ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নির্বাচনে কালো টাকার দৌরাত্ম্য ঠেকাতে মাঠে নামছে দুদক
চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাসে অচলাবস্থা
ভোট দেন না যে গ্রামের নারীরা
অবৈধ ইটভাটায় পুড়ছে কাঠ গিলে খাচ্ছে ফসলি জমি
দরপত্র ছাড়াই ৬১০ কোটি টাকার টিকা কেনা : স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিহীনতার নতুন নজির
ছরে সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা হারিয়ে যাচ্ছে, ইউনুসের অবৈধ সরকারের কিছু যায় আসে না
রক্তাক্ত বাংলাদেশ : যে সন্ত্রাসীদের হাত ধরে ক্ষমতায় এসেছিলেন, তাদেরই দমন করবেন কীভাবে?
ভারতের সাথে বৈরিতা এখনই বন্ধ করুন: ঢাকাকে রাশিয়ার কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা অবিলম্বে প্রশমিত করার জন্য ঢাকাকে স্পষ্ট ভাষায় সতর্কবার্তা দিয়েছে রাশিয়া। বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিভিচ খোজিন দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে জানিয়েছেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা ঢাকার জন্য অপরিহার্য এবং তা করতে হবে— "যত দ্রুত সম্ভব"।
ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় রাষ্ট্রদূত খোজিন একাত্তরের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দিয়ে কড়া বার্তা দেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পেছনে ভারতের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য এবং সেই ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতা ঢাকার ভুলে যাওয়া উচিত নয়।
রাষ্ট্রদূত খোজিন বলেন, “যত দ্রুত আপনারা এই উত্তেজনা কমাবেন, ততই মঙ্গল। কারণ ঐতিহাসিকভাবে, একাত্তরে বাংলাদেশের জন্মের পেছনে ভারতের অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি। রাশিয়াও তখন
এই প্রক্রিয়ায় সমর্থন দিয়েছিল। ভারত, বাংলাদেশ ও রাশিয়া—আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছি।” আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের আগে ঢাকা যখন গণরোষ, সংখ্যালঘু বিক্ষোভ এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার আগুনে পুড়ছে, ঠিক সেই মুহূর্তে রাশিয়ার এই বার্তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রাষ্ট্রদূত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পরিস্থিতির আরও অবনতি রোধে এখনই রাশ টানা প্রয়োজন। ছাত্রনেতা শরীফ ওসমান হাদীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে যে নতুন অস্থিরতা ও ভারত-বিরোধী প্রচারণা শুরু হয়েছে, তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। উল্লেখ্য, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের অন্যতম রূপকার এবং ‘ইনকিলাব মঞ্চ’-এর নেতা শরীফ ওসমান হাদীর মৃত্যুর পর থেকে সংগঠনটি রাজপথে তীব্র ভারত-বিরোধী আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, ভারতের পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি বাংলাদেশের
বর্তমান পরিস্থিতিকে ১৯৭১ সালের পর ভারতের জন্য "সবচেয়ে বড় কৌশলগত দুঃস্বপ্ন" হিসেবে অভিহিত করেছে। শশী থারুরের নেতৃত্বাধীন এই কমিটি তাদের প্রতিবেদনে শঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, শেখ হাসিনার পতন এবং আওয়ামী লীগের বিপর্যয়ের সুযোগে বাংলাদেশে ইসলামপন্থী শক্তির পুনরুত্থান ঘটছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং নতুন প্রজন্মের সাথে ভারতের বিচ্ছিন্নতার সুযোগ নিয়ে চীন ও পাকিস্তান তাদের প্রভাব বিস্তার করছে, যা এই অঞ্চলের ভূ-রাজনীতির জন্য এক অশনি সংকেত।
এই প্রক্রিয়ায় সমর্থন দিয়েছিল। ভারত, বাংলাদেশ ও রাশিয়া—আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছি।” আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের আগে ঢাকা যখন গণরোষ, সংখ্যালঘু বিক্ষোভ এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার আগুনে পুড়ছে, ঠিক সেই মুহূর্তে রাশিয়ার এই বার্তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রাষ্ট্রদূত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পরিস্থিতির আরও অবনতি রোধে এখনই রাশ টানা প্রয়োজন। ছাত্রনেতা শরীফ ওসমান হাদীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে যে নতুন অস্থিরতা ও ভারত-বিরোধী প্রচারণা শুরু হয়েছে, তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। উল্লেখ্য, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের অন্যতম রূপকার এবং ‘ইনকিলাব মঞ্চ’-এর নেতা শরীফ ওসমান হাদীর মৃত্যুর পর থেকে সংগঠনটি রাজপথে তীব্র ভারত-বিরোধী আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, ভারতের পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি বাংলাদেশের
বর্তমান পরিস্থিতিকে ১৯৭১ সালের পর ভারতের জন্য "সবচেয়ে বড় কৌশলগত দুঃস্বপ্ন" হিসেবে অভিহিত করেছে। শশী থারুরের নেতৃত্বাধীন এই কমিটি তাদের প্রতিবেদনে শঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, শেখ হাসিনার পতন এবং আওয়ামী লীগের বিপর্যয়ের সুযোগে বাংলাদেশে ইসলামপন্থী শক্তির পুনরুত্থান ঘটছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং নতুন প্রজন্মের সাথে ভারতের বিচ্ছিন্নতার সুযোগ নিয়ে চীন ও পাকিস্তান তাদের প্রভাব বিস্তার করছে, যা এই অঞ্চলের ভূ-রাজনীতির জন্য এক অশনি সংকেত।



