ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইসরায়েলি অস্ত্র কোম্পানির স্বার্থ রক্ষায় ফিলিস্তিনপন্থি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কিংস-অক্সফোর্ড কর্তৃপক্ষের
অর্থনৈতিক বিপর্যয়: এনপিএল খাতে বৈশ্বিক তালিকার শীর্ষে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন, দ্বিতীয় বাংলাদেশ
জুলাইযোদ্ধার নতুন আবেদনের ২০০টি ভুয়া, ৬০০টির তথ্য বিকৃতিসহ মিলেছে অনিয়ম-অসংগতি
‘ইসলামিক রিপাবলিক অভ জাপান আমাদের ওপর ১১১টি মিসাইল ছুড়েছে’, বললেন ট্রাম্প
১৫ রোগীকে হত্যার দায়ে জার্মান চিকিৎসকের যাবজ্জীবন, আরও হত্যাকাণ্ডের সন্দেহ
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে হামলা, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের
ন্যাটো সম্মেলনের আগেই যুক্তরাষ্ট্রকে পাশ কাটিয়ে ৯০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তি কানাডা-ইউরোপের
মিগ-২১ যুদ্ধবিমানকে চিরবিদায় জানাতে চলেছে ভারত
ছয় দশকেরও বেশি সময় পর এবার ভারতীয় বিমানবাহিনী চিরবিদায় জানাবে ‘মিগ’ বিমানকে। বর্তমানে ২৩ নম্বর ‘প্যান্থার্স’ স্কোয়াড্রনের অন্তর্ভুক্ত ‘মিগ টোয়েন্টি ওয়ান’ শেষবারের মতো দেশটির আকাশে উড়বে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর।
ভারতে মিগ টোয়েন্টি ওয়ানের যাত্রা শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কয়েক বছর আগে গঠিত হওয়া ভারতের ২৮ নম্বর ‘ফার্স্ট সুপারসনিকস’ স্কোয়াড্রন দিয়ে। রাশিয়ার তৈরি এই ‘মিকোয়ান গুরেভিচ’ বা মিগ বিমান প্রথম ভারতে আসে ১৯৬৩ সালে। গত সোমবার বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর যে এফ-৭ বিমান ঢাকায় বিধ্বস্ত হয়, সেটি এই মিগ টোয়েন্টি ওয়ানেরই প্রতিরূপ, যা চীনের তৈরি। বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে এসব তথ্য বলা হয়।
ভারতের বিমানবাহিনীর ওয়েবসাইটে বলা হয়, ১৯৬২ সালের আগস্ট মাসে এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া
হয়েছিল। ফলে পরবর্তী কয়েক দশকে ভারতীয় বিমানবাহিনীর রূপ ও শক্তিতে নিবিড় বদল ঘটেছিল। এক চুক্তির মাধ্যমে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে যুদ্ধবিমান এবং ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম বহরটি আনে ভারত সরকার। সেই দফায় কেনা ১২টি মিগ টোয়েন্টি ওয়ানই ছিল ভারতের প্রথম ‘অ-পশ্চিমা’ যুদ্ধবিমান। ভারতেই যাতে এই বিমানগুলো উৎপাদন করা যায়, সে জন্য সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে কারিগরি সহায়তাও পেয়েছিল দেশটি। মিগ সিরিজের বিমানই ছিল ভারতের হাতে আসা প্রথম সুপারসনিক (শব্দের চেয়েও দ্রুত) যুদ্ধবিমান। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ, একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ কিংবা ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধে মিগ ব্যবহার করেছে ভারতীয় বিমানবাহিনী। ২০১৯ সালে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে যখন ভারত ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ চালিয়েছিল, সে সময় বিধ্বস্ত
হওয়া বিমানটিও ছিল মিগ। এমনকি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সর্বশেষ ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলাকালে মিগ বিমান স্কোয়াড্রনকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছিল। গত ৬০ বছরেরও বেশি সময়ে ভারতীয় বিমানবাহিনী ৮৭০টি মিগ বিমান ব্যবহার করেছে। ব্যবহারের শুরুতেই ১৯৬৩ সালে দুটি মিগ বিধ্বস্ত হয়েছিল। ভারতে গত ১৫ বছরে ২০টি মিগ বিমান দুর্ঘটনায় পড়ে। বেশি দুর্ঘটনায় পড়ার কারণে মিগ টোয়েন্টি ওয়ানকে ‘কফিন-মেকার’ বা ‘উইডো-মেকার’ বলা হয়।
হয়েছিল। ফলে পরবর্তী কয়েক দশকে ভারতীয় বিমানবাহিনীর রূপ ও শক্তিতে নিবিড় বদল ঘটেছিল। এক চুক্তির মাধ্যমে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে যুদ্ধবিমান এবং ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম বহরটি আনে ভারত সরকার। সেই দফায় কেনা ১২টি মিগ টোয়েন্টি ওয়ানই ছিল ভারতের প্রথম ‘অ-পশ্চিমা’ যুদ্ধবিমান। ভারতেই যাতে এই বিমানগুলো উৎপাদন করা যায়, সে জন্য সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে কারিগরি সহায়তাও পেয়েছিল দেশটি। মিগ সিরিজের বিমানই ছিল ভারতের হাতে আসা প্রথম সুপারসনিক (শব্দের চেয়েও দ্রুত) যুদ্ধবিমান। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ, একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ কিংবা ১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধে মিগ ব্যবহার করেছে ভারতীয় বিমানবাহিনী। ২০১৯ সালে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে যখন ভারত ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ চালিয়েছিল, সে সময় বিধ্বস্ত
হওয়া বিমানটিও ছিল মিগ। এমনকি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সর্বশেষ ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলাকালে মিগ বিমান স্কোয়াড্রনকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছিল। গত ৬০ বছরেরও বেশি সময়ে ভারতীয় বিমানবাহিনী ৮৭০টি মিগ বিমান ব্যবহার করেছে। ব্যবহারের শুরুতেই ১৯৬৩ সালে দুটি মিগ বিধ্বস্ত হয়েছিল। ভারতে গত ১৫ বছরে ২০টি মিগ বিমান দুর্ঘটনায় পড়ে। বেশি দুর্ঘটনায় পড়ার কারণে মিগ টোয়েন্টি ওয়ানকে ‘কফিন-মেকার’ বা ‘উইডো-মেকার’ বলা হয়।



