ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, নওগাঁ রণক্ষেত্র
জামায়াতের আমীরের ইতিহাস বিকৃতি, বিপজ্জনক রাজনীতির পুরোনো কৌশল
জামায়েতের দুই নীতি নারী এবং মুক্তিযুদ্ধ ভীতি
জামায়াতের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ভোটার স্থানান্তরের অভিযোগ: আসনভিত্তিক তথ্য চায় বিএনপি
বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের পর এনসিপির সংঘর্ষ: ভোটের আগেই ক্ষমতার লড়াইয়ে কি সংঘাত বাড়ছে?
নারী বিদ্বেষ থেকেই কি মনীষার সাথে একই মঞ্চে বসতে আপত্তি চরমোনাই পীর ফয়জুল করিমের?
শেরপুরের ঘটনায় নির্বাচনী ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে: জামায়াতের আমির
প্রোফাইল লাল করে রাবি ছাত্রলীগের প্রথম পদত্যাগকারীকেই ‘ছাত্রলীগ’ ট্যাগে পেটালো শিবির
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) তিন শিক্ষার্থীর ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়েছে গুপ্ত সংগঠন শিবিরের মুখোশধারী সন্ত্রাসীরা। এতে তারা গুরুতর আহত হন। বুধবার রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা গেটসংলগ্ন কাজলা ক্যান্টিনে রাতের খাবার খাওয়ার সময় হামলাটি ঘটে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে একজনের হাত কেটে যায়।
আহতরা হলেন ফিন্যান্স বিভাগের শিক্ষার্থী আল ফারাবী, তামজিদ আহমেদ বখশী এবং নাট্যকলা বিভাগের মিনহাজ রহমান। বখশী রাবি মেডিক্যাল সেন্টারে এবং ফারাবী ও মিনহাজ রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আল ফারাবী ছাত্রলীগের মাদার বখশ হল শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ছিলেন। জুলাই বিক্ষোভের সমর্থনে প্রোফাইফ লাল করে ১৫ই জুলাই ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে তিনি ছাত্রলীগ থেকে পদত্যাগ করেন। ক্যাম্পাসে তিনিই ছিলেন প্রথম পদত্যাগকারী।
প্রত্যক্ষদর্শী
ও ভুক্তভোগীরা জানান, খাবার খাওয়ার সময় ১০-১৫টি মোটরসাইকেলে করে মুখোশ ও হেলমেট পরা গুপ্ত সংগঠন শিবিরের সন্ত্রাসীরা ক্যান্টিনে আসে। তারা শিক্ষার্থীদের মাঝে ছবি দেখিয়ে একজনের খোঁজ করতে থাকে। পরে হঠাৎ এলোপাতাড়ি হামলা শুরু করে। তাদের হাতে ছিল রামদা, লোহার রড, হাতুড়িসহ দেশীয় অস্ত্র। হামলাকারীরা ফারাবী ও বখশীকে ক্যান্টিন থেকে মারধর করে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায়। রাত পৌনে ১২টার দিকে ফারাবীকে বিনোদপুর বেতার মাঠের পাশে এবং বখশীকে হবিবুর রহমান হলের সামনে ফেলে যায় গুপ্ত সংগঠন শিবিরের কর্মীরা। তামজিদ আহমেদ বখশী বলেন, মুখোশধারীরা ক্যান্টিনের সামনে তাকে পেটায় এবং রিকশায় তুলে অন্ধকার স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে নানা প্রশ্ন করা হয়। পরে ফোনে নির্দেশ পেয়ে তাকে
ছেড়ে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, হামলাকারীরা এক পর্যায়ে বলে, “ও ছাত্রলীগ, ওরে ধর।” তবে চেহারা ঢাকা থাকায় কাউকে চেনা যায়নি বলে জানান তিনি। প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী সিজান বলেন, হামলাকারীরা ক্যান্টিনে ঢুকে ফারাবীর কলার ধরে মারতে থাকে। বখশী বাধা দিলে তাকেও মারধর করা হয়। আরেক শিক্ষার্থী রয়নকে থামাতে গেলে তার বুকে বন্দুক ধরেছিল দুর্বৃত্তরা। ফারাবীকেও কিচেন রুমে নিয়ে পেটানো হয়। ২ ঘণ্টা পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। মিনহাজ রহমান বলেন, ফারাবীকে বাঁচাতে গেলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, মুখে কাপড় বেঁধে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়েছে। দুই শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে গিয়ে পরে ফেলে যায় তারা। আহতরা চিকিৎসাধীন আছেন। মতিহার থানার
ওসি আব্দুল মালেক বলেন, ঘটনায় তদন্ত চলছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
ও ভুক্তভোগীরা জানান, খাবার খাওয়ার সময় ১০-১৫টি মোটরসাইকেলে করে মুখোশ ও হেলমেট পরা গুপ্ত সংগঠন শিবিরের সন্ত্রাসীরা ক্যান্টিনে আসে। তারা শিক্ষার্থীদের মাঝে ছবি দেখিয়ে একজনের খোঁজ করতে থাকে। পরে হঠাৎ এলোপাতাড়ি হামলা শুরু করে। তাদের হাতে ছিল রামদা, লোহার রড, হাতুড়িসহ দেশীয় অস্ত্র। হামলাকারীরা ফারাবী ও বখশীকে ক্যান্টিন থেকে মারধর করে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায়। রাত পৌনে ১২টার দিকে ফারাবীকে বিনোদপুর বেতার মাঠের পাশে এবং বখশীকে হবিবুর রহমান হলের সামনে ফেলে যায় গুপ্ত সংগঠন শিবিরের কর্মীরা। তামজিদ আহমেদ বখশী বলেন, মুখোশধারীরা ক্যান্টিনের সামনে তাকে পেটায় এবং রিকশায় তুলে অন্ধকার স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে নানা প্রশ্ন করা হয়। পরে ফোনে নির্দেশ পেয়ে তাকে
ছেড়ে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, হামলাকারীরা এক পর্যায়ে বলে, “ও ছাত্রলীগ, ওরে ধর।” তবে চেহারা ঢাকা থাকায় কাউকে চেনা যায়নি বলে জানান তিনি। প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী সিজান বলেন, হামলাকারীরা ক্যান্টিনে ঢুকে ফারাবীর কলার ধরে মারতে থাকে। বখশী বাধা দিলে তাকেও মারধর করা হয়। আরেক শিক্ষার্থী রয়নকে থামাতে গেলে তার বুকে বন্দুক ধরেছিল দুর্বৃত্তরা। ফারাবীকেও কিচেন রুমে নিয়ে পেটানো হয়। ২ ঘণ্টা পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। মিনহাজ রহমান বলেন, ফারাবীকে বাঁচাতে গেলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, মুখে কাপড় বেঁধে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়েছে। দুই শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে গিয়ে পরে ফেলে যায় তারা। আহতরা চিকিৎসাধীন আছেন। মতিহার থানার
ওসি আব্দুল মালেক বলেন, ঘটনায় তদন্ত চলছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।



