ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ করে সংসদে বিল পাশ
২ ডিআইজিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি
তৃতীয় দফায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী রিমান্ডে
বকেয়া বেতনের দাবিতে নাসা গ্রুপের পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের গোপন চুক্তি নেই, তবে কিছু বিষয় এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না
কোটি টাকা আত্মসাত, ঢাবির জুলাইযোদ্ধা ছাত্রদল নেতা অর্ণবকে বহিষ্কার
এক-এগারো সরকারের সঙ্গে ইউনূস সরকারের যোগসূত্র
বিনা বিচারে কারাবন্দি আর কতদিন?
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গ্রেপ্তার অনেক নেতা-মন্ত্রী, আমলা ও সাংবাদিক; বহুজনের বিরুদ্ধে এখনও চার্জশিট নেই
নিজস্ব প্রতিবেদন
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ, সাবেক আমলা ও সাংবাদিকদের মধ্যে অনেকে দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে আছেন। তাদের অনেকের বিরুদ্ধে এখনো চার্জশিট বা অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়নি, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে জামিনও মিলছে না—যা নিয়ে মানবাধিকার মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।
দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দিদের মধ্যে আছেন সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, ফারজানা রূপা, শাকিল আহমেদ এবং একাত্তর টিভির সাবেক প্রধান নির্বাহী মোজাম্মেল হক বাবু। আন্তর্জাতিক মহল থেকেও তাদের মুক্তির দাবি উঠেছে, কিন্তু এখনো তারা কারাগারে আছেন।
তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী বলেন,
“বিনা বিচারে
কেউ কারাগারে বন্দি নেই।” তিনি দাবি করেন, “যাদের জামিন পেলে মামলায় প্রভাব বিস্তার বা পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে—সেসব ক্ষেত্রে আমরা জামিনের বিরোধিতা করছি। আর যাদের ক্ষেত্রে এমন আশঙ্কা নেই, তাদের জামিনে মুক্তি পেতেও দেখা যাচ্ছে।” নির্বাচন পর জামিন কিছুটা বেড়েছে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরশেদ বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর জামিনের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। তবে অনেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় কারাগার থেকে মুক্তি পেতে সময় লাগছে।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে বিনা বিচারে দীর্ঘদিন আটক অনেকেই মুক্তি পাবেন। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সহকারী মহাপরিদর্শক মো. জান্নাত উল ফরহাদ জানান, “১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের আগে দেশে কারাবন্দির সংখ্যা ছিল প্রায় ৮৫ হাজার। বর্তমানে তা কমে প্রায় ৮০
হাজারে নেমেছে। অর্থাৎ নির্বাচনের পর প্রায় পাঁচ হাজার বন্দি মুক্তি পেয়েছেন।” চার্জশিট ছাড়াই বছরের পর বছর কারাবাস তথ্য অনুযায়ী, বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে থাকলেও এখনো তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল হয়নি। সাবেক সচিব শাহ কামাল — ৫৬৮ দিন সাংবাদিক ফারজানা রূপা ও শাকিল আহমেদ — ৫৬৫ দিন সাবেক মন্ত্রী টিপু মুনশী — ৫৫৭ দিন সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর — ৫৪০ দিন সাংবাদিক শ্যামল দত্ত ও মোজাম্মেল হক বাবু — ৫৩৮ দিন সাবেক মেয়র আতিকুল হক — ৫১০ দিন এছাড়া সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক ২২৮ দিন কারাগারে থাকার পর বুধবার সব মামলায় জামিন পেয়েছেন। তার আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, “সরকার যদি চেম্বার আদালতে আপিল
না করে, তাহলে তার মুক্তিতে আর কোনো বাধা থাকবে না।” সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি কমনওয়েলথ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (CJA) অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গ্রেপ্তার হওয়া সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে— “মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে এক বছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে থাকা সাংবাদিকদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।” বাংলাদেশের সম্পাদক পরিষদসহ ৬৩ জন বিশিষ্ট নাগরিকও সাংবাদিকদের নির্বিচারে আটক ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। রাজনৈতিক নেতাকর্মী গ্রেপ্তার পাঁচ হাজারের বেশি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর রাজধানীতে ৭০৬টি মামলা হয়েছে। হত্যা, দুর্নীতি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ৫ হাজারের বেশি রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তথ্যমতে— সাবেক মন্ত্রী: ২৩ জন প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রী: ১১ জন সংসদ
সদস্য: ৬৬ জন সংরক্ষিত নারী এমপি: ৮ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য: ১৯ জন এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র সাতজন মন্ত্রী-এমপি জামিন পেয়েছেন।
কেউ কারাগারে বন্দি নেই।” তিনি দাবি করেন, “যাদের জামিন পেলে মামলায় প্রভাব বিস্তার বা পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে—সেসব ক্ষেত্রে আমরা জামিনের বিরোধিতা করছি। আর যাদের ক্ষেত্রে এমন আশঙ্কা নেই, তাদের জামিনে মুক্তি পেতেও দেখা যাচ্ছে।” নির্বাচন পর জামিন কিছুটা বেড়েছে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরশেদ বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর জামিনের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। তবে অনেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় কারাগার থেকে মুক্তি পেতে সময় লাগছে।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে বিনা বিচারে দীর্ঘদিন আটক অনেকেই মুক্তি পাবেন। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সহকারী মহাপরিদর্শক মো. জান্নাত উল ফরহাদ জানান, “১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের আগে দেশে কারাবন্দির সংখ্যা ছিল প্রায় ৮৫ হাজার। বর্তমানে তা কমে প্রায় ৮০
হাজারে নেমেছে। অর্থাৎ নির্বাচনের পর প্রায় পাঁচ হাজার বন্দি মুক্তি পেয়েছেন।” চার্জশিট ছাড়াই বছরের পর বছর কারাবাস তথ্য অনুযায়ী, বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে থাকলেও এখনো তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল হয়নি। সাবেক সচিব শাহ কামাল — ৫৬৮ দিন সাংবাদিক ফারজানা রূপা ও শাকিল আহমেদ — ৫৬৫ দিন সাবেক মন্ত্রী টিপু মুনশী — ৫৫৭ দিন সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর — ৫৪০ দিন সাংবাদিক শ্যামল দত্ত ও মোজাম্মেল হক বাবু — ৫৩৮ দিন সাবেক মেয়র আতিকুল হক — ৫১০ দিন এছাড়া সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক ২২৮ দিন কারাগারে থাকার পর বুধবার সব মামলায় জামিন পেয়েছেন। তার আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, “সরকার যদি চেম্বার আদালতে আপিল
না করে, তাহলে তার মুক্তিতে আর কোনো বাধা থাকবে না।” সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি কমনওয়েলথ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (CJA) অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গ্রেপ্তার হওয়া সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে— “মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে এক বছরের বেশি সময় ধরে কারাগারে থাকা সাংবাদিকদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।” বাংলাদেশের সম্পাদক পরিষদসহ ৬৩ জন বিশিষ্ট নাগরিকও সাংবাদিকদের নির্বিচারে আটক ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। রাজনৈতিক নেতাকর্মী গ্রেপ্তার পাঁচ হাজারের বেশি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর রাজধানীতে ৭০৬টি মামলা হয়েছে। হত্যা, দুর্নীতি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ৫ হাজারের বেশি রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তথ্যমতে— সাবেক মন্ত্রী: ২৩ জন প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রী: ১১ জন সংসদ
সদস্য: ৬৬ জন সংরক্ষিত নারী এমপি: ৮ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য: ১৯ জন এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র সাতজন মন্ত্রী-এমপি জামিন পেয়েছেন।



