ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভারতের কাছে আবারও জ্বালানি সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ
জার্মানিতে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ রক্ষার দৃঢ় অঙ্গীকারে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালন
খাদ্য মূল্যস্ফীতির ‘লাল’ তালিকায় বাংলাদেশ, তীব্র ঝুঁকির দিকে যাচ্ছে দেশ
পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর থেকে ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করছে ভারত
জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ইমামসহ নিহত ২
যে মামলায় জামিন পেলেন ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিক
বরিশালের নদীপথে মুক্তিবাহিনীর আকস্মিক আক্রমণ, পাকিস্তানি নৌঘাঁটি দুর্বল হয়ে পড়ে
এই দিনে বরিশাল ও দক্ষিণাঞ্চলের নদীবেষ্টিত এলাকায় মুক্তিবাহিনী একাধিক সমন্বিত নদী–অভিযান পরিচালনা করেছিল। স্থানীয় খাল-নদীর জটিল পথ ব্যবহার করে গঠিত কমান্ডো দলগুলো পাকিস্তানি নৌবাহিনীর টহল নৌকা, জ্বালানি বহর এবং ছোট ঘাঁটিগুলোর ওপর আকস্মিক আঘাত হানে।
মিত্রবাহিনীর গোয়েন্দা সহায়তার তথ্য অনুযায়ী, পাক নৌবাহিনী এ অঞ্চলে নদীপথকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইছিল, কারণ এই রুটই দক্ষিণের সঙ্গে তাদের শেষদিকের সংযোগ বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু মুক্তিবাহিনীর দ্রুত ও গণনাতীত আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনী কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়ে।
বরিশালের বিভিন্ন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়, খাবার ও নদীপথের গোপন রুট দেখিয়ে সহায়তা করেছিল। বহু জেলে তাদের নৌকা পর্যন্ত মুক্তিবাহিনীকে দিয়ে দিয়েছিল, যাতে গোপনে অভিযান চালানো যায়।
ঐতিহাসিক রেকর্ডে
দেখা যায়, এদিনের নদী–অভিযান দক্ষিণাঞ্চলে পাকবাহিনীর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রায় অকেজো করে দেয় এবং তাদের জ্বালানি সরবরাহ সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। এর ফলে পরবর্তী দুই দিনে মিত্রবাহিনীর অগ্রযাত্রা আরও সহজ হয়ে যায়।
দেখা যায়, এদিনের নদী–অভিযান দক্ষিণাঞ্চলে পাকবাহিনীর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রায় অকেজো করে দেয় এবং তাদের জ্বালানি সরবরাহ সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। এর ফলে পরবর্তী দুই দিনে মিত্রবাহিনীর অগ্রযাত্রা আরও সহজ হয়ে যায়।



