ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গাঢ় নীল-জলপাই রঙের শার্টে ফিরছে পুলিশ, প্যান্ট হবে খাকি
সংরক্ষিত বনের ভেতরে এলজিইডির রাস্তা: বন বিভাগের আপত্তি উপেক্ষা করে অনড় স্থানীয় সংসদ সদস্য
হামে শিশুমৃত্যুর দায়ে ইউনূস-নুরজাহানের বিচার দাবিতে মহাখালীতে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল
৬ শিশুর মৃত্যুতে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা, ৬ শতাধিক শিশুর খুনিরা দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ায়! ন্যায়বিচার কোথায়?
একসময়ের পানির উৎস, এখন মরণফাঁদ: সাড়ে ৩০০ বছরের ইতিহাস এখন ময়লার ভাগাড়
ছয় দেশের ৭০ জন চিহ্নিত, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আতিউরসহ ১০ কর্মকর্তা
২১১২ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও ৩ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার
ভারতীয় ভিসা বন্ধে বিরূপ প্রভাব ভ্রমণ খাতে
ভারতীয় ভিসা প্রাপ্তিতে নানা প্রতিবন্ধকতায় বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে দুই দেশের মধ্যে একেবারে কমে এসেছে পাসপোর্টধারী চলাচল। এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে ভ্রমণ খাতে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের ক্ষতির পাশাপাশি অচলাবস্থা নেমে এসেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন শিল্পেও।
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) বেনাপোল-পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন ব্যবহার করে ভারতে গেছেন ১৪৭১ জন পাসপোর্টধারী। এর মধ্যে বাংলাদেশি ছিলেন ১ হাজার ১৯৪ জন, ভারতীয় ২৭৪, জাপানের ২ ও একজন পাসপোর্টধারী ছিলেন নেপালের। এদিকে খুলনা-কলকাতা রুটে ‘বন্ধন’ রেলে যাত্রীসেবা এখনও বন্ধ থাকায় নিরাপদ যাতায়াতে বেড়েছে ভোগান্তি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের মতে, বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে যাওয়া বাংলাদেশিদের একটি বড় অংশ যান চিকিৎসা ও দর্শনীয় স্থান ঘুরতে। আর যেসব ভারতীয় নাগরিক
বাংলাদেশে আসেন, তাদের একটি বড় অংশ আসেন কম খরচে মেডিকেল শিক্ষার জন্য। জানা যায়, বর্তমানে দেশের ১০৮টি মেডিকেল কলেজে ১০ হাজারের বেশি বিদেশি অধ্যয়নরত, যাদের বেশিরভাগ ভারতীয়। এছাড়া ট্যুরিস্ট ও ওয়ার্ক ভিসায় দেশে প্রায় ১০ লাখের মতো ভারতীয় চাকরি করছেন। তবে জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভিসা সীমিত ও দু’দেশের মধ্যে রেলপথে যাত্রী সেবা বন্ধ করে দেয় ভারত। বর্তমানে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরলেও নানান অজুহাত দেখিয়ে এখনও স্বাভাবিক ভিসা প্রদান ও রেল পথে বেনাপোল রুটে যাত্রী সেবা বন্ধ রেখেছে মোদি সরকার। এতে একদিকে ভিসা না পেয়ে যাত্রী যাতায়াত যেমন কমে এসেছে, তেমনি স্বাভাবিক সময়ে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর ব্যবহার করে দুদেশের মধ্যে ৮
