ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ করে সংসদে বিল পাশ
২ ডিআইজিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি
তৃতীয় দফায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী রিমান্ডে
বকেয়া বেতনের দাবিতে নাসা গ্রুপের পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের গোপন চুক্তি নেই, তবে কিছু বিষয় এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না
কোটি টাকা আত্মসাত, ঢাবির জুলাইযোদ্ধা ছাত্রদল নেতা অর্ণবকে বহিষ্কার
এক-এগারো সরকারের সঙ্গে ইউনূস সরকারের যোগসূত্র
‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদযাত্রা’ থেকে আটক ঢাবি অধ্যাপক জামালকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঘোষিত “বঙ্গবন্ধু শান্তি পদযাত্রা ২০২৬ (ঢাকা–টুঙ্গিপাড়া)” কর্মসূচি চলাকালে আজ সকাল ৭টায় ঢাকার জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আ. ক. ম. জামাল উদ্দিনকে পুলিশ আটক করেছে পুলিশ।
আজ ১১ই মার্চ, বুধবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম এলাকার সামনে থেকে শুরু হওয়া পদযাত্রা জিরো পয়েন্টে পৌঁছালে পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে যায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
পল্টন থানা সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আয়োজকদের ভাস্য, পূর্বনির্ধারিত সময়ের আগেই সকাল ৭টা ১৫ মিনিটের আগে অধ্যাপক ড. আ. ক. ম. জামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের সামনে থেকে জাতির
পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঘোষিত ঢাকা-টুঙ্গিপাড়া ‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদযাত্রা ২০২৬’ কর্মসূচি শুরু হয়। শান্তিপূর্ণভাবে পদযাত্রাটি জিরো পয়েন্ট এলাকায় পৌঁছানোর পরপরই পুলিশ তাকে ঘিরে ফেলে। পরে পুলিশ তাকে আটক করে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। তাকে কোন অভিযোগে আটক করা হয়েছে, সেসময় তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের পক্ষ থেকে কিছু জানানো না হলেও পরে পল্টন থানা সূত্র জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আ.ক.ম. জামাল উদ্দিনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির থেকে শিক্ষক আটক গণতান্ত্রিক চর্চা পরিপন্থী এদিকে, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি থেকে ঢাবি শিক্ষককে আটকের ঘটনায় বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ গভীর উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।বাংলাদেশি সংস্কৃতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় লোক প্রশাসন বিভাগের দপ্তর
সম্পাদক ড. মাহবুব আলম প্রদীপ প্রেরিত বিবৃতিতে জানানো হয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র, শান্তি ও মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে আয়োজিত একটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির শুরুতেই একজন সম্মানিত শিক্ষককে আটক করা গণতান্ত্রিক চর্চা ও নাগরিক অধিকারের পরিপন্থি। আমরা অবিলম্বে প্রফেসর ড. আ. ক. ম. জামাল উদ্দিনের নিঃশর্ত মুক্তি এবং এ ঘটনার সুষ্ঠু ব্যাখ্যা দাবি করছি। বিবৃতিতে বলা হয়, ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের এক গৌরবময় অধ্যায়। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার পথে ঐক্যবদ্ধ করেছিল এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রগঠনের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। ইউনেস্কো ২০১৭ সালে এই ভাষণকে Memory of the World International Register-এ অন্তর্ভুক্ত করে বিশ্ব ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে স্বীকৃতি
দিয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এই ঐতিহাসিক দিবস পালনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে মব সন্ত্রাস, গ্রেপ্তার ও সহিংসতার ঘটনা ঘটছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সরকার ইতঃপূর্বে মব সন্ত্রাস বন্ধের ঘোষণা দিলেও বাস্তবে তা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপের ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ড. প্রদীপ সাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা ৭ই মার্চ পালন করতে গিয়ে গ্রেপ্তারকৃত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আসিফ আহমেদ ও আব্দুল্লাহ আল মামুন, রাহীদ খান পাভেলের নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানাচ্ছি।History রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ উপেক্ষা করে কোনো ধরনের সহিংসতা বা সন্ত্রাস কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু তা
কখনোই ইতিহাস বিকৃতি বা সহিংসতার মাধ্যমে প্রকাশ পাওয়া উচিত নয়। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, আমরা সরকারের কাছে জোর দাবি জানাই—মব সন্ত্রাসীদের কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে আইনের শাসন নিশ্চিত করা হোক। একই সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে একটি সহনশীল, গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য সকল রাজনৈতিক দলের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা হোক।
পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঘোষিত ঢাকা-টুঙ্গিপাড়া ‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদযাত্রা ২০২৬’ কর্মসূচি শুরু হয়। শান্তিপূর্ণভাবে পদযাত্রাটি জিরো পয়েন্ট এলাকায় পৌঁছানোর পরপরই পুলিশ তাকে ঘিরে ফেলে। পরে পুলিশ তাকে আটক করে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। তাকে কোন অভিযোগে আটক করা হয়েছে, সেসময় তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের পক্ষ থেকে কিছু জানানো না হলেও পরে পল্টন থানা সূত্র জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আ.ক.ম. জামাল উদ্দিনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির থেকে শিক্ষক আটক গণতান্ত্রিক চর্চা পরিপন্থী এদিকে, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি থেকে ঢাবি শিক্ষককে আটকের ঘটনায় বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ গভীর উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।বাংলাদেশি সংস্কৃতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় লোক প্রশাসন বিভাগের দপ্তর
সম্পাদক ড. মাহবুব আলম প্রদীপ প্রেরিত বিবৃতিতে জানানো হয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র, শান্তি ও মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে আয়োজিত একটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির শুরুতেই একজন সম্মানিত শিক্ষককে আটক করা গণতান্ত্রিক চর্চা ও নাগরিক অধিকারের পরিপন্থি। আমরা অবিলম্বে প্রফেসর ড. আ. ক. ম. জামাল উদ্দিনের নিঃশর্ত মুক্তি এবং এ ঘটনার সুষ্ঠু ব্যাখ্যা দাবি করছি। বিবৃতিতে বলা হয়, ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের এক গৌরবময় অধ্যায়। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার পথে ঐক্যবদ্ধ করেছিল এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রগঠনের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। ইউনেস্কো ২০১৭ সালে এই ভাষণকে Memory of the World International Register-এ অন্তর্ভুক্ত করে বিশ্ব ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে স্বীকৃতি
দিয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এই ঐতিহাসিক দিবস পালনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে মব সন্ত্রাস, গ্রেপ্তার ও সহিংসতার ঘটনা ঘটছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সরকার ইতঃপূর্বে মব সন্ত্রাস বন্ধের ঘোষণা দিলেও বাস্তবে তা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপের ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ড. প্রদীপ সাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা ৭ই মার্চ পালন করতে গিয়ে গ্রেপ্তারকৃত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আসিফ আহমেদ ও আব্দুল্লাহ আল মামুন, রাহীদ খান পাভেলের নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানাচ্ছি।History রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ উপেক্ষা করে কোনো ধরনের সহিংসতা বা সন্ত্রাস কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু তা
কখনোই ইতিহাস বিকৃতি বা সহিংসতার মাধ্যমে প্রকাশ পাওয়া উচিত নয়। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, আমরা সরকারের কাছে জোর দাবি জানাই—মব সন্ত্রাসীদের কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে আইনের শাসন নিশ্চিত করা হোক। একই সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে একটি সহনশীল, গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য সকল রাজনৈতিক দলের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা হোক।



