বিজয় দিবসে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শেয়ার: ঝিনাইদহে এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে নির্যাতন ও চাঁদাবাজির পর কারাগারে প্রেরণ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
     ২:০৭ অপরাহ্ণ

বিজয় দিবসে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শেয়ার: ঝিনাইদহে এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে নির্যাতন ও চাঁদাবাজির পর কারাগারে প্রেরণ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ | ২:০৭ 48 ভিউ
মহান বিজয় দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ শেয়ার করার জেরে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। রিজভী জামান মাহিম (১৭) নামের ওই কিশোরকে নির্যাতন ও পরিবারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আদায়ের পর পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাকে বর্তমানে বাগেরহাট কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে রিজভী জামান মাহিম তার ফেসবুকে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ শেয়ার করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে ‘আওয়ামী লীগ’ সমর্থক আখ্যা দিয়ে গত ১৯ ডিসেম্বর ‘সমন্বয়ক’ পরিচয়দানকারী একদল ব্যক্তি তাকে

বাড়ি থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পারিবারিক সূত্র জানায়, তুলে নেওয়ার পর রিজভী জামানের ওপর নির্মম নির্যাতন চালানো হয়। মারধরের পাশাপাশি বালুর মধ্যে মাথা চেপে ধরে তাকে হত্যাচেষ্টা করা হয়। একপর্যায়ে নির্যাতনকারীরা পরিবারের কাছে ‘আর মারধর করা হবে না’—এমন আশ্বাস দিয়ে এক লাখ টাকা দাবি করে। ছেলের প্রাণ বাঁচাতে পরিবার টাকা পরিশোধ করলেও তাকে ছাড়া হয়নি। উল্টো তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ায় তাকে বাগেরহাট কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়। একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক ও পরীক্ষার্থীর ওপর এমন অমানবিক আচরণে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, “পরিবারের কাছ থেকে প্রতারণা করে অর্থ আদায় করা এবং একজন কিশোরকে সংশোধনাগারে পাঠানোর ঘটনা

রাষ্ট্রীয় ন্যায়বিচারের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট করছে।” এ বিষয়ে মানবাধিকার কর্মীরা ঘটনাটিকে সরাসরি মানবাধিকার ও শিশু অধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছেন। বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মীরা বলেন, “রাজনৈতিক মত প্রকাশের কারণে একজন কিশোর শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার ও নির্যাতন করা রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তার শিক্ষা ও মানসিক সুস্থতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব।” মানবাধিকার সংস্থা ও শিশু অধিকার বিষয়ক সংগঠনগুলো অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে। তারা প্রশাসনের কাছে জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, ভিন্নমতের কারণে যেন কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?