ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।
‘আওয়ামী লীগের আমলেই ভালো ছিলাম, এখন কথা বললেই দোসর’—বিক্ষুব্ধ জনতার আক্ষেপ
সেনা ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকে বিপন্ন করেছে, স্বাধীনতার চেতনা রক্ষার সময় এসেছে
সুদখোর আর জামায়াতের হাতে স্বাধীনতার ইতিহাস
ইউনুসের অবৈধ শাসনে বাংলাদেশিরা এখন বিশ্বের অচ্ছুত
সিসিটিভি ফুটেজে দুই শুটারের চেহারা স্পষ্ট, পরিচয় মেলেনি ২ দিনেও
দল বাঁচাতে হলে দলকেই বদলাতে হবে,আদর্শে ফেরার চ্যালেঞ্জে আওয়ামী লীগ
বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের মাঝেই বড় পদক্ষেপ! ৭১-এর যুদ্ধে লড়া ব্যাটেলিয়ন মোতায়েন ত্রিপুরায়
প্রতিবেশী বাংলাদেশে চলমান অস্থিরতা এবং রাজনৈতিক পালাবদলের মাঝেই বড়সড় পদক্ষেপ করল ভারত। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় যে ভারতীয় সেনা ব্যাটেলিয়ন সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল এবং মুক্তিবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছিল, সেই ব্যাটেলিয়নকে এবার ত্রিপুরায় মোতায়েন করা হয়েছে। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা স্বয়ং এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহে মানিক সাহা জানান, তিনি নিয়মিত বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন এবং সেই অনুযায়ী ‘বাস্তব রিপোর্ট’ দিল্লির কাছে পাঠাচ্ছেন। তিনি বলেন, “১৯৭১ সালের যুদ্ধে ভারতীয় সেনার যে ব্যাটেলিয়ন বীরত্বের সঙ্গে লড়েছিল এবং মুক্তিবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছিল, সেই ব্যাটেলিয়ন এখন আমাদের
রাজ্যেই রয়েছে।” মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতীয় সেনার পর্বত ডিভিশন বা মাউন্টেন ডিভিশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। বিশেষ করে ২০তম, অষ্টম, ষষ্ঠ এবং চতুর্থ মাউন্টেন ডিভিশনের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। তবে ঠিক কোন ডিভিশন বা ব্যাটেলিয়নকে বর্তমানে ত্রিপুরায় আনা হয়েছে, তা কৌশলগত কারণেই স্পষ্ট করেননি মুখ্যমন্ত্রী। সীমান্ত সুরক্ষা এবং যুদ্ধের বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আধুনিক প্রযুক্তির ওপর জোর দিয়েছেন। সীমান্তে সেনার শারীরিক উপস্থিতি নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আজকাল যুদ্ধ জয়ের জন্য সীমান্তে সব সময় শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকার প্রয়োজন হয় না। শত্রুদের ধ্বংস করতে এখন একটা ‘ক্লিক’-ই যথেষ্ট, যা আমরা ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় দেখেছি।” পাশাপাশি, বাংলাদেশে শেখ হাসিনার সরকারের পতন এবং বর্তমান অরাজকতার
জন্য সরাসরি পাকিস্তান ও মৌলবাদী শক্তিকে দায়ী করেছেন মানিক সাহা। তাঁর কথায়, শেখ হাসিনাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার পর বাংলাদেশে মৌলবাদীদের উত্থান এবং জেল থেকে অপরাধীদের মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি ভারতের নিরাপত্তার জন্য চিন্তার কারণ। মুহাম্মদ ইউনূসকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করার বিষয়টিকেও তিনি ভারতের উত্থান রুখে দেওয়ার এক ‘পূর্বপরিকল্পিত চক্রান্ত’ বলে অভিহিত করেছেন।
রাজ্যেই রয়েছে।” মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতীয় সেনার পর্বত ডিভিশন বা মাউন্টেন ডিভিশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। বিশেষ করে ২০তম, অষ্টম, ষষ্ঠ এবং চতুর্থ মাউন্টেন ডিভিশনের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। তবে ঠিক কোন ডিভিশন বা ব্যাটেলিয়নকে বর্তমানে ত্রিপুরায় আনা হয়েছে, তা কৌশলগত কারণেই স্পষ্ট করেননি মুখ্যমন্ত্রী। সীমান্ত সুরক্ষা এবং যুদ্ধের বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আধুনিক প্রযুক্তির ওপর জোর দিয়েছেন। সীমান্তে সেনার শারীরিক উপস্থিতি নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আজকাল যুদ্ধ জয়ের জন্য সীমান্তে সব সময় শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকার প্রয়োজন হয় না। শত্রুদের ধ্বংস করতে এখন একটা ‘ক্লিক’-ই যথেষ্ট, যা আমরা ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় দেখেছি।” পাশাপাশি, বাংলাদেশে শেখ হাসিনার সরকারের পতন এবং বর্তমান অরাজকতার
জন্য সরাসরি পাকিস্তান ও মৌলবাদী শক্তিকে দায়ী করেছেন মানিক সাহা। তাঁর কথায়, শেখ হাসিনাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার পর বাংলাদেশে মৌলবাদীদের উত্থান এবং জেল থেকে অপরাধীদের মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি ভারতের নিরাপত্তার জন্য চিন্তার কারণ। মুহাম্মদ ইউনূসকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করার বিষয়টিকেও তিনি ভারতের উত্থান রুখে দেওয়ার এক ‘পূর্বপরিকল্পিত চক্রান্ত’ বলে অভিহিত করেছেন।



