস্তানি দাস-মানসিকতার মানুষের মস্তিষ্কে এই ভূত এখনো বাসা বেঁধে আছে। মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহযোগিতায় পাকিস্তানকে পরাজিত করে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই আলবদর–রাজাকার গোষ্ঠী এবং তাদের উত্তরসূরিরা এই “ভারতীয় আধিপত্যবাদ” ভূতকে জনগণের মগজে বসানোর চেষ্টা করে আসছে। ধর্মের নামে রাজনীতি, আর রাজনীতির নামে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বয়ানের বাইরে এদের আর কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নেই। মানুষকে ভয় দেখিয়ে
ভারতীয় আধিপত্যবাদের মনগড়া গল্প ছড়িয়ে ভূতের আতঙ্ক সৃষ্টি করে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধার করাই এদের রাজনীতির মূল কৌশল। যুদ্ধাপরাধী-রাজাকার এবং পাকিস্তানি দালাল মতিউর রহমান নিজামী বলেছিল, (রেফারেন্স: ৪ঠা সেপ্টেম্বরে দৈনিক সংগ্রামে), “ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ভারতীয় এজেন্ট।” —কিন্তু, আমরা জানি, তিনি আমাদের বীরশ্রেষ্ঠ। অর্থাৎ, রাজাকারদের চোখে মুক্তিযোদ্ধারা ভারতীয় এজেন্ট। কারণ, রাজাকারদের চোখে বাংলাদেশ প্রেম মানেই ভারতের দালালি। এযুগের রাজাকার শাবকদের মানসিকতাও একই রকম। -মোহাম্মদ আলী আরাফাত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও শেখ হাসিনার মন্ত্রীসভার সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী



