ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঝরল ৩২টি প্রাণ: পাহাড়ধস ও ভাঙা বেড়িবাঁধে বাঁশখালীর এক লাখ মানুষের নির্ঘুম রাত
২৯৭ জনের প্রকল্পে কাজ করেন ৫০ জন, বাকিরা ভুয়া! সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক হরিলুট
দুর্নীতি ও ব্যর্থতায় জর্জরিত পাকিস্তানি সিটি প্রকল্পকে অনুসরণের পরিকল্পনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
তীব্র জ্বালানি সংকটে আরও কয়েকশ কারখানা বন্ধের পথে
অর্থনীতিতে এশিয়ার ইমার্জিং টাইগার বাংলাদেশ এখন উগান্ডা-ঘানারও পেছনে, বৈদেশিক বিনিয়োগে চরম খরা
সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮
মাদক ও নারী সংক্রান্ত দ্বন্দ্বে এনসিপি নেতা মোতালেব গুলিবিদ্ধ
খুলনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতা মোতালেব শিকদারকে গুলির ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে। প্রাথমিক তদন্ত ও ঘটনাস্থলের আলামত বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানিয়েছে, মাদক এবং নারী সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করেই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জেলা যুবশক্তির ১ নম্বর যুগ্ম সদস্যসচিব তনিমা ওরফে তন্বীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
পুলিশ জানায়, গত সোমবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকায় তন্বীর নিজস্ব বাসভবনে হামলার শিকার হন মোতালেব শিকদার। তিনি এনসিপির শ্রমিক সংগঠন ‘শ্রমিকশক্তি’র কেন্দ্রীয় সংগঠক ও বিভাগীয় কমিটির আহ্বায়ক। একটি পিস্তল থেকে ছোঁড়া গুলি মোতালেব শিকদারের কানকে এফোঁড়-ওফোঁড় করে বেরিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার
করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যে বাসায় হামলার ঘটনা ঘটেছে সেখানে মাদক সেবন এবং নারীসঙ্গের স্পষ্ট আলামত পাওয়া গেছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, অভ্যন্তরীণ কোনো বিরোধ বা অনৈতিক লেনদেন নিয়ে সৃষ্ট গোলযোগ থেকেই এই গুলির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর সোমবার রাতে মহানগরীর টুটপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তনিমা ওরফে তন্বীকে আটক করে ডিবি পুলিশ। খুলনা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক তৈমুর ইসলাম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, “আক্রান্ত ও হামলাকারী উভয়ের মধ্যেই পূর্বপরিচয় ছিল। ঠিক কী কারণে এবং কার হাতে এই হামলা হয়েছে, তা নিশ্চিত হতে তন্বীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।”
করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যে বাসায় হামলার ঘটনা ঘটেছে সেখানে মাদক সেবন এবং নারীসঙ্গের স্পষ্ট আলামত পাওয়া গেছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, অভ্যন্তরীণ কোনো বিরোধ বা অনৈতিক লেনদেন নিয়ে সৃষ্ট গোলযোগ থেকেই এই গুলির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর সোমবার রাতে মহানগরীর টুটপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তনিমা ওরফে তন্বীকে আটক করে ডিবি পুলিশ। খুলনা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক তৈমুর ইসলাম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, “আক্রান্ত ও হামলাকারী উভয়ের মধ্যেই পূর্বপরিচয় ছিল। ঠিক কী কারণে এবং কার হাতে এই হামলা হয়েছে, তা নিশ্চিত হতে তন্বীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।”



