ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা কোহিনূর মিয়ার বরখাস্তের আদেশ বাতিল
৮২০ মিলিয়ন ডলার আর দশ হাজার চাকরি, দেশ ডুবিয়ে ইউনুসের “সংস্কারের” মূল্য পরিশোধ
প্রতীকী অগ্রগতি নয়, প্রয়োজন বাস্তব ক্ষমতায়ন
চাঁদাবাজি-ছিনতাই, বিএনপি, আর একটি রাষ্ট্রের নৈতিক দেউলিয়াত্ব
৭ই মার্চের ভাষণ বাজানোর “অপরাধে” শিক্ষার্থীর উপর মব হামলা
মুক্তিযুদ্ধকে উদযাপন করা হলে কারা হামলা করে?
মগবাজারে ফার্মেসি মালিককে কুপিয়ে দুর্ধর্ষ ছিনতাই: নেপথ্যে বহিষ্কৃত যুবদল নেতা ‘মাউরা সায়মন’ সিন্ডিকেট
বেতন দিতেই ৫০ হাজার কোটি টাকার ঋণ!
উন্নয়নমূলক কোনো প্রকল্প নয়, বরং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও দৈনন্দিন পরিচালন ব্যয় মেটাতেই প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা (৪ বিলিয়ন ডলার) বিদেশি ঋণ নিয়েছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিদেশি ঋণের এই বিপুল অর্থ উৎপাদনশীল খাতের বদলে অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় হওয়ায় অর্থনীতিবিদদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
যা বলছে ইআরডির প্রতিবেদন:
ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সরকার বিভিন্ন বিদেশি উৎস থেকে মোট প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারই ব্যয় করা হয়েছে সরকারের সাধারণ সেবা ও ‘পরিচালন ব্যয়’ মেটানোর জন্য,
যার বড় অংশই গেছে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানে। বর্তমান ডলার রেট (১ ডলার = ১২১.৬৪ টাকা) অনুযায়ী এই ৪ বিলিয়ন ডলারকে টাকায় রূপান্তর করলে তা দাঁড়ায় ৪৮ হাজার ৬৫৬ কোটি টাকা, যা প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি। বাজেট সহায়তার নামে বিপুল ঋণ: জানা গেছে, বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) মতো বিদেশি দাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে এই অর্থ 'বাজেট সহায়তা' (Budget Support) হিসেবে নেওয়া হয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ এ পর্যন্ত মোট ১৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা পেয়েছে। এর মধ্যে কেবল বর্তমান সরকারের আমলেই নেওয়া হয়েছে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার। অর্থনীতিবিদদের উদ্বেগ ও সমালোচনা: বিদেশি ঋণের অর্থ দিয়ে দৈনন্দিন
পরিচালন ব্যয় ও কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার এই ঘটনাকে অনেক বিশ্লেষক আর্থিক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা হিসেবে দেখছেন। অর্থনীতিবিদদের মতে, বিদেশি ঋণ সবসময় উৎপাদনশীল খাতে বা দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করা উচিত, যাতে সেখান থেকে অর্জিত মুনাফা দিয়ে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা যায়। তা না করে দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে ঋণ নিলে ভবিষ্যতে দেশের ওপর ঋণের বোঝা বাড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদে তা কঠিন ঋণফাঁদের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ভিন্নমত ও রিজার্ভ রক্ষার যুক্তি: তবে এই ঋণের পক্ষে ভিন্ন যুক্তিও রয়েছে। পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম. মাসরুর রিয়াজের মতো বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই বিপুল পরিমাণ বাজেট সহায়তা নেওয়ার পেছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশের তলানিতে থাকা বৈদেশিক মুদ্রার
রিজার্ভকে দ্রুত স্থিতিশীল করা। সরকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) ব্যয় কমিয়ে এই ডলার সরাসরি রিজার্ভে যোগ করার কৌশল নিয়েছিল। সব মিলিয়ে, উন্নয়ন খাতের বদলে সরকারি বেতন-ভাতা ও পরিচালন ব্যয়ে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার বিদেশি ঋণ ব্যবহারের খবরটি বর্তমানে দেশের অর্থনৈতিক মহলে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। আগামীতে এই বিপুল পরিমাণ ঋণের কিস্তি দেশের অর্থনীতির ওপর কেমন চাপ তৈরি করে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
যার বড় অংশই গেছে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানে। বর্তমান ডলার রেট (১ ডলার = ১২১.৬৪ টাকা) অনুযায়ী এই ৪ বিলিয়ন ডলারকে টাকায় রূপান্তর করলে তা দাঁড়ায় ৪৮ হাজার ৬৫৬ কোটি টাকা, যা প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি। বাজেট সহায়তার নামে বিপুল ঋণ: জানা গেছে, বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) মতো বিদেশি দাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে এই অর্থ 'বাজেট সহায়তা' (Budget Support) হিসেবে নেওয়া হয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ এ পর্যন্ত মোট ১৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা পেয়েছে। এর মধ্যে কেবল বর্তমান সরকারের আমলেই নেওয়া হয়েছে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার। অর্থনীতিবিদদের উদ্বেগ ও সমালোচনা: বিদেশি ঋণের অর্থ দিয়ে দৈনন্দিন
পরিচালন ব্যয় ও কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার এই ঘটনাকে অনেক বিশ্লেষক আর্থিক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা হিসেবে দেখছেন। অর্থনীতিবিদদের মতে, বিদেশি ঋণ সবসময় উৎপাদনশীল খাতে বা দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করা উচিত, যাতে সেখান থেকে অর্জিত মুনাফা দিয়ে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা যায়। তা না করে দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে ঋণ নিলে ভবিষ্যতে দেশের ওপর ঋণের বোঝা বাড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদে তা কঠিন ঋণফাঁদের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ভিন্নমত ও রিজার্ভ রক্ষার যুক্তি: তবে এই ঋণের পক্ষে ভিন্ন যুক্তিও রয়েছে। পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম. মাসরুর রিয়াজের মতো বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই বিপুল পরিমাণ বাজেট সহায়তা নেওয়ার পেছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশের তলানিতে থাকা বৈদেশিক মুদ্রার
রিজার্ভকে দ্রুত স্থিতিশীল করা। সরকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) ব্যয় কমিয়ে এই ডলার সরাসরি রিজার্ভে যোগ করার কৌশল নিয়েছিল। সব মিলিয়ে, উন্নয়ন খাতের বদলে সরকারি বেতন-ভাতা ও পরিচালন ব্যয়ে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার বিদেশি ঋণ ব্যবহারের খবরটি বর্তমানে দেশের অর্থনৈতিক মহলে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। আগামীতে এই বিপুল পরিমাণ ঋণের কিস্তি দেশের অর্থনীতির ওপর কেমন চাপ তৈরি করে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।



