ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাজধানীর বসুন্ধরায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
ইউনুস সরকারের অধীনে সংখ্যালঘু হওয়া মানেই মৃত্যুর অপেক্ষা।
গুম কমিশনে সাক্ষ্যদাতা জঙ্গিরাই আবার বোমা বানাচ্ছে, যাদের সাক্ষ্যে জঙ্গিবিরোধী পুলিশ কর্মকর্তারা গ্রেপ্তার
বাঙালী নারীদের উপর পাক হানাদারদের বর্বরতার ইতিহাস ও পরবর্তীতে হানাদারদের ক্যাম্প উড়িয়ে দেবার বিরত্ব গাঁথা শোনালেন একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা শিশু মিয়া
যে দুইদিনই বাঁচি দেশটাত যেনো শান্তিতে থাকতে পারি” – বীর মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজা বেগম —
রাজনীতির বাঁকবদল: শেখ হাসিনার মানবিকতা বনাম ঐতিহাসিক তিক্ততা—একটি বিশ্লেষণধর্মী পর্যালোচনা
ইউনুস সরকারের অধীনে সংখ্যালঘু হওয়া মানেই মৃত্যুর অপেক্ষা।
বই ছাড়াই ‘লেখক’ তুষার: লেখালেখি থেকে আয় দেখালেন ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা
অদ্ভুত পেশা ও আয়: পেশা হিসেবে ‘লেখক’ উল্লেখ করে বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা, অথচ বাজারে তার কোনো প্রকাশিত বই নেই।
সম্পদহীন প্রার্থী: হলফনামায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের ঘরে কিছুই নেই; নেই বাড়ি, গাড়ি কিংবা এক শতাংশ জমিও।
শিক্ষাগত যোগ্যতা ও নগদ অর্থ: এইচএসসি পাস এই প্রার্থীর হাতে নগদ আছে ৩ লাখ টাকা, আর আয়কর রিটার্নে সম্পদ দেখানো হয়েছে মাত্র ২ লাখ ২০ হাজার টাকা।
মামলা ও অবস্থান: তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই; তিনি নরসিংদী-২ আসনে এনসিপির প্রার্থী।
নরসিংদী প্রতিনিধি:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নরসিংদী-২ (পলাশ) আসন থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) হয়ে লড়ছেন মো. গোলাম সারোয়ার তুষার। নির্বাচন কমিশনে
দাখিল করা হলফনামায় তিনি নিজের পেশা হিসেবে ‘লেখক’ উল্লেখ করেছেন। তবে অনুসন্ধানে তার কোনো প্রকাশিত বইয়ের হদিস মেলেনি। অথচ বই বা প্রকাশনা না থাকলেও অদ্ভুতভাবে এই ‘লেখালেখি’ খাত থেকেই তিনি বছরে ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা আয় দেখিয়েছেন। হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হলেও গোলাম সারোয়ার তুষারের নিজস্ব কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদ নেই। তার বাৎসরিক আয়ের পুরোটাই আসে কথিত লেখালেখি থেকে। একজন লেখক হিসেবে তিনি পরিচিতি দিলেও স্থানীয় ভোটার বা সাহিত্য মহলে তার কোনো বইয়ের ব্যাপারে তথ্য পাওয়া যায়নি। বই ছাড়াই লেখালেখি খাত থেকে এই আয়ের বিষয়টি নিয়ে জনমনে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। হলফনামার আর্থিক বিবরণীতে দেখা গেছে,
তুষারের হাতে নগদ অর্থ রয়েছে ৩ লাখ টাকা। এছাড়া আয়কর রিটার্নে তার মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা। এর বাইরে তার নামে কোনো কৃষি বা অকৃষি জমি, অ্যাপার্টমেন্ট, দালান, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, স্বর্ণালঙ্কার কিংবা আসবাবপত্রের অস্তিত্ব নেই। অর্থাৎ, একজন এমপি প্রার্থীর যে ন্যূনতম স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ থাকার কথা, তার কিছুই উল্লেখ করেননি তিনি। শিক্ষাগত যোগ্যতার ঘরে তিনি নিজেকে এইচএসসি পাস বলে উল্লেখ করেছেন। তবে ইতিবাচক দিক হলো, অন্য অনেক প্রার্থীর মতো তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই; তিনি নিজেকে মামলাহীন দাবি করেছেন। সম্পদহীন এবং দৃশ্যমান কোনো সাহিত্যকর্ম ছাড়াই নিজেকে ‘লেখক’ দাবি করে নির্বাচনের মাঠে নামা এনসিপির এই নেতাকে নিয়ে
পলাশ নির্বাচনী এলাকায় বেশ আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। ভোটাররা প্রশ্ন তুলছেন, আয়ের উৎস যেখানে অস্পষ্ট এবং সম্পদের ভিত্তি নেই, সেখানে তিনি কীভাবে সংসদীয় আসনের দায়িত্ব পালনের স্বপ্ন দেখছেন?
দাখিল করা হলফনামায় তিনি নিজের পেশা হিসেবে ‘লেখক’ উল্লেখ করেছেন। তবে অনুসন্ধানে তার কোনো প্রকাশিত বইয়ের হদিস মেলেনি। অথচ বই বা প্রকাশনা না থাকলেও অদ্ভুতভাবে এই ‘লেখালেখি’ খাত থেকেই তিনি বছরে ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা আয় দেখিয়েছেন। হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হলেও গোলাম সারোয়ার তুষারের নিজস্ব কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদ নেই। তার বাৎসরিক আয়ের পুরোটাই আসে কথিত লেখালেখি থেকে। একজন লেখক হিসেবে তিনি পরিচিতি দিলেও স্থানীয় ভোটার বা সাহিত্য মহলে তার কোনো বইয়ের ব্যাপারে তথ্য পাওয়া যায়নি। বই ছাড়াই লেখালেখি খাত থেকে এই আয়ের বিষয়টি নিয়ে জনমনে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। হলফনামার আর্থিক বিবরণীতে দেখা গেছে,
তুষারের হাতে নগদ অর্থ রয়েছে ৩ লাখ টাকা। এছাড়া আয়কর রিটার্নে তার মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা। এর বাইরে তার নামে কোনো কৃষি বা অকৃষি জমি, অ্যাপার্টমেন্ট, দালান, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, স্বর্ণালঙ্কার কিংবা আসবাবপত্রের অস্তিত্ব নেই। অর্থাৎ, একজন এমপি প্রার্থীর যে ন্যূনতম স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ থাকার কথা, তার কিছুই উল্লেখ করেননি তিনি। শিক্ষাগত যোগ্যতার ঘরে তিনি নিজেকে এইচএসসি পাস বলে উল্লেখ করেছেন। তবে ইতিবাচক দিক হলো, অন্য অনেক প্রার্থীর মতো তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই; তিনি নিজেকে মামলাহীন দাবি করেছেন। সম্পদহীন এবং দৃশ্যমান কোনো সাহিত্যকর্ম ছাড়াই নিজেকে ‘লেখক’ দাবি করে নির্বাচনের মাঠে নামা এনসিপির এই নেতাকে নিয়ে
পলাশ নির্বাচনী এলাকায় বেশ আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। ভোটাররা প্রশ্ন তুলছেন, আয়ের উৎস যেখানে অস্পষ্ট এবং সম্পদের ভিত্তি নেই, সেখানে তিনি কীভাবে সংসদীয় আসনের দায়িত্ব পালনের স্বপ্ন দেখছেন?



