ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আমার মা বিক্ষোভকারীদের হত্যায় রাজি হলে এখনো ক্ষমতায় থাকতেন: সজীব ওয়াজেদ
জামায়াতকে ভোটে জেতানোর মার্কিন কূটচাল ফাঁস
বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ৫ দফা দিলেন শেখ হাসিনা
ইউনুসের দুর্নিবার লোভ ও অব্যবস্থাপনায় রমজানে শুরু হচ্ছে ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকট
নামসর্বস্ব নির্বাচনের নাটকে কোটিপতি ক্লাব: ইউনুসের অবৈধ শাসনের স্বরূপ
সীমান্তে অস্ত্রের ঝনঝনানি, ঢাকায় ইউনুসের নাকে তেল দিয়ে ঘুম!
জুলাইয়ের হত্যাযজ্ঞের ওপর দাঁড়িয়ে ইউনুসের সংস্কারের ফাঁপা বুলি
ভারতে থেকেও ‘দেশে অপরাধ’: মিথ্যে মামলার বলি সাদ্দামের পরিবার
পাসপোর্টে প্রমাণ - মামলার এজাহারে উল্লেখিত অপরাধের সময়ে সাদ্দাম চিকিৎসার জন্য ভারতে অবস্থান করছিলেন।
ইমিগ্রেশন সিল - ১০ জুলাই ২০২৪ ভারতে প্রবেশের সিল রয়েছে পাসপোর্টে, অথচ আগস্টের ঘটনায় তাকে আসামি করা হয়েছে।
আইনি লঙ্ঘন - উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পরও বারবার গ্রেফতার এবং একই অপরাধে একাধিকবার আটকের (ডাবল জিওপার্ডি) অভিযোগ।
চরম পরিণতি - বিনা অপরাধে মাসের পর মাস কারাগারে থাকায় তৈরি হওয়া আর্থিক ও মানসিক সংকটে স্ত্রী-সন্তানের আত্মাহুতি।
অপরাধ সংগঠনের সময় তিনি দেশে ছিলেন না, ছিলেন প্রতিবেশী দেশ ভারতে চিকিৎসার জন্য। পাসপোর্টে স্পষ্ট ইমিগ্রেশন সিল এবং ভিসা থাকার পরও দেশে নাশকতার মামলায় আসামি করা হয় তাকে। আর এই ‘মিথ্যে’ মামলার জাঁতাকলে পিষ্ট হয়েই
কি শেষ পর্যন্ত প্রাণ দিতে হলো বাগেরহাটের ছাত্রলীগ কর্মী জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে? যশোরের কারাফটকে স্ত্রী-সন্তানের লাশের সামনে সাদ্দামের ২ মিনিটের নির্বাক উপস্থিতি এমন হাজারো প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে। মামলার নথিপত্রে দেখা যায়, সাদ্দামের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে সংঘটিত একটি অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। অথচ তার পাসপোর্ট ও ট্রাভেল ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলছে। ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশন (খুলনা) থেকে ইস্যুকৃত মেডিক্যাল ভিসা (ভিসা নং- ১৬ জুন ২০২৪ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত বৈধ) নিয়ে তিনি দেশ ত্যাগ করেন। পাসপোর্টের ইমিগ্রেশন স্ট্যাম্প অনুযায়ী, তিনি ২০২৪ সালের ১০ জুলাই হরিদাসপুর চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। অর্থাৎ, যখন তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে
অপরাধ সংগঠনের অভিযোগ আনা হয়, তখন তিনি শারীরিকভাবে দেশেই ছিলেন না। এরপর সেপ্টেম্বর মাসেও তিনি পুনরায় চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। সাদ্দামের আইনজীবীদের মতে, প্রশাসন ছাত্রলীগ কর্মীদের গ্রেফতারে এতটাই বেপরোয়া ছিল যে আইনি নীতিনৈমত্তিকতার তোয়াক্কা করা হয়নি। সাদ্দামকে একবার গ্রেফতারের পর জামিন মিললেও জেলগেট থেকে পুনরায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট ডিভিশন) থেকে জামিন পাওয়ার পরও তাকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। একই ধরনের অভিযোগে বারবার গ্রেফতার বা বিচার করা ‘ডাবল জিওপার্ডি’ নীতির স্পষ্ট লঙ্ঘন। সাদ্দামের ক্ষেত্রে মোট ৫টি মামলায় তাকে ধারাবাহিকভাবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। সাদ্দামের পরিবারের দাবি, মাসের পর মাস এই আইনি হয়রানি ও কারাগারে থাকার ফলে পরিবারটি চরম আর্থিক ও মানসিক সংকটে
পড়ে। আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গত ২৩ জানুয়ারি সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী তার ৯ মাসের শিশু সন্তান শেহজাদ হোসেন নজিবকে বিষ খাইয়ে হত্যা করে নিজেও আত্মহত্যা করেন। বিশ্লেষকদের মতে, যদি সাদ্দামের বিরুদ্ধে এই ‘গায়েবি’ বা ভিত্তিহীন মামলা না হতো এবং তিনি স্বাভাবিক জীবনে থাকার সুযোগ পেতেন, তবে হয়তো আজ এই মর্মান্তিক ট্রাজেডি দেখতে হতো না। মানবাধিকার সংগঠনগুলো রাজনৈতিক বিবেচনায় এমন ঢালাও গ্রেফতার ও মামলার ব্যাপারে নিশ্চুপ থাকায় জনমনে ক্ষোভ আরও ঘনীভূত হয়েছে।
কি শেষ পর্যন্ত প্রাণ দিতে হলো বাগেরহাটের ছাত্রলীগ কর্মী জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে? যশোরের কারাফটকে স্ত্রী-সন্তানের লাশের সামনে সাদ্দামের ২ মিনিটের নির্বাক উপস্থিতি এমন হাজারো প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে। মামলার নথিপত্রে দেখা যায়, সাদ্দামের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে সংঘটিত একটি অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। অথচ তার পাসপোর্ট ও ট্রাভেল ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলছে। ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশন (খুলনা) থেকে ইস্যুকৃত মেডিক্যাল ভিসা (ভিসা নং- ১৬ জুন ২০২৪ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত বৈধ) নিয়ে তিনি দেশ ত্যাগ করেন। পাসপোর্টের ইমিগ্রেশন স্ট্যাম্প অনুযায়ী, তিনি ২০২৪ সালের ১০ জুলাই হরিদাসপুর চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। অর্থাৎ, যখন তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে
অপরাধ সংগঠনের অভিযোগ আনা হয়, তখন তিনি শারীরিকভাবে দেশেই ছিলেন না। এরপর সেপ্টেম্বর মাসেও তিনি পুনরায় চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। সাদ্দামের আইনজীবীদের মতে, প্রশাসন ছাত্রলীগ কর্মীদের গ্রেফতারে এতটাই বেপরোয়া ছিল যে আইনি নীতিনৈমত্তিকতার তোয়াক্কা করা হয়নি। সাদ্দামকে একবার গ্রেফতারের পর জামিন মিললেও জেলগেট থেকে পুনরায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট ডিভিশন) থেকে জামিন পাওয়ার পরও তাকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। একই ধরনের অভিযোগে বারবার গ্রেফতার বা বিচার করা ‘ডাবল জিওপার্ডি’ নীতির স্পষ্ট লঙ্ঘন। সাদ্দামের ক্ষেত্রে মোট ৫টি মামলায় তাকে ধারাবাহিকভাবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। সাদ্দামের পরিবারের দাবি, মাসের পর মাস এই আইনি হয়রানি ও কারাগারে থাকার ফলে পরিবারটি চরম আর্থিক ও মানসিক সংকটে
পড়ে। আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গত ২৩ জানুয়ারি সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী তার ৯ মাসের শিশু সন্তান শেহজাদ হোসেন নজিবকে বিষ খাইয়ে হত্যা করে নিজেও আত্মহত্যা করেন। বিশ্লেষকদের মতে, যদি সাদ্দামের বিরুদ্ধে এই ‘গায়েবি’ বা ভিত্তিহীন মামলা না হতো এবং তিনি স্বাভাবিক জীবনে থাকার সুযোগ পেতেন, তবে হয়তো আজ এই মর্মান্তিক ট্রাজেডি দেখতে হতো না। মানবাধিকার সংগঠনগুলো রাজনৈতিক বিবেচনায় এমন ঢালাও গ্রেফতার ও মামলার ব্যাপারে নিশ্চুপ থাকায় জনমনে ক্ষোভ আরও ঘনীভূত হয়েছে।



