ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বৈশাখের আগে ইলিশের দাম আকাশছোঁয়া, বাজারে সংকট
তারল্যচাপে অর্থনীতিতে বাড়ছে উদ্বেগ, ৪২ দিনে ৪১ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ
এলপিজি সিন্ডিকেটের নৈরাজ্য: প্রতিটি ১২ কেজির সিলিন্ডারে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা আদায়
নিত্যপণ্যের বাজার লাগামহীন: বিপাকে সাধারণ মানুষ, প্রকাশ্যেই ঝাড়ছেন ক্ষোভ
ড. মামুনুর রশীদ: জ্বালানি সংকটের ধাক্কায় অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে বাংলাদেশ, জিডিপি প্রবৃদ্ধি নামবে ২.৮%-তে
দেশে আজ সোনার ভরি কত
৮০% পর্যন্ত বিশাল ছাড়ে শুরু হলো ‘দারাজ বৈশাখী মেলা’
ফার্নেস তেলের দাম বাড়ল
বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত ফার্নেস তেলের দাম প্রতি লিটারে ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন নির্ধারিত দামে প্রতি লিটার ফার্নেস তেল ৭০ টাকা ১০ পয়সা থেকে বেড়ে ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বিইআরসি থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন দাম আজ রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে।
এর আগে ফার্নেস তেলের দাম বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) নির্ধারণ করত। তবে অন্তর্বর্তী সরকার সেই ক্ষমতা বিইআরসির হাতে দেওয়ার পর গত ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথমবারের মতো সংস্থাটি ফার্নেস তেলের দাম ঘোষণা করে। আজ দ্বিতীয়বারের মতো দাম সমন্বয় করা হলো।
বিপিসির অধীন থাকা তেল বিপণন করা সরকারি চার
কোম্পানি পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল নতুন দামে ফার্নেস তেল বিক্রি করবে। এ তেলের প্রধান ক্রেতা সরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সংস্থা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। সরকারের নির্বাহী আদেশে ফার্নেস তেলের দাম সবশেষ নির্ধারণ করা হয় ২০২৪ সালের ২ আগস্ট। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা বিইআরসির হাতে দেয়। গত বছরের ২০ জানুয়ারি বিইআরসির কাছে দাম নির্ধারণের প্রস্তাব করে বিপিসি। এরপর চারটি তেল বিপণন কোম্পানিও প্রস্তাব পাঠায় বিইআরসিতে। এক বছর পর গত ২৯ জানুয়ারি এ প্রস্তাব নিয়ে গণশুনানি করে বিইআরসি।
কোম্পানি পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল নতুন দামে ফার্নেস তেল বিক্রি করবে। এ তেলের প্রধান ক্রেতা সরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সংস্থা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। সরকারের নির্বাহী আদেশে ফার্নেস তেলের দাম সবশেষ নির্ধারণ করা হয় ২০২৪ সালের ২ আগস্ট। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা বিইআরসির হাতে দেয়। গত বছরের ২০ জানুয়ারি বিইআরসির কাছে দাম নির্ধারণের প্রস্তাব করে বিপিসি। এরপর চারটি তেল বিপণন কোম্পানিও প্রস্তাব পাঠায় বিইআরসিতে। এক বছর পর গত ২৯ জানুয়ারি এ প্রস্তাব নিয়ে গণশুনানি করে বিইআরসি।



