বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ‘ফ্যাসিবাদ’ ও ‘সন্ত্রাসের রাজত্ব’ কায়েমের অভিযোগ: ফার্স্টপোস্টে ছাত্রলীগের সভাপতির নিবন্ধ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
     ১০:২৭ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ‘ফ্যাসিবাদ’ ও ‘সন্ত্রাসের রাজত্ব’ কায়েমের অভিযোগ: ফার্স্টপোস্টে ছাত্রলীগের সভাপতির নিবন্ধ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ | ১০:২৭ 31 ভিউ
ভারতের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ফার্স্টপোস্ট-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ‘ফ্যাসিবাদ’ কায়েমের গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের লেখা ওই নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে, ৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গনগুলো ভিন্নমতাবলম্বীদের দমনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। রোববার (৮ ডিসেম্বর) প্রকাশিত ‘হাউ প্রফেসর ইউনূস ইজ টিচিং ফ্যাসিজম ইন বাংলাদেশি ইউনিভার্সিটিজ’ (কীভাবে অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ফ্যাসিবাদের পাঠ দিচ্ছেন) শীর্ষক ওই নিবন্ধে বর্তমান পরিস্থিতির ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরা হয়। ১৫ হাজার শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব বাতিল ও সনদ অকার্যকর নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে, ২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রায় ১৫,০০০ শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব

স্থায়ীভাবে বাতিল এবং তাদের অ্যাকাডেমিক সনদ অকার্যকর করা হয়েছে। লেখক অভিযোগ করেন, এই শিক্ষার্থীদের আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো সুযোগ দেওয়া হয়নি, কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি এবং তাদের অপরাধ সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনো তথ্যও জানানো হয়নি। প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে তাদের শিক্ষাজীবন ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে সারা দেশে প্রায় ৫ লাখ শিক্ষার্থীকে পরীক্ষা দেওয়া বা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখা হয়েছে বলে নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়। শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর ‘মব জাস্টিস’ সাদ্দাম হোসেন তার লেখায় উল্লেখ করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এখন ‘মব’ বা সংঘবদ্ধ চক্রের শাসন চলছে। ছাত্রদলের ও শিবিরের কর্মীরা এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে শিক্ষকদের জোরপূর্বক পদত্যাগ করাচ্ছে। সুনির্দিষ্ট কোনো

প্রমাণ ছাড়াই শিক্ষকদের ক্লাসরুমে নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। নিবন্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কারজনকে একটি সেমিনার থেকে আটক করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দেওয়া এবং জামিন না দিয়ে চার মাস কারাগারে রাখার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এছাড়া, ফেসবুকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অপরাধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ লাভলু মোল্লাকে গ্রেপ্তারের ঘটনাকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর চরম আঘাত হিসেবে অভিহিত করা হয়। বিচার বিভাগ ও আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহ নিবন্ধে অভিযোগ করা হয়, বাংলাদেশের আদালত প্রাঙ্গণ এখন আর নিরাপদ নয়। বিচারকদের ওপর রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে এবং অ্যাটর্নি জেনারেল প্রকাশ্যে বিচারকদের জামিন না দেওয়ার জন্য সতর্ক করছেন। এছাড়া ড. ইউনূস

প্রশাসন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বিভ্রান্ত করছে বলে অভিযোগ করা হয়। বিদেশি প্রতিনিধিরা যখন বাংলাদেশ সফরে আসেন, তখন ভিন্নমতের শিক্ষার্থীদের দূরে রেখে শুধুমাত্র সরকারের অনুগতদের সঙ্গে তাদের সাক্ষাতের ব্যবস্থা করা হয়, যাতে প্রকৃত সত্য ধামাচাপা থাকে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে জাবিতে সাংবাদিককে ‘হেনস্তা’ পাবনায় দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৪ আবারও শাকিবের বিপরীতে সাবিলা নূর ধর্ষণ মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন ক্রিকেটার তোফায়েল যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজকে ইরানের জলসীমা এড়িয়ে চলার নির্দেশ পিস্তল ও গোলাবারুদসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ শেরপুরে লুট হওয়া শটগানসহ বিএনপিকর্মী আটক ৩৮ কেজি গাঁজা, কাভার্ড ভ্যানসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কক্সবাজারে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে জরিমানা হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে দেশবাসীকে নির্বাচন বয়কটের ডাক ১৬৭৫ জন বিশিষ্টজনের, সঙ্গে ১২ দাবি কাকে ভোট দিতে যাবেন? জাতির সঙ্গে বেঈমানি ও প্রতারণাপূর্ণ নির্বাচন বর্জনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক সর্বোপরি দেশবাসীর প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আহ্বান Bangladesh’s February Vote Faces Growing Scrutiny Democracy at a Crossroads বাংলাদেশ ভোটের নামে যা হচ্ছে – ক্ষমতা না পেলে বোমা, বন্দুকই বিএনপির ভোটের রাজনীতি চলমান সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ব্যতীত জাতীয় নির্বাচন জাতির কাছে কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য হবে না। প্রহসনের নির্বাচন মানি না, মানবো না! কথা বলতে চাওয়া সাবেক এমপি তুহিনের মুখ ‘চেপে’ ধরলো পুলিশ সিএমপির ওসির বিরুদ্ধে মাদক সরবরাহ ও বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জনের ডাক আওয়ামী লীগের