ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
“সয়াবিন সকাল বেলা ১৫০ টাকা, বিকালে ২০০ টাকা; পেয়াজের কেজি সকালে ৪০ বিকালে ৭০; বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারতেছে না” –জনতার দুর্ভোগ
ড. ইউনুসের অবৈধ শাসন অর্জন ধ্বংসের রাজনীতি – ১৭ মাসে বাংলাদেশকে অনিশ্চয়তার খাদে ঠেলে দেওয়া হয়েছে
এই দেশটি যদি অনিরাপদ হয়ে যায় তাহলে বিদেশি নাগরিকদের কিছু হবে না, সমস্ত ক্ষতি আমাদেরই হবে” –জনতার কন্ঠ
বিদেশি টাকা, জঙ্গি সমর্থন আর সংখ্যালঘু নিপীড়ন : ইউনুসের ক্ষমতার ত্রিমুখী ভিত্তি
জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব কর্মকর্তাকে হত্যা,জঙ্গী-সন্ত্রাসী দমনে অবৈধ ইউনূস গংয়ের অনীহা স্পষ্ট!
জেল গেটের এপার-ওপার : নির্যাতনের অন্ধকারে নিমজ্জিত ইউনুসের বাংলাদেশ ২.০
জামিন মিললেও মুক্তি নেই, নতুন গায়েবী মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়: জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণেও পায়ে শিকল, হাসপাতালে ডান্ডাবেড়ি ও হাতকড়া পরা যুবলীগ নেতা মাসুম
বিলিয়ন ডলারের ঢাক ভেঙে কমিশনের ভিক্ষা: বিনিয়োগ আনতে প্রণোদনায় নামল ইউনুস সরকার
২০২৫ সালের এপ্রিলে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন, বিদেশি অতিথি আর বড় বড় প্রতিশ্রুতি—সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২৫ সরকার প্রচার করেছিল ‘বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ বিপ্লব’ হিসেবে। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস ও তাঁর সহকর্মীরা তখন দাবি করেছিলেন, এই সামিট বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক বিনিয়োগের নতুন যুগের সূচনা করবে।
সরকারি ভাষ্যমতে, সামিটে বিশ্বের ৪২টি দেশ থেকে ৪০০–এর বেশি বিনিয়োগকারী অংশ নেন এবং প্রায় ২৬০ মিলিয়ন ডলারের (প্রায় ৩,১০০ কোটি টাকা) বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি আসে। এর মধ্যে চীনা প্রতিষ্ঠান হান্ডা ইন্ডাস্ট্রিজের ১৫০ মিলিয়ন ডলারের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ছিল সবচেয়ে বড় সাফল্য। সরকার দাবি করেছিল, মাত্র ১.৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এত বড় বিনিয়োগ আশ্বাস আদায় করা হয়েছে, যা
তাদের ভাষায় ছিল ‘অভূতপূর্ব সাফল্য’। কিন্তু এক বছর না যেতেই সেই সাফল্যের গল্প এখন প্রশ্নের মুখে। অর্থনীতিবিদদের মতে, সামিটে পাওয়া অধিকাংশ প্রতিশ্রুতি আজও কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ। বাস্তব বিনিয়োগে রূপ নেওয়ার কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। এই বাস্তবতার মধ্যেই নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিআইডিএ)-এর গভর্নিং বোর্ডের বৈঠক। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্বয়ং প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস। সেখানেই নেওয়া হয় এক ব্যতিক্রমী ও বিতর্কিত সিদ্ধান্ত— প্রবাসী বাংলাদেশিরা (এনআরবি) যদি বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) আনতে সহায়তা করেন, তবে সরকার বিনিয়োগের মোট অঙ্কের ১.২৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দেবে। অর্থাৎ, কেউ যদি ১০০ মিলিয়ন ডলারের ইকুইটি বিনিয়োগ আনতে সহায়তা করেন,
তাহলে তিনি পাবেন ১.২৫ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৫ কোটি টাকা নগদ প্রণোদনা। এই কাঠামোটি রেমিট্যান্স প্রণোদনার আদলেই করা হচ্ছে। এই ঘোষণার পরই অর্থনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—যেখানে একসময় ‘বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ বিপ্লব’-এর ঢাক পেটানো হয়েছিল, সেখানে এখন কেন বিনিয়োগ আনতে ‘কমিশন’ ঘোষণা করতে হচ্ছে? তথ্য বলছে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট এফডিআই প্রবাহ ছিল মাত্র ১.৭ বিলিয়ন ডলার। এর বড় অংশই নতুন বিনিয়োগ নয়; বরং রি-ইনভেস্টেড আয় ও ইন্ট্রা-কোম্পানি লোন। সামিট-পরবর্তী সময়ে নতুন কোনো বড় শিল্পপ্রকল্প বা মেগা বিনিয়োগের দৃশ্যমান বাস্তবায়ন এখনো চোখে পড়েনি। উল্টো চিত্রটাই বেশি স্পষ্ট—বিদেশি ঋণ বেড়েছে, রাজস্ব ঘাটতি কমেনি, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ অব্যাহত রয়েছে, আর বড় বিনিয়োগকারীরা এখনো ‘ওয়েট অ্যান্ড
