ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার!
অপারেশন ক্লিনহার্ট ২.০: মব সন্ত্রাস থামবে, নাকি কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে?
স্বাধীনতার মাসে যুদ্ধাপরাধীদের নামে শোক প্রস্তাব, সংসদ কলুষিত করল বিএনপি-জামায়াত
“রাজনীতি ভদ্রলোকদের খেলা, স্কাউন্ড্রেলদের নয়” – মাহবুব কামাল
‘পিঠের চামড়া থাকবে না’: ফাঁস হওয়া ফোনালাপে টাঙ্গাইলের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারকে বিএনপি নেতার চরম হুমকি
স্বাধীনতার বজ্রঘোষণায় পাকিস্তানিদের গণহত্যা ভেদ করেই জেগে ওঠে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ
বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতি: মুক্তিকামী জনতার একচ্ছত্র কমান্ড ও স্বাধীনতার পদধ্বনি
বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার?
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জ্বালানি কূটনীতিতে পৌঁছেছিল এক অনন্য উচ্চতায়। আঞ্চলিক সহযোগিতাকে কৌশলগত শক্তিতে রূপান্তর করে তিনি ত্রিদেশীয় এনার্জি ডিপ্লোম্যাসির একটি কার্যকর মডেল প্রতিষ্ঠা করেছেন। ভারত, ভুটান ও নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানির মাধ্যমে গড়ে উঠেছে বহুমাত্রিক জ্বালানি নিরাপত্তা কাঠামো। এর ফলে বাংলাদেশ কেবল বিদ্যুৎ ঘাটতি পূরণই করছে না, বরং আঞ্চলিক বিদ্যুৎ বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করেছে। একইভাবে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী জ্বালানি তেল পাইপলাইন উত্তরবঙ্গের জন্য তৈরি করেছে কৌশলগত নিরাপত্তা বলয়। এই অবকাঠামো সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করে, যা পরিবহন ব্যয় কমিয়েছে, সময় সাশ্রয় করেছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল করেছে। ধরা যাক, বৈশ্বিক সংকট বা
যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে সমুদ্রপথে জ্বালানি আমদানি বাধাগ্রস্ত হলো—তবুও উত্তরবঙ্গের ১৬টি জেলায় জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিপর্যয় নাও ঘটতে পারে। এই বাস্তবতাই প্রমাণ করে, জ্বালানি কূটনীতি কেবল অর্থনৈতিক উদ্যোগ নয়; এটি একটি জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল। শেখ হাসিনার এই দূরদর্শী জ্বালানি নীতি বাংলাদেশকে দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতা, সাশ্রয়ী জ্বালানি প্রাপ্তি এবং আঞ্চলিক কৌশলগত অবস্থান—তিন ক্ষেত্রেই শক্ত ভিত্তি প্রদান করেছে। সঠিক ও ধারাবাহিক নেতৃত্বের মাধ্যমে এই অর্জনের সুফল আগামী বহু দশক ধরে দেশ পেতে পারে।
যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে সমুদ্রপথে জ্বালানি আমদানি বাধাগ্রস্ত হলো—তবুও উত্তরবঙ্গের ১৬টি জেলায় জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিপর্যয় নাও ঘটতে পারে। এই বাস্তবতাই প্রমাণ করে, জ্বালানি কূটনীতি কেবল অর্থনৈতিক উদ্যোগ নয়; এটি একটি জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল। শেখ হাসিনার এই দূরদর্শী জ্বালানি নীতি বাংলাদেশকে দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতা, সাশ্রয়ী জ্বালানি প্রাপ্তি এবং আঞ্চলিক কৌশলগত অবস্থান—তিন ক্ষেত্রেই শক্ত ভিত্তি প্রদান করেছে। সঠিক ও ধারাবাহিক নেতৃত্বের মাধ্যমে এই অর্জনের সুফল আগামী বহু দশক ধরে দেশ পেতে পারে।