থেকে ১০ হাজার পাসপোর্টধারী যাতায়াত করলেও এখন তা কমে দেড় হাজারের ঘরে নেমেছে। রহমত আলী নামে ভারতগামী এক পাসপোর্টধারী বলেন, ‘আগের ভিসায় যাচ্ছি। ডিসেম্বরে ভিসা শেষ হয়ে যাবে। ভারতীয়রা ভিসা পেলেও, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে এখনও বাধা সৃষ্টি করছে ভারতীয় দূতাবাস।’ ভারতীয় পাসপোর্টধারী অনিল বিশ্বাস জানান, তাদের ভিসা পেতে বা যাতায়াতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। কিছু মানুষ উসকানিমূলক তথ্য ছড়াচ্ছে। তবে ভিসা বন্ধে বাংলাদেশিদের ভারতে আসা কমে যাওয়ায় কলকাতার হোটেল-রেস্তোরাঁ ও হাসপাতালগুলোয় প্রায় শূন্য অবস্থা। বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জানান, কেবল বেনাপোল রুটে ভ্রমণ খাতে ভিসা ফি বাবদ বাংলাদেশিদের কাছ থেকে বছরে প্রায় ২০০ কোটি টাকা আয় করে থাকে ভারতীয় দূতাবাস।
তবে এখনও ‘বন্ধন’ রেল পরিষেবা বন্ধ থাকায় ভোগান্তি বেড়েছে এপথে যাতায়াতকারী পাসপোর্টধারীদের। এতে, ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্রে দুই দেশেই ক্ষতির শিকার হচ্ছে। ভিসা স্বাভাবিক না থাকায় যাত্রী একেবারে কমে এসেছে বলে জানিয়েছেন বেনাপোল স্থলবন্দর প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের ইনচার্জ আব্দুল হাফিজ।
বাংলাদেশে আসেন, তাদের একটি বড় অংশ আসেন কম খরচে মেডিকেল শিক্ষার জন্য। জানা যায়, বর্তমানে দেশের ১০৮টি মেডিকেল কলেজে ১০ হাজারের বেশি বিদেশি অধ্যয়নরত, যাদের বেশিরভাগ ভারতীয়। এছাড়া ট্যুরিস্ট ও ওয়ার্ক ভিসায় দেশে প্রায় ১০ লাখের মতো ভারতীয় চাকরি করছেন। তবে জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভিসা সীমিত ও দু’দেশের মধ্যে রেলপথে যাত্রী সেবা বন্ধ করে দেয় ভারত। বর্তমানে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরলেও নানান অজুহাত দেখিয়ে এখনও স্বাভাবিক ভিসা প্রদান ও রেল পথে বেনাপোল রুটে যাত্রী সেবা বন্ধ রেখেছে মোদি সরকার। এতে একদিকে ভিসা না পেয়ে যাত্রী যাতায়াত যেমন কমে এসেছে, তেমনি স্বাভাবিক সময়ে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর ব্যবহার করে দুদেশের মধ্যে ৮
থেকে ১০ হাজার পাসপোর্টধারী যাতায়াত করলেও এখন তা কমে দেড় হাজারের ঘরে নেমেছে। রহমত আলী নামে ভারতগামী এক পাসপোর্টধারী বলেন, ‘আগের ভিসায় যাচ্ছি। ডিসেম্বরে ভিসা শেষ হয়ে যাবে। ভারতীয়রা ভিসা পেলেও, বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে এখনও বাধা সৃষ্টি করছে ভারতীয় দূতাবাস।’ ভারতীয় পাসপোর্টধারী অনিল বিশ্বাস জানান, তাদের ভিসা পেতে বা যাতায়াতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। কিছু মানুষ উসকানিমূলক তথ্য ছড়াচ্ছে। তবে ভিসা বন্ধে বাংলাদেশিদের ভারতে আসা কমে যাওয়ায় কলকাতার হোটেল-রেস্তোরাঁ ও হাসপাতালগুলোয় প্রায় শূন্য অবস্থা। বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জানান, কেবল বেনাপোল রুটে ভ্রমণ খাতে ভিসা ফি বাবদ বাংলাদেশিদের কাছ থেকে বছরে প্রায় ২০০ কোটি টাকা আয় করে থাকে ভারতীয় দূতাবাস।
তবে এখনও ‘বন্ধন’ রেল পরিষেবা বন্ধ থাকায় ভোগান্তি বেড়েছে এপথে যাতায়াতকারী পাসপোর্টধারীদের। এতে, ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্রে দুই দেশেই ক্ষতির শিকার হচ্ছে। ভিসা স্বাভাবিক না থাকায় যাত্রী একেবারে কমে এসেছে বলে জানিয়েছেন বেনাপোল স্থলবন্দর প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের ইনচার্জ আব্দুল হাফিজ।



