বিদ্যুৎ খাতের নীরব সংকট, বকেয়া বিল ও বৈষম্যমূলক আচরণ বিনিয়োগ আস্থা ও সরবরাহ স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকিতে ফেলছে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২২ জানুয়ারি, ২০২৬
     ৭:২৯ পূর্বাহ্ণ

বিদ্যুৎ খাতের নীরব সংকট, বকেয়া বিল ও বৈষম্যমূলক আচরণ বিনিয়োগ আস্থা ও সরবরাহ স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকিতে ফেলছে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৭:২৯ 36 ভিউ
দেশের বিদ্যুৎ খাত ঘিরে নীরবভাবে গভীর সংকট তৈরি হচ্ছে। বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তির শর্ত উপেক্ষা, বিলে পূর্বনির্ধারিত জরিমানা (লিকুইডেটেড ড্যামেজ বা এলডি) কর্তন, চলমান সালিশি প্রক্রিয়া থাকা সত্ত্বেও বিইআরসির নির্দেশনা অমান্য এবং দেশি-বিদেশি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মধ্যে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগে খাতের স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগ আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সংকট শুধু কয়েকটি কেন্দ্রের আর্থিক সমস্যায় সীমাবদ্ধ নয়; এর প্রভাব পড়ছে ব্যাংকিং খাত, জ্বালানি আমদানি সক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ পরিবেশের ওপরও। প্রায় ৩০টি ফার্নেস অয়েলভিত্তিক কেন্দ্র বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) বিরুদ্ধে অতিরিক্ত উৎপাদন বন্ধকাল দেখিয়ে জরিমানা কর্তনের অভিযোগে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) সালিশি আবেদন করেছে। এতে খাতের মধ্যে তীব্র অনিশ্চয়তা ও আস্থাহীনতা

তৈরি হয়েছে। *রমজান ও গ্রীষ্মকাল অস্থিরতার শঙ্কা* প্রতিবছর রমজান, গ্রীষ্মকাল ও সেচ মৌসুমে বিদ্যুতের চাহিদা স্বাভাবিকের তুলনায় ৫–৬ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত বেড়ে যায়। বর্তমানে চাহিদা ১০–১১ হাজার মেগাওয়াট। বিপিডিবি জানিয়েছে, আগামী গ্রীষ্মে চাহিদা সর্বোচ্চ ১৮ হাজার মেগাওয়াট হতে পারে, তবে উৎপাদন ধরা হয়েছে মাত্র ১৭ হাজার মেগাওয়াট। বেসরকারি কেন্দ্র মালিকরা সতর্ক করেছেন, বকেয়া বিল না পরিশোধ হলে উৎপাদন সীমিত হতে পারে। এর ফলে সেচ, শিল্প এবং সাধারণ জনগণের জীবনেও প্রভাব পড়বে। উদ্যোক্তাদের অভিযোগ ও বৈষম্য ডেভিড হাসানাত, বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বলেন, “বেসরকারি খাতে প্রায় ৬০–৬৫টি কেন্দ্র রয়েছে, মোট উৎপাদন সক্ষমতা ৯ হাজার মেগাওয়াট এবং বিনিয়োগ প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার। এই বিশাল বিনিয়োগের পরও

বিদেশি ও দেশীয় কেন্দ্রের মধ্যে ভিন্ন নীতি খাতের আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।” বরিশাল ইলেকট্রিক পাওয়ার কম্পানি লিমিটেডের ঘটনার উদাহরণ দেখায়, একই চুক্তির আওতায় এক প্রতিষ্ঠানের বিল ফেরত দেওয়া হলেও অন্যদের জরিমানা বহাল রাখা হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি আইনের সমতার নীতির পরিপন্থী এবং ভবিষ্যতে বড় আইনি জটিলতার জন্ম দিতে পারে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলি সতর্ক করেছে, আর্থিক চাপ অব্যাহত থাকলে উৎপাদন সীমিত হবে। দেশীয় উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, একটি বড় বিদেশি শিল্পগোষ্ঠীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, যা বৈষম্য সৃষ্টি করছে। “দেশে বিনিয়োগ করে, জাতীয় প্রয়োজনে লোকসান গুনেও বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রাখার পর আমাদের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।” বিদ্যুৎ খাতের অস্থিরতা শুধুমাত্র শিল্প ও সেচ খাত নয়, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন

জীবনেও প্রভাব ফেলতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
শেখ মুজিবঃ ছাত্রনেতা থেকে জননেতা শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এ বায়ান্নর বীর সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই ২১শে ফেব্রুয়ারি আমরা উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা নিয়ে দিন কাটালাম – শেখ মুজিবের শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী অমর একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ‘জামায়াতের হাত থেকে বাঁচতে নাকে রুমাল দিয়ে বিএনপিকে ভোট দিয়েছে মানুষ’: সাংবাদিক নুরুল কবির হলফনামায় সম্পদ ২ কোটি, হাজার কোটি টাকার ‘নগদ’ কিনতে চান ব্যারিস্টার আরমান গণভোট ও সংবিধান সংশোধনের নামে আলী রীয়াজের বিরুদ্ধে ২৩০০ কোটি টাকা লুটপাট ও অর্থপাচারের অভিযোগ ড. ইউনূসকে ‘সবচেয়ে বড় রাজাকার’ আখ্যা সাংবাদিক পান্নার, পাঠ্যপুস্তকে নাম অন্তর্ভুক্তির দাবি খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করা সরকারের ‘কম্প্রোমাইজ’, থাকতে পারে আমেরিকার চাপ: সাংবাদিক মাহবুব কামাল অমর একুশে ব্যাপক বিভ্রাটে ইউটিউব, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা শহীদ মিনারে রুমিন ফারহানাকে বাধা, মহাসড়ক অবরোধ ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ আরব আমিরাতে ৮২৩ খাদ্যপণ্যে বিশেষ ছাড় ভেনেজুয়েলায় শত শত রাজনৈতিক বন্দির মুক্তির সম্ভাবনা দ্যা হান্ড্রেডের নিলামে বাংলাদেশের ২৩ ক্রিকেটার, সর্বোচ্চ ক্যাটাগরিতে মোস্তাফিজ ফুটবল বিশ্বকাপ দেখতে বাংলাদেশের জনসংখ্যার তিন গুণ আবেদন!