ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপির শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে যেভাবে চলেছে ভোট চুরির মহোৎসব
টিসিবির ট্রাকের পিছে ছুটছে বাংলাদেশ
ক্ষমতার দাপটে মানবিকতাও আজ বন্দি – মনে রেখো বাংলাদেশ, মিথ্যা মামলাই এই সরকারের রাজনীতি
জামাত-বিএনপির দ্বন্দ্বে মসজিদে তালা, বাইরেই নামজ পড়লো মুসল্লিরা
ক্সবাজারের রামু মায়ের পর এবার বাবাকেও হারালেন কারাবন্দী সেই দুই ভাই
৫ আগস্টের সহিংস অভ্যুত্থানে ‘ক্যাপ্টাগন’ ব্যবহারের অভিযোগ: তদন্তের দাবি জোরালো
টানা ১৮ মাস ধরে তালাবদ্ধ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবিচল ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়
বিজয় দিবসে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শেয়ার: ঝিনাইদহে এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে নির্যাতন ও চাঁদাবাজির পর কারাগারে প্রেরণ
মহান বিজয় দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ শেয়ার করার জেরে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। রিজভী জামান মাহিম (১৭) নামের ওই কিশোরকে নির্যাতন ও পরিবারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আদায়ের পর পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাকে বর্তমানে বাগেরহাট কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস উপলক্ষে রিজভী জামান মাহিম তার ফেসবুকে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ শেয়ার করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে ‘আওয়ামী লীগ’ সমর্থক আখ্যা দিয়ে গত ১৯ ডিসেম্বর ‘সমন্বয়ক’ পরিচয়দানকারী একদল ব্যক্তি তাকে
বাড়ি থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পারিবারিক সূত্র জানায়, তুলে নেওয়ার পর রিজভী জামানের ওপর নির্মম নির্যাতন চালানো হয়। মারধরের পাশাপাশি বালুর মধ্যে মাথা চেপে ধরে তাকে হত্যাচেষ্টা করা হয়। একপর্যায়ে নির্যাতনকারীরা পরিবারের কাছে ‘আর মারধর করা হবে না’—এমন আশ্বাস দিয়ে এক লাখ টাকা দাবি করে। ছেলের প্রাণ বাঁচাতে পরিবার টাকা পরিশোধ করলেও তাকে ছাড়া হয়নি। উল্টো তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ায় তাকে বাগেরহাট কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়। একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক ও পরীক্ষার্থীর ওপর এমন অমানবিক আচরণে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, “পরিবারের কাছ থেকে প্রতারণা করে অর্থ আদায় করা এবং একজন কিশোরকে সংশোধনাগারে পাঠানোর ঘটনা
রাষ্ট্রীয় ন্যায়বিচারের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট করছে।” এ বিষয়ে মানবাধিকার কর্মীরা ঘটনাটিকে সরাসরি মানবাধিকার ও শিশু অধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছেন। বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মীরা বলেন, “রাজনৈতিক মত প্রকাশের কারণে একজন কিশোর শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার ও নির্যাতন করা রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তার শিক্ষা ও মানসিক সুস্থতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব।” মানবাধিকার সংস্থা ও শিশু অধিকার বিষয়ক সংগঠনগুলো অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে। তারা প্রশাসনের কাছে জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, ভিন্নমতের কারণে যেন কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
বাড়ি থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পারিবারিক সূত্র জানায়, তুলে নেওয়ার পর রিজভী জামানের ওপর নির্মম নির্যাতন চালানো হয়। মারধরের পাশাপাশি বালুর মধ্যে মাথা চেপে ধরে তাকে হত্যাচেষ্টা করা হয়। একপর্যায়ে নির্যাতনকারীরা পরিবারের কাছে ‘আর মারধর করা হবে না’—এমন আশ্বাস দিয়ে এক লাখ টাকা দাবি করে। ছেলের প্রাণ বাঁচাতে পরিবার টাকা পরিশোধ করলেও তাকে ছাড়া হয়নি। উল্টো তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ায় তাকে বাগেরহাট কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়। একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক ও পরীক্ষার্থীর ওপর এমন অমানবিক আচরণে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, “পরিবারের কাছ থেকে প্রতারণা করে অর্থ আদায় করা এবং একজন কিশোরকে সংশোধনাগারে পাঠানোর ঘটনা
রাষ্ট্রীয় ন্যায়বিচারের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট করছে।” এ বিষয়ে মানবাধিকার কর্মীরা ঘটনাটিকে সরাসরি মানবাধিকার ও শিশু অধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছেন। বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মীরা বলেন, “রাজনৈতিক মত প্রকাশের কারণে একজন কিশোর শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার ও নির্যাতন করা রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তার শিক্ষা ও মানসিক সুস্থতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব।” মানবাধিকার সংস্থা ও শিশু অধিকার বিষয়ক সংগঠনগুলো অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে। তারা প্রশাসনের কাছে জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, ভিন্নমতের কারণে যেন কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে হবে।



