ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে কৃষি, শিল্প, পরিবহন, ব্যবসা-সেবা খাতে প্রভাবের আশঙ্কা
২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ায় কৃষি, শিল্প, পরিবহন, ব্যবসা ও সেবা খাতে বিরাট প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সুধীজন। বৈদেশিক ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধের বাড়তি চাপ, দীর্ঘস্থায়ী উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং বিদ্যুৎ-জ্বালানির নতুন মূল্যবৃদ্ধি তাই সুবিধাভোগীদের ভাবিয়ে তোলছে।
জানা গেছে সরকার প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। নতুন সরকারের প্রথম বাজেট ঘিরে প্রত্যাশা থাকলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৯ শতাংশ বড় এই বাজেটে সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ঋণ পরিশোধের চাপ সামাল দেওয়া এবং অর্থনীতিতে গতি ফিরিয়ে আনা। আগামী অর্থবছরে শুধু
বৈদেশিক ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধেই প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে, যা সরকারের আর্থিক সক্ষমতার ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করবে। এর মধ্যেই বাজেট ঘোষণার আগে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্তে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম প্রায় ২০ শতাংশ এবং খুচরা পর্যায়ে প্রায় ১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে সঞ্চালন চার্জও বাড়ানো হয়েছে। সম্প্রতি অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দামও লিটারপ্রতি ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি শুধু বিলের অঙ্ক বাড়ায় না, বরং কৃষি, শিল্প, পরিবহন, ব্যবসা ও সেবা খাতের উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে দেয়। শেষ পর্যন্ত সেই অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা নিত্যপণ্যের দাম
বৃদ্ধির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ওপরই চাপানো হয়। ফলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য অর্জন আরও কঠিন হয়ে পড়বে। বিদ্যুতের দাম বাড়ার কারণে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার। বাজারে নিত্যপণ্যের দাম আগেই ঊর্ধ্বমুখী ছিল, এখন বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। অনেকের অভিযোগ, আয় না বাড়লেও প্রতিদিনের খরচ বাড়ছে। সংসারের ব্যয় সামাল দিতে হিমশিম খেতে হবে পরিবারগুলোকে। ভোক্তা অধিকারকর্মীরা বলছেন, বিদ্যুৎ খাতের অনিয়ম, সিস্টেম লস ও কাঠামোগত সমস্যার সমাধান না করে গ্রাহকদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ চাপানো হয়েছে। শিল্প উদ্যোক্তারাও আশঙ্কা করছেন, বাড়তি উৎপাদন ব্যয় দেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতাকে দুর্বল করতে পারে।
বৈদেশিক ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধেই প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে, যা সরকারের আর্থিক সক্ষমতার ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করবে। এর মধ্যেই বাজেট ঘোষণার আগে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্তে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম প্রায় ২০ শতাংশ এবং খুচরা পর্যায়ে প্রায় ১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে সঞ্চালন চার্জও বাড়ানো হয়েছে। সম্প্রতি অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দামও লিটারপ্রতি ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি শুধু বিলের অঙ্ক বাড়ায় না, বরং কৃষি, শিল্প, পরিবহন, ব্যবসা ও সেবা খাতের উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে দেয়। শেষ পর্যন্ত সেই অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা নিত্যপণ্যের দাম
বৃদ্ধির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ওপরই চাপানো হয়। ফলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য অর্জন আরও কঠিন হয়ে পড়বে। বিদ্যুতের দাম বাড়ার কারণে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার। বাজারে নিত্যপণ্যের দাম আগেই ঊর্ধ্বমুখী ছিল, এখন বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। অনেকের অভিযোগ, আয় না বাড়লেও প্রতিদিনের খরচ বাড়ছে। সংসারের ব্যয় সামাল দিতে হিমশিম খেতে হবে পরিবারগুলোকে। ভোক্তা অধিকারকর্মীরা বলছেন, বিদ্যুৎ খাতের অনিয়ম, সিস্টেম লস ও কাঠামোগত সমস্যার সমাধান না করে গ্রাহকদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ চাপানো হয়েছে। শিল্প উদ্যোক্তারাও আশঙ্কা করছেন, বাড়তি উৎপাদন ব্যয় দেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতাকে দুর্বল করতে পারে।



