ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নতুন প্রেমে পড়েছেন প্রভা?
মানহানি মামলার মাঝেই সতর্কবার্তা দিলেন মিমি
ফেসবুকে একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করে যে বার্তা দিলেন অপু
সমালোচনার মুখে পানির বোতল প্রসঙ্গে সিদ্ধান্ত বদলালো ফিফা
প্রতিভার ঝলক দেখাও মার্কস অলরাউন্ডারে, ঢাকায় চলছে আঞ্চলিক পর্ব
৩৬ বছর বয়সেই দুই বিলিয়ন সম্পদের মালিক টেইলর সুইফট
কিছু স্বার্থান্বেষী মহল চায় না বাংলা সিনেমার উন্নতি হোক: শাকিব খান
মিশা সওদাগরের বোনের বাসা থেকে ৬০ ভরি স্বর্ণ চুরি
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা মিশা সওদাগরের বোন মনিরা মাসুদের বাসায় চুরির ঘটনা ঘটেছে। এসময় চোরেরা ব্যবহৃত ৬০ ভরি স্বর্ণের গহনা নিয়ে গেছে। রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের বাসায় গত ৬ নভেম্বর এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় এরই মধ্যে নিউ মার্কেট থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী। ইতিমধ্যে চুরির ঘটনায় বাড়ির মালিক মো. অপুকে গ্রেপ্তার করেছেন নিউ মার্কেট থানা পুলিশ।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. আরব আলী বলেন, ‘মামলার তদন্তে গিয়ে আমার স্বর্ণের ব্যাগ উদ্ধার করেছি। এছাড়া সন্দেহভাজন হিসেবে বাড়ির মালিককে গ্রেপ্তার করেছি। তাকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছি। তবে ফলপ্রসূ তথ্য পাইনি। স্বর্ণগুলো উদ্ধার ও প্রকৃত আসামি ধরতে আমরা কাজ করছি।’
এদিকে বোনের বাসা থেকে স্বর্ণ
চুরি বিষয়ে মিশা সওদাগর বলেন, ‘মনিরা আমার এক আত্মীয়। তার বাসা থেকে গত ৬ নভেম্বর চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে আমার বোন থানায় অভিযোগ করেছেন। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ থাকবে সঠিক তদন্ত করে প্রকৃতি অপরাধীকে চিহিৃত করে আইনের আওতায় আনা। আমার বোন অনেক কষ্ট করে এই স্বর্ণগুলো করেছেন।’ অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে মনিরা মাসুদ বলেন, ‘আমার স্বর্ণগুলো যে প্যাকেটে রাখা ছিল তারই একটি কাগজ বাড়ির মালিকের বাসায় পাওয়া গেছে। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে বাড়িওয়ালা ও স্ত্রীর সঙ্গে কথা বললে গড়মিল পাই। আমাদের তিনজনের একটি কথোপকথন রেকর্ড করেছি, যা থানায় জমা দিয়েছি। ঘটনার পর তারা একবার খোঁজও নেয়নি। আরেকটি কথা বলতে চাই মালিকের দেওয়া তালা
আমরা ব্যবহার করতাম। কোথাও গেলে তাকে চাবি দিয়ে যেত হতো। কাগজের সূত্র ধরে বাড়ির মালিক আমাদের সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন। প্রবাস করে অনেক কষ্টে স্বর্ণগুলো করেছি। দ্রুত অপরাধীকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার অনুরোধ করছি প্রশাসনের কাছে।’
চুরি বিষয়ে মিশা সওদাগর বলেন, ‘মনিরা আমার এক আত্মীয়। তার বাসা থেকে গত ৬ নভেম্বর চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে আমার বোন থানায় অভিযোগ করেছেন। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ থাকবে সঠিক তদন্ত করে প্রকৃতি অপরাধীকে চিহিৃত করে আইনের আওতায় আনা। আমার বোন অনেক কষ্ট করে এই স্বর্ণগুলো করেছেন।’ অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে মনিরা মাসুদ বলেন, ‘আমার স্বর্ণগুলো যে প্যাকেটে রাখা ছিল তারই একটি কাগজ বাড়ির মালিকের বাসায় পাওয়া গেছে। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে বাড়িওয়ালা ও স্ত্রীর সঙ্গে কথা বললে গড়মিল পাই। আমাদের তিনজনের একটি কথোপকথন রেকর্ড করেছি, যা থানায় জমা দিয়েছি। ঘটনার পর তারা একবার খোঁজও নেয়নি। আরেকটি কথা বলতে চাই মালিকের দেওয়া তালা
আমরা ব্যবহার করতাম। কোথাও গেলে তাকে চাবি দিয়ে যেত হতো। কাগজের সূত্র ধরে বাড়ির মালিক আমাদের সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন। প্রবাস করে অনেক কষ্টে স্বর্ণগুলো করেছি। দ্রুত অপরাধীকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার অনুরোধ করছি প্রশাসনের কাছে।’



