ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যে দেশে মাইক্রোক্রেডিট ব্যবসায়ী প্রধান উপদেষ্টা, সেখানে মানুষ ঋণের দায়ে মরবেই
ইউনূস ম্যাজিকে এখন বিশ্বের সপ্তম দুর্বল পাসপোর্ট বাংলাদেশের
শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই ক্ষমতায় ফিরবে আওয়ামী লীগ: হাসান মাহমুদ OHCHR প্রতিবেদনকে পক্ষপাতদুষ্ট’ আখ্যা
দুর্নীতির পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন সময়ের নায়ক তারেক রহমান, এখন রাষ্ট্রনায়ক বানানোর অপচেষ্টা
৪০ বছরের রেকর্ড, রাজস্ব আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি, দেশ দেউলিয়া হওয়ার পথে
ইউনুস সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় জাতিসংঘকে ব্যবহার করে সত্য আড়াল: ওএইচসিএইচআর রিপোর্টকে ‘মনগড়া ও ইউনুসপ্রীতি আইসিআরএফ
আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন নয়, নামসর্বস্ব প্রহসন : আন্তর্জাতিক সতর্কতা
মাটিরাঙ্গায় বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ, পেছনে নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব ও পুরনো অভিযোগ
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় বিএনপির দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে চারজন আহত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দলটির অভ্যন্তরীণ কোন্দল আবারও প্রকাশ্যে এসেছে। স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতাকর্মীর অভিযোগ, জেলা বিএনপির প্রভাবশালী নেতা ওয়াদুদ ভূঁইয়ার অনুসারীদের আধিপত্য বিস্তার ও অভ্যন্তরীণ বিরোধ থেকেই এই সহিংসতার সূত্রপাত।
সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে মাটিরাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজালাল কাজল গ্রুপ এবং সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম পাটোয়ারী গ্রুপ। আহতদের মধ্যে রানা (পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব) ও রাব্বি (মাটিরাঙ্গা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক) খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আরও দুজন মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সন্ধ্যার পর পৌর শহরের মুসলিম পাড়া, হাসপাতাল গেট এবং মাটিরাঙ্গা বাজারের হলুদ গলির মোড়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ
হয়। লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এখনো এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। স্থানীয় বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই মাটিরাঙ্গায় দলীয় পদ ও সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের পেছনে জেলা পর্যায়ের কিছু নেতার ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে ওয়াদুদ ভূঁইয়ার নাম উঠে আসছে বারবার। বিএনপির স্থানীয় এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “দলীয় শৃঙ্খলার বাইরে গিয়ে এলাকাভিত্তিক গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। এতে সাধারণ কর্মীরা চাপে থাকেন, প্রতিবাদ করলেই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়তে হয়।” ওয়াদুদ ভূঁইয়াকে ঘিরে খাগড়াছড়ি জেলায় এর আগেও সহিংসতা, আধিপত্য বিস্তার এবং অর্থনৈতিক সুবিধা
আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বলে দাবি করেন স্থানীয় রাজনৈতিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। বিএনপির শাসনামলে তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষ দমনে সহিংসতা, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় এবং দলীয় পদ বাণিজ্যের অভিযোগ বিভিন্ন সময় আলোচনায় আসে। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত কোনো রায়ের তথ্য এই প্রতিবেদক নিশ্চিত করতে পারেননি, তবে স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক সূত্র বলছে, এসব অভিযোগ দলটির ভাবমূর্তিকে বারবার প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। একজন প্রবীণ রাজনীতিক বলেন, “দল ক্ষমতায় থাকাকালে অনেক কিছু চাপা ছিল। এখন সেই পুরনো ক্ষত আবার সামনে চলে আসছে। এই বিষয়ে জেলা বিএনপির নেতা ওয়াদুদ ভূঁইয়ার বক্তব্য জানতে একাধিকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। মাটিরাঙ্গা পৌর বিএনপির
দুই পক্ষের নেতারাও আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি। এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সহিংসতার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় শৃঙ্খলা ও অভ্যন্তরীণ জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে এ ধরনের সংঘর্ষ শুধু সংগঠনকেই দুর্বল করবে না, পাহাড়ি অঞ্চলের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
হয়। লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এখনো এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। স্থানীয় বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই মাটিরাঙ্গায় দলীয় পদ ও সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের পেছনে জেলা পর্যায়ের কিছু নেতার ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে ওয়াদুদ ভূঁইয়ার নাম উঠে আসছে বারবার। বিএনপির স্থানীয় এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “দলীয় শৃঙ্খলার বাইরে গিয়ে এলাকাভিত্তিক গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। এতে সাধারণ কর্মীরা চাপে থাকেন, প্রতিবাদ করলেই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়তে হয়।” ওয়াদুদ ভূঁইয়াকে ঘিরে খাগড়াছড়ি জেলায় এর আগেও সহিংসতা, আধিপত্য বিস্তার এবং অর্থনৈতিক সুবিধা
আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বলে দাবি করেন স্থানীয় রাজনৈতিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। বিএনপির শাসনামলে তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষ দমনে সহিংসতা, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় এবং দলীয় পদ বাণিজ্যের অভিযোগ বিভিন্ন সময় আলোচনায় আসে। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত কোনো রায়ের তথ্য এই প্রতিবেদক নিশ্চিত করতে পারেননি, তবে স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক সূত্র বলছে, এসব অভিযোগ দলটির ভাবমূর্তিকে বারবার প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। একজন প্রবীণ রাজনীতিক বলেন, “দল ক্ষমতায় থাকাকালে অনেক কিছু চাপা ছিল। এখন সেই পুরনো ক্ষত আবার সামনে চলে আসছে। এই বিষয়ে জেলা বিএনপির নেতা ওয়াদুদ ভূঁইয়ার বক্তব্য জানতে একাধিকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। মাটিরাঙ্গা পৌর বিএনপির
দুই পক্ষের নেতারাও আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি। এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সহিংসতার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় শৃঙ্খলা ও অভ্যন্তরীণ জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে এ ধরনের সংঘর্ষ শুধু সংগঠনকেই দুর্বল করবে না, পাহাড়ি অঞ্চলের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।