সি’ নীতিতে আটকে আছে। এই অবস্থায় নগদ প্রণোদনার ঘোষণা অনেকের কাছেই সরকারের ব্যর্থতা ঢাকার মরিয়া চেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। কেউ একে ‘ভিক্ষার ঝুলি খুলে দেওয়া’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, “বিনিয়োগ আনলে প্রণোদনা—কাল কেউ পাকিস্তানি থালা-বাটি আনলেও কি প্রণোদনা চাইবে না?” এমনকি ‘ভিখারি ইউনুস’ নীতির মতো শব্দও ব্যবহার করছেন অনেকে, যা সরকারের ভাবমূর্তিকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বিআইডিএ চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন অবশ্য দাবি করেছেন, এই প্রণোদনার উদ্দেশ্য প্রবাসীদের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ককে কাজে লাগানো। তবে সমালোচকদের সরাসরি প্রশ্ন—যদি দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ সত্যিই শক্তিশালী ও আকর্ষণীয় হতো, তাহলে কি বিনিয়োগ আনতে কমিশন
ঘোষণা করতে হতো? অর্থনীতিবিদদের মতে, প্রকৃত বিনিয়োগ আসে নীতিগত স্থিতিশীলতা, আইনের শাসন, জ্বালানি নিরাপত্তা, ব্যাংকিং খাতের আস্থা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা থেকে—নগদ কমিশন দিয়ে নয়। ফলে এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই দেখছেন ‘বিলিয়ন ডলারের স্বপ্ন’ ভেঙে যাওয়ার এক প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি
তাদের ভাষায় ছিল ‘অভূতপূর্ব সাফল্য’। কিন্তু এক বছর না যেতেই সেই সাফল্যের গল্প এখন প্রশ্নের মুখে। অর্থনীতিবিদদের মতে, সামিটে পাওয়া অধিকাংশ প্রতিশ্রুতি আজও কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ। বাস্তব বিনিয়োগে রূপ নেওয়ার কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। এই বাস্তবতার মধ্যেই নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিআইডিএ)-এর গভর্নিং বোর্ডের বৈঠক। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্বয়ং প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস। সেখানেই নেওয়া হয় এক ব্যতিক্রমী ও বিতর্কিত সিদ্ধান্ত— প্রবাসী বাংলাদেশিরা (এনআরবি) যদি বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) আনতে সহায়তা করেন, তবে সরকার বিনিয়োগের মোট অঙ্কের ১.২৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা দেবে। অর্থাৎ, কেউ যদি ১০০ মিলিয়ন ডলারের ইকুইটি বিনিয়োগ আনতে সহায়তা করেন,
তাহলে তিনি পাবেন ১.২৫ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৫ কোটি টাকা নগদ প্রণোদনা। এই কাঠামোটি রেমিট্যান্স প্রণোদনার আদলেই করা হচ্ছে। এই ঘোষণার পরই অর্থনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—যেখানে একসময় ‘বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ বিপ্লব’-এর ঢাক পেটানো হয়েছিল, সেখানে এখন কেন বিনিয়োগ আনতে ‘কমিশন’ ঘোষণা করতে হচ্ছে? তথ্য বলছে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট এফডিআই প্রবাহ ছিল মাত্র ১.৭ বিলিয়ন ডলার। এর বড় অংশই নতুন বিনিয়োগ নয়; বরং রি-ইনভেস্টেড আয় ও ইন্ট্রা-কোম্পানি লোন। সামিট-পরবর্তী সময়ে নতুন কোনো বড় শিল্পপ্রকল্প বা মেগা বিনিয়োগের দৃশ্যমান বাস্তবায়ন এখনো চোখে পড়েনি। উল্টো চিত্রটাই বেশি স্পষ্ট—বিদেশি ঋণ বেড়েছে, রাজস্ব ঘাটতি কমেনি, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ অব্যাহত রয়েছে, আর বড় বিনিয়োগকারীরা এখনো ‘ওয়েট অ্যান্ড
সি’ নীতিতে আটকে আছে। এই অবস্থায় নগদ প্রণোদনার ঘোষণা অনেকের কাছেই সরকারের ব্যর্থতা ঢাকার মরিয়া চেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। কেউ একে ‘ভিক্ষার ঝুলি খুলে দেওয়া’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, “বিনিয়োগ আনলে প্রণোদনা—কাল কেউ পাকিস্তানি থালা-বাটি আনলেও কি প্রণোদনা চাইবে না?” এমনকি ‘ভিখারি ইউনুস’ নীতির মতো শব্দও ব্যবহার করছেন অনেকে, যা সরকারের ভাবমূর্তিকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বিআইডিএ চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন অবশ্য দাবি করেছেন, এই প্রণোদনার উদ্দেশ্য প্রবাসীদের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ককে কাজে লাগানো। তবে সমালোচকদের সরাসরি প্রশ্ন—যদি দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ সত্যিই শক্তিশালী ও আকর্ষণীয় হতো, তাহলে কি বিনিয়োগ আনতে কমিশন
ঘোষণা করতে হতো? অর্থনীতিবিদদের মতে, প্রকৃত বিনিয়োগ আসে নীতিগত স্থিতিশীলতা, আইনের শাসন, জ্বালানি নিরাপত্তা, ব্যাংকিং খাতের আস্থা এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা থেকে—নগদ কমিশন দিয়ে নয়। ফলে এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই দেখছেন ‘বিলিয়ন ডলারের স্বপ্ন’ ভেঙে যাওয়ার এক প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি



