ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
স্ত্রীকে নিয়ে হলো না বাড়ি ফেরা, প্রাণ গেল দুই লঞ্চের চাপায়
উদ্ধারকাজে সময় লাগবে, বললেন স্টেশন মাস্টার
বগুড়ায় ট্রেনের ৯ বগি লাইনচ্যুত, উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ বন্ধ
রাজধানীর নদ্দায় আগুন
ফেনীতে পরিবেশমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত-৭
রামপালের বেলাইব্রিজে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ১২
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বাসচাপায় নিহত ৬
বাড্ডায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, একই পরিবারের ৫ জন দগ্ধ
রাজধানীর বাড্ডার একটি বাসার রান্নাঘরে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শুক্রবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে বাড্ডার দক্ষিণ আনন্দনগর আনসার ক্যাম্প বাজারের পাশের একটি ভবনের এই ঘটনা ঘটে। পরে সাড়ে ১১টার দিকে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
দগ্ধরা হলেন তোফাজ্জল মিয়া (৪৫), তার স্ত্রী মঞ্জুরা বেগম (৩৫), তাদের মেয়ে তানিশা (৪), মিথিলা (৭) ও তানজিলা (১১)। ঠাকুরগাঁও সদরের চিলা রং গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা তোফাজ্জল মিয়া পরিবারের নিয়ে ওই ভবনের নিচতলায় ভাড়া থাকতেন।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক শাওন
বিন রহমান বলেন, বাড্ডায় বাসায় বিস্ফোরণের ঘটনায় পাঁচজনকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। এদের মধ্যে তোফাজ্জল হোসেন শরীর ৮০ শতাংশ, তার স্ত্রী মঞ্জুরা বেগম ৬৭ শতাংশ, তানজিলা ৬৬ শতাংশ, মিথিলা ৬০ শতাংশ ও তানিশা ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। জরুরি বিভাগের চিকিৎসা শেষে তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি রাখা হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী মো. শরীফ বলেন, তোফাজ্জল মিয়া একটি সিমেন্টের ফ্যাক্টরিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। রান্না করার জন্য রাতে চুলায় আগুন দেওয়ার সঙ্গে সাঙ্গেই ঘরে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণ হয়। এতেই সবাই দগ্ধ হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে আনা
হয়।
বিন রহমান বলেন, বাড্ডায় বাসায় বিস্ফোরণের ঘটনায় পাঁচজনকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। এদের মধ্যে তোফাজ্জল হোসেন শরীর ৮০ শতাংশ, তার স্ত্রী মঞ্জুরা বেগম ৬৭ শতাংশ, তানজিলা ৬৬ শতাংশ, মিথিলা ৬০ শতাংশ ও তানিশা ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। জরুরি বিভাগের চিকিৎসা শেষে তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি রাখা হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় তাদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী মো. শরীফ বলেন, তোফাজ্জল মিয়া একটি সিমেন্টের ফ্যাক্টরিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। রান্না করার জন্য রাতে চুলায় আগুন দেওয়ার সঙ্গে সাঙ্গেই ঘরে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণ হয়। এতেই সবাই দগ্ধ হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে আনা
হয়।



