ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন দীপু মনি, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা
শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাংবাদিক মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রুপাকে আগামী ১৪ মে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিহতের তথ্য গোপন ও ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ। বেঞ্চের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
আদেশে দীপু মনি, মোজাম্মেল হক বাবু এবং ফারজানা রুপাকে ১৪ মে ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে বলা হয়েছে। তারা বর্তমানে
পৃথক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। পরে ট্রাইব্যুনালে ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে অভিযানের সময় কিছু গণমাধ্যম পরিকল্পিতভাবে তথ্য আড়াল ও ঘটনাকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। ইন্টারনেট ও টেলিভিশন সম্প্রচার বন্ধসহ যাদের বিতর্কিত ভূমিকা ছিল, তাদেরও বিচারের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, সেদিন হেফাজতের সমাবেশে রাতের অন্ধকারে নির্বিচারে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। অথচ পরে উল্টো হেফাজতকর্মীদের বিরুদ্ধেই মামলা ও বিচার প্রক্রিয়া চালানো হয়। চিফ প্রসিকিউটর জানান, ৭ জুনের আগে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ওইদিন ইন্টারনেট, বিদ্যুৎ এবং দুটি বেসরকারি টেলিভিশনের সম্প্রচার বন্ধ করা হয়েছিল। এসব ঘটনায়
জড়িতদেরও আসামি করা হবে। এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে হেফাজতে ইসলামের নেতারা চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা দাবি করেন, ৫ মে’র ঘটনায় নিহতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি।
পৃথক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। পরে ট্রাইব্যুনালে ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে অভিযানের সময় কিছু গণমাধ্যম পরিকল্পিতভাবে তথ্য আড়াল ও ঘটনাকে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। ইন্টারনেট ও টেলিভিশন সম্প্রচার বন্ধসহ যাদের বিতর্কিত ভূমিকা ছিল, তাদেরও বিচারের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, সেদিন হেফাজতের সমাবেশে রাতের অন্ধকারে নির্বিচারে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল। অথচ পরে উল্টো হেফাজতকর্মীদের বিরুদ্ধেই মামলা ও বিচার প্রক্রিয়া চালানো হয়। চিফ প্রসিকিউটর জানান, ৭ জুনের আগে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ওইদিন ইন্টারনেট, বিদ্যুৎ এবং দুটি বেসরকারি টেলিভিশনের সম্প্রচার বন্ধ করা হয়েছিল। এসব ঘটনায়
জড়িতদেরও আসামি করা হবে। এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে হেফাজতে ইসলামের নেতারা চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা দাবি করেন, ৫ মে’র ঘটনায় নিহতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি।



