ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ওয়াশিংটন পোস্ট: ইরানে হামলায় ট্রাম্পকে প্ররোচনা দেন সৌদি যুবরাজ বিন সালমান
খামেনির হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানে ব্যাপক বিক্ষোভ: করাচির মার্কিন কনস্যুলেটে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২২, আহত ১২০+
সোলাইমানির বন্ধু আয়াতুল্লাহ খামেনির জীবন কেমন ছিল?
ইসরাইলি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে একঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় ৪ বাংলাদেশি আহত
ইরানের সরকার ফেলে দিতে হামলার পথ বেছে নেন ট্রাম্প
এক মিনিটে খামেনিসহ ৪০ শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তার মৃত্যু ঘটে
ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে ফ্রান্স, যা বললেন ম্যাক্রোঁ
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ফ্রান্স আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিতে পারে। স্থানীয় সময় বুধবার ফ্রান্স-৫ টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
আসন্ন জুনে জাতিসংঘ সম্মেলনের আগেই ঘোষণা হতে পারে উল্লেখ করে ফরাসি প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা সঠিক সময়েই সিদ্ধান্ত নেব’।
ম্যাক্রোঁর ভাষায়, ‘আগামী জুনে ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে জাতিসংঘে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি এ উদ্যোগ চূড়ান্ত করবেন। ফ্রান্সের সঙ্গে সৌদি আরবও এই সম্মেলনের সহ-আয়োজক হিসেবে থাকবে।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমাদের স্বীকৃতির পথে এগোতে হবে এবং আমরা আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই তা করব’।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি কাউকে খুশি করার জন্য এই কাজ করছি না। আমি
এটি করব, কারণ কোনো এক পর্যায়ে এটি করা ন্যায্য ও সঠিক হয়ে উঠবে’। এদিকে ফ্রান্সের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারসেন আঘাবেকিয়ান শাহিন। তিনি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘ফ্রান্সের সম্ভাব্য স্বীকৃতি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। এটি ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার ও দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের স্বার্থে এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’। ফ্রান্স দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইল ও ফিলিস্তিন আলাদা দুটি রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে মতামত দিয়ে আসছে। তবে তারা বিষয়টিতে এতদিন আনুষ্ঠানিকভাবেই সমর্থন জানিয়ে আসছিল। শেষ পর্যন্ত ফ্রান্স যদি ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়, তাহলে এটি তাদের পররাষ্ট্রনীতির বড় পরিবর্তন হবে। এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্রান্স ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলে ক্ষুব্ধ হতে পারে ইসরাইল। কারণ তারা দাবি করছে, এখনই ফিলিস্তিনকে স্বাধীন
রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত হবে অপরিপক্ব।
এটি করব, কারণ কোনো এক পর্যায়ে এটি করা ন্যায্য ও সঠিক হয়ে উঠবে’। এদিকে ফ্রান্সের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারসেন আঘাবেকিয়ান শাহিন। তিনি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘ফ্রান্সের সম্ভাব্য স্বীকৃতি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। এটি ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার ও দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের স্বার্থে এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’। ফ্রান্স দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইল ও ফিলিস্তিন আলাদা দুটি রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে মতামত দিয়ে আসছে। তবে তারা বিষয়টিতে এতদিন আনুষ্ঠানিকভাবেই সমর্থন জানিয়ে আসছিল। শেষ পর্যন্ত ফ্রান্স যদি ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়, তাহলে এটি তাদের পররাষ্ট্রনীতির বড় পরিবর্তন হবে। এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্রান্স ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলে ক্ষুব্ধ হতে পারে ইসরাইল। কারণ তারা দাবি করছে, এখনই ফিলিস্তিনকে স্বাধীন
রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত হবে অপরিপক্ব।



