ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব সন্ত্রাসের মহোৎসবে জুলাই দাঙ্গার ফসল ঘরে তুলছে বাংলাদেশ
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
বরগুনায় এয়ারগান দিয়ে কারারক্ষীর পাখি শিকার
বরগুনা কারাগারের কারারক্ষী এয়ারগান দিয়ে শীতের অতিথি পাখি শিকার করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার কুয়াশাচ্ছন্ন শীতের সকালে বরগুনা পৌর শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুল কাদের সড়কে প্রকাশ্যে এয়ারগান দিয়ে পাখি শিকার করেন তারা। পাখি শিকারের এই দৃশ্যটি চোখে পড়ে দুই সাংবাদিকের। বুঝে ওঠার আগেই এয়ারগান ও ব্যাগভর্তি পাখি নিয়ে মোটরসাইকেলে চেপে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন দুই শিকারি, বরগুনা জেলা কারাগারে কর্মরত কারারক্ষী মো. হাফিজুর রহমান ও মো. রফিকুল ইসলাম। এই দুই কারারক্ষী নিয়মিত এয়ারগান হাতে পাখি শিকারে বের হন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
এর আগেও মো. রফিকুল ইসলামের নাম পাখি শিকারের ঘটনায় আলোচনায় আসে। একবার সাংবাদিকদের বাধার মুখে পড়ে তিনি প্রকাশ্যে নিজের
ভুল স্বীকার করে আর কখনো পাখি শিকার না করার অঙ্গীকার করেছিলেন। তারপরও তার পাখি শিকার থামেনি। পরিবেশবিদরা জানান, বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী পাখি শিকার একটি দ-নীয় অপরাধ। আইন ভাঙলে শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে প্রশ্ন উঠছে যারা নিজেরাই আইনের রক্ষক, তাদের হাতে আইন লঙ্ঘিত হলে বিচার কি সাধারণ মানুষের মতোই হবে, নাকি পরিচয়ের ছায়ায় দায় হালকা হয়ে যাবে? এ ঘটনায় স্থানীয় পরিবেশকর্মী মুশফিক আরিফ বলেন, ‘শুধু শাস্তি দিলেই চলবে না। অভিযুক্ত দুই কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। আইনের প্রয়োগকারী হয়ে যারা আইন ভাঙেন, তাদের জন্য শাস্তি আরও কঠোর হওয়া উচিত।’ এ বিষয়ে বরগুনা জেলা কারাগারের জেল সুপার মো.
আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ঘটনার বিষয়ে তিনি অবগত হয়েছেন। অভিযুক্ত দুই কারারক্ষীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
ভুল স্বীকার করে আর কখনো পাখি শিকার না করার অঙ্গীকার করেছিলেন। তারপরও তার পাখি শিকার থামেনি। পরিবেশবিদরা জানান, বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী পাখি শিকার একটি দ-নীয় অপরাধ। আইন ভাঙলে শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে প্রশ্ন উঠছে যারা নিজেরাই আইনের রক্ষক, তাদের হাতে আইন লঙ্ঘিত হলে বিচার কি সাধারণ মানুষের মতোই হবে, নাকি পরিচয়ের ছায়ায় দায় হালকা হয়ে যাবে? এ ঘটনায় স্থানীয় পরিবেশকর্মী মুশফিক আরিফ বলেন, ‘শুধু শাস্তি দিলেই চলবে না। অভিযুক্ত দুই কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। আইনের প্রয়োগকারী হয়ে যারা আইন ভাঙেন, তাদের জন্য শাস্তি আরও কঠোর হওয়া উচিত।’ এ বিষয়ে বরগুনা জেলা কারাগারের জেল সুপার মো.
আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ঘটনার বিষয়ে তিনি অবগত হয়েছেন। অভিযুক্ত দুই কারারক্ষীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।



