ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ করে সংসদে বিল পাশ
২ ডিআইজিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি
তৃতীয় দফায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী রিমান্ডে
বকেয়া বেতনের দাবিতে নাসা গ্রুপের পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের গোপন চুক্তি নেই, তবে কিছু বিষয় এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না
কোটি টাকা আত্মসাত, ঢাবির জুলাইযোদ্ধা ছাত্রদল নেতা অর্ণবকে বহিষ্কার
এক-এগারো সরকারের সঙ্গে ইউনূস সরকারের যোগসূত্র
বিপুল ইয়াবাসহ সৌদি যাত্রাকালে শাহজালাল বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার ১, মাদকের পরিবর্তে সোনা আনত চক্রটি
বিপুল পরিমাণ মাদকসহ হযরত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। তিনি সংঘবদ্ধ মাদক কারবারি চক্রের সদস্য বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তার সাইদুল ইসলামের কাছ থেকে ৪ হাজার ৩৬৪ পিস অ্যাম্ফিটামিনযুক্ত ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, সাইদুল ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের সৌদি আরবগামী ফ্লাইট নম্বর BS-381-এ যাত্রার উদ্দেশ্যে বিমানবন্দরে আসেন। হেভি লাগেজ গেইট–৪ দিয়ে প্রবেশের পর তিনি নির্ধারিত কাউন্টারের রো ‘সি’-তে চেক-ইন সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে বোর্ডিং ব্রিজ নং C2-এ প্রি-বোর্ডিং নিরাপত্তা তল্লাশির জন্য উপস্থিত হন।
প্রি-বোর্ডিং পর্যায়ে ব্যাগ স্ক্যানিংয়ের সময় দায়িত্বরত আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য সিপাহী শামীম রেজা, ব্যাগটি সন্দেহজনক মনে করলে সিভিল সিকিউরিটি সদস্য
হিজবুল বাহারকে র্যান্ডম তল্লাশির নির্দেশ দেন। তল্লাশিকালে ব্যাগের ভেতর থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট সদৃশ বস্তু পাওয়া যায়। পরবর্তীতে আনসার সদস্য শামীম রেজা এবং সিকিউরিটি সুপারভাইজার মোর্শেদা বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে এভসেক কর্তৃপক্ষ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উদ্ধার করা ট্যাবলেটগুলো গণনা করে মোট ৪,৩৬৪ পিস ইয়াবা জব্দ করেন।ব্রেকিং নিউজ পরে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ উক্ত যাত্রীকে ফ্লাইট থেকে অফলোড করে এবং এভসেক কর্তৃপক্ষ তাকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শামীম আহম্মেদ জানান, গ্রেপ্তার সাইদুল ইসলাম একজন ইয়াবা কারবারি। সৌদি আরবে অবস্থানরত তার ভাই নুরুল আমীনের কাছে ইয়াবাগুলো
পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সাইদুল দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে ইয়াবা নিয়ে যেতেন। বিনিময়ে সেখান থেকে স্বর্ণ চোরাচালান করে বাংলাদেশে আনতেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী মামলা করা হয়েছে।
হিজবুল বাহারকে র্যান্ডম তল্লাশির নির্দেশ দেন। তল্লাশিকালে ব্যাগের ভেতর থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট সদৃশ বস্তু পাওয়া যায়। পরবর্তীতে আনসার সদস্য শামীম রেজা এবং সিকিউরিটি সুপারভাইজার মোর্শেদা বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে এভসেক কর্তৃপক্ষ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উদ্ধার করা ট্যাবলেটগুলো গণনা করে মোট ৪,৩৬৪ পিস ইয়াবা জব্দ করেন।ব্রেকিং নিউজ পরে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ উক্ত যাত্রীকে ফ্লাইট থেকে অফলোড করে এবং এভসেক কর্তৃপক্ষ তাকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শামীম আহম্মেদ জানান, গ্রেপ্তার সাইদুল ইসলাম একজন ইয়াবা কারবারি। সৌদি আরবে অবস্থানরত তার ভাই নুরুল আমীনের কাছে ইয়াবাগুলো
পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সাইদুল দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে ইয়াবা নিয়ে যেতেন। বিনিময়ে সেখান থেকে স্বর্ণ চোরাচালান করে বাংলাদেশে আনতেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী মামলা করা হয়েছে।



