মালয়েশিয়ায় কর্মী রফতানিতে চরম ধস: শেখ হাসিনার আমলে ৩.৫ লাখের বিপরীতে ইউনুসের সময়ে গেলেন মাত্র ২,৬৭০ জন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩ নভেম্বর, ২০২৫

মালয়েশিয়ায় কর্মী রফতানিতে চরম ধস: শেখ হাসিনার আমলে ৩.৫ লাখের বিপরীতে ইউনুসের সময়ে গেলেন মাত্র ২,৬৭০ জন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩ নভেম্বর, ২০২৫ |
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মী রফতানির ক্ষেত্রে ভয়াবহ পতন লক্ষ্য করা গেছে। সাম্প্রতিক সরকারি তথ্যে দেখা যাচ্ছে, পূর্ববর্তী সরকারের শেষ এক বছরে যেখানে তিন লক্ষাধিক কর্মী মালয়েশিয়াতে কর্মসংস্থান পেয়েছিলেন, সেখানে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের (ইউনুসের আমল) সময়ে এই সংখ্যা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের শেষ এক বছরে ২০২৩ সালের হিসাব অনুযায়ী মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে মোট ৩,৫১,৬৮৩ জন কর্মী পাঠানো সম্ভব হয়েছিল। এই বিশাল কর্মীর বহর দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ ও বেকারত্ব নিরসনে বড় ভূমিকা রেখেছিল। তবে, সরকার পরিবর্তনের পর পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে পাল্টে যায়। ইউনুসের আমলে চলতি বছর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১১ মাসে, মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের

সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২,৬৭০ জন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই দুটি পরিসংখ্যানের মধ্যেকার বিশাল পার্থক্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশের জন্য একটি "ব্যাপক পতনের" স্পষ্ট প্রমাণ। এক বছরের ব্যবধানে কর্মী রফতানির হার প্রায় ৯৯ শতাংশ কমে যাওয়ায় শ্রমবাজার সংশ্লিষ্টরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। শ্রম ও জনশক্তি রফতানি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এত বড় পতনের প্রধান কারণ হলো নতুন করে শ্রমিক প্রেরণের প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়া, কূটনৈতিক জটিলতা এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নীতিগত দুর্বলতা। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের ব্যাপক চাহিদা থাকা সত্ত্বেও এই ধস দেশের অর্থনীতি ও রেমিট্যান্স প্রবাহের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কর্মী রফতানির এই নিম্নমুখী ধারা অব্যাহত থাকলে, বেকারত্ব আরও বাড়বে এবং মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে অন্যতম

প্রধান শ্রমবাজারটি হাতছাড়া হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। তারা দ্রুত কূটনৈতিক তৎপরতা ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নতুন প্রেমে পড়েছেন প্রভা? হাম উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে যেসব কারণে খালাস পেলেন ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী তামিমা বিশ্বকাপে প্রথম মুখোমুখি হতে পারেন মেসি-রোনালদো সাইবার সুরক্ষা আইনে কন্টেন্ট অপসারণসহ যেসব বড় পরিবর্তন আসছে আ.লীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেফতার কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী বয়স, লিগ ও তারকার হিসাব-নিকাশে বিশ্বকাপের চিত্র যেমন তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয়